ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন ট্রাম্প

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ১ টা ৭ মিনিটে হোয়াইট হাউজে এই ঘোষণা দেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজকের এই ঘোষণা ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যকার দ্বন্দের অবসানের জন্যে নতুন এক পদক্ষেপ।’

তিনি আরও বলেন, ‘জেরুজালেমের ওপর অধিকার পরিত্যাগের ঘোষণার ২ দশক পরও আমরা এই দুই দেশের মধ্যে শান্তি আনতে ব্যর্থ হয়েছি। এই জন্যেই অনুরূপ পদক্ষেপ গ্রহণ করে আশাবাদী হওয়া হচ্ছে নিতান্ত বোকামি। এই জন্যেই আমি জেরুজালেমকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সকল সাবেক প্রেসিডেন্ট জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা থেকে বিরত থেকেছেন। সত্যিকার অর্থে বলতে গেলে আমরা ইসরায়েলের কোন রাজধানীই নেই হিসেবে বিবেচনা করেছি। তবে আজকে আমরা এটা মানতে চলেছি যে জেরুজালেমই ইসরায়েলের রাজধানী। এটিই এই সময়ে আমাদের করনীয় ছিল। কিছু তো একটা করার দরকার ছিল।‘

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র এখনও দুই রাষ্ট্র সমাধানকে সমর্থন করছে। এব্যাপারে ট্রাম্প বলেন, ‘এই দুই পক্ষের একত্রিত সিদ্ধান্তকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করবে।‘ ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বিশ্বের সকল দেশকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তটিকে সমর্থন করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের এই দুই দেশের মধ্যে শান্তি আনার জন্যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্তটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ কেননা জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী বানানো ছাড়া শান্তি আনা সম্ভব নয়। আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তটিকে সমর্থন করি এবং ইসরায়েল এবং এর প্রতিবেশী সকল রাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি রক্ষার্থে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাব যতক্ষণ না পর্যন্ত এই বহুআকাক্সিক্ষত শান্তি আনা যায়।‘

এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে চলতি সপ্তাহে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠাবেন ট্রাম্প।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ০১:২৪:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ১ টা ৭ মিনিটে হোয়াইট হাউজে এই ঘোষণা দেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজকের এই ঘোষণা ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যকার দ্বন্দের অবসানের জন্যে নতুন এক পদক্ষেপ।’

তিনি আরও বলেন, ‘জেরুজালেমের ওপর অধিকার পরিত্যাগের ঘোষণার ২ দশক পরও আমরা এই দুই দেশের মধ্যে শান্তি আনতে ব্যর্থ হয়েছি। এই জন্যেই অনুরূপ পদক্ষেপ গ্রহণ করে আশাবাদী হওয়া হচ্ছে নিতান্ত বোকামি। এই জন্যেই আমি জেরুজালেমকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সকল সাবেক প্রেসিডেন্ট জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা থেকে বিরত থেকেছেন। সত্যিকার অর্থে বলতে গেলে আমরা ইসরায়েলের কোন রাজধানীই নেই হিসেবে বিবেচনা করেছি। তবে আজকে আমরা এটা মানতে চলেছি যে জেরুজালেমই ইসরায়েলের রাজধানী। এটিই এই সময়ে আমাদের করনীয় ছিল। কিছু তো একটা করার দরকার ছিল।‘

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র এখনও দুই রাষ্ট্র সমাধানকে সমর্থন করছে। এব্যাপারে ট্রাম্প বলেন, ‘এই দুই পক্ষের একত্রিত সিদ্ধান্তকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করবে।‘ ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বিশ্বের সকল দেশকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তটিকে সমর্থন করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের এই দুই দেশের মধ্যে শান্তি আনার জন্যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্তটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ কেননা জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী বানানো ছাড়া শান্তি আনা সম্ভব নয়। আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তটিকে সমর্থন করি এবং ইসরায়েল এবং এর প্রতিবেশী সকল রাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি রক্ষার্থে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাব যতক্ষণ না পর্যন্ত এই বহুআকাক্সিক্ষত শান্তি আনা যায়।‘

এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে চলতি সপ্তাহে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠাবেন ট্রাম্প।