ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান বলতে গিয়ে অন্যের অবদানকে হাতুড়িপেটা করেছেন :শফিকুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের তুলনা করা অন্যায় : ফজলুর রহমান বিরোধী দলের অনেকেই আমাকে ‘ফজা পাগলা’ বলে ডাকে: সংসদে ফজলুর রহমান থানায় মামলা করতে গিয়ে হয়রানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জ্বালানি লোডিং শুরু, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর রাজধানীতে বিদেশি নাগরিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ এনসিপির নুসরাতের মনোনয়ন গ্রহণ করবে ইসি, আপিল না করার সিদ্ধান্ত প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর গণতন্ত্রের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

দুবাই প্রবাসীর শিশু সন্তানসহ স্ত্রী গত চার দিন ধরে নিখোঁজ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে ফরিদপুর যাবার পথে দুবাই প্রবাসীর শিশু সন্তানসহ তার স্ত্রী গত চার দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। গত রোববার(৩রা ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে ফরিদপুর যাওয়ার পথে তারা নিখোঁজ হন।

নিখোঁজরা হলেন-মুকসুদপুর উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের দুবাই প্রবাসী আমিনুল ইসলামের স্ত্রী শিউলি সুলতানা(৩৪) ও তার ২ বছরের শিশু পূত্র আরাফাদ মোল্যা। এব্যাপারে মুকসুদপুর থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করা হয়েছে।

সাধারন ডায়রী সূত্রে জানাগেছে, গত রোববার(৩রা ডিসেম্বর) দুপর সাড়ে ১২ টার দিকে মুকসুদপুর থেকে ফরিদপুর যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে বের হন। এরপর থেকে তারা আর বাড়ীতে ফিরে না আসায় আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে তাদের খোঁজ করা হয়। তারপরেও তাদের আর কোন খোঁজ-খবর পাওয়া পায়নি।

নিখোঁজ হওয়া গৃহবধূর স্বামী দুবাই প্রবাসী আমিনুল ইসলাম মোবাইল ফোনে জানান, আমার শিশু পুত্র আরাফাদ মোল্যা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ডাক্তার দেখানোর জন্য ফরিদপুর যাবার জন্য বাসা থেকে বের হন। এরপর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানায় বাস না পাওয়ায় একটি মাইক্রেবাসে করে ফরিদপুর যাচ্ছেন। এর কিছু সময় পর আমার স্ত্রী ফোন করে আবারো জানান, তার কাছে সোনার গহনা রয়েছে। এসময় আমি তাকে সাবধানে রাখতে বলি। আসতে দেরি হওয়ায় দেড়ঘন্টা পর স্ত্রীর মোবাইলে ফোন করলে বন্ধ পাই। এরপর স্ত্রী আর সন্তানের কোন খোঁজ পাইনি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাদের কোন সন্ধান পাওয়া যায় নি।

নিখোঁজ হওয়া গৃহবধূর ভাই সাংবাদিক হুসাইন আহমদ জানান, মুকসুদপুর কলেজ মোড় বাসষ্ট্যান্ড থেকে ওই মাইক্রোবাসে ওঠে আমার বোন ও ভাগ্নে। কিন্তু, আজ চার দিন পার হলেও তাদের কোন খোঁজ পাওয়া যায় নি। এব্যাপারে আমার দুলাভাই বাদী হয়ে মুকসুদপুর থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছেন।

মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিজুর রহমান জানান, ওই গৃহবধূ ও তার শিশু পূত্র ফরিদপুরের সালতা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন। আমরা তাদেরকে খুঁজে বের করার জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান বলতে গিয়ে অন্যের অবদানকে হাতুড়িপেটা করেছেন :শফিকুর রহমান

দুবাই প্রবাসীর শিশু সন্তানসহ স্ত্রী গত চার দিন ধরে নিখোঁজ

আপডেট সময় ০৬:৫৪:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে ফরিদপুর যাবার পথে দুবাই প্রবাসীর শিশু সন্তানসহ তার স্ত্রী গত চার দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। গত রোববার(৩রা ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে ফরিদপুর যাওয়ার পথে তারা নিখোঁজ হন।

নিখোঁজরা হলেন-মুকসুদপুর উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের দুবাই প্রবাসী আমিনুল ইসলামের স্ত্রী শিউলি সুলতানা(৩৪) ও তার ২ বছরের শিশু পূত্র আরাফাদ মোল্যা। এব্যাপারে মুকসুদপুর থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করা হয়েছে।

সাধারন ডায়রী সূত্রে জানাগেছে, গত রোববার(৩রা ডিসেম্বর) দুপর সাড়ে ১২ টার দিকে মুকসুদপুর থেকে ফরিদপুর যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে বের হন। এরপর থেকে তারা আর বাড়ীতে ফিরে না আসায় আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে তাদের খোঁজ করা হয়। তারপরেও তাদের আর কোন খোঁজ-খবর পাওয়া পায়নি।

নিখোঁজ হওয়া গৃহবধূর স্বামী দুবাই প্রবাসী আমিনুল ইসলাম মোবাইল ফোনে জানান, আমার শিশু পুত্র আরাফাদ মোল্যা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ডাক্তার দেখানোর জন্য ফরিদপুর যাবার জন্য বাসা থেকে বের হন। এরপর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানায় বাস না পাওয়ায় একটি মাইক্রেবাসে করে ফরিদপুর যাচ্ছেন। এর কিছু সময় পর আমার স্ত্রী ফোন করে আবারো জানান, তার কাছে সোনার গহনা রয়েছে। এসময় আমি তাকে সাবধানে রাখতে বলি। আসতে দেরি হওয়ায় দেড়ঘন্টা পর স্ত্রীর মোবাইলে ফোন করলে বন্ধ পাই। এরপর স্ত্রী আর সন্তানের কোন খোঁজ পাইনি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাদের কোন সন্ধান পাওয়া যায় নি।

নিখোঁজ হওয়া গৃহবধূর ভাই সাংবাদিক হুসাইন আহমদ জানান, মুকসুদপুর কলেজ মোড় বাসষ্ট্যান্ড থেকে ওই মাইক্রোবাসে ওঠে আমার বোন ও ভাগ্নে। কিন্তু, আজ চার দিন পার হলেও তাদের কোন খোঁজ পাওয়া যায় নি। এব্যাপারে আমার দুলাভাই বাদী হয়ে মুকসুদপুর থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছেন।

মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিজুর রহমান জানান, ওই গৃহবধূ ও তার শিশু পূত্র ফরিদপুরের সালতা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন। আমরা তাদেরকে খুঁজে বের করার জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছি।