ঢাকা ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যারা ১৭ বছর দেশের বাইরে ছিল তারাই গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার ক্যাম্পাসগুলোকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাজপথে নামলে সরকারের পতন ঘটাতে বেশি সময় লাগবে না: ইসহাক সরকার নাটোরে যুবদলের দু’পক্ষে সংঘর্ষ, মোটরসাইকেলে আগুন দোকান ভাঙচুর ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, রনি ও কাফি শিবির কি রগকাটা, শিবির কি গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী ‘শিক্ষকরা কোনো দলের নেতা নন, রাজনীতি করলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন’:কায়সার কামাল দেশে তেলের সংকট নেই, কিছু মানুষ অনৈতিক ব্যবসা করছে: মির্জা ফখরুল

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে দেশে বিনিয়োগ বেড়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে দেশে বিনিয়োগ বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেছেন, ‘রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে ২০১৪ সালে বিনিয়োগ কম ছিল। কিন্তু ২০১৫ সালের পর বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই সময় বিনিয়োগ ছিল ১.২ বিলিয়ন ডলার। এখন বিনিয়োগ ২.২ বিলিয়ন ডলার।’

মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সৌদি আরবের ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

বৈঠকে সৌদি আরব সৌর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও তথ্য প্রযুক্তিখাতে বিনিয়োগ করতে চায় বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘সৌদি আরবের সঙ্গে আমাদের বিভিন্ন খাতে ব্যবসার সুযোগ রয়েছে। তারা বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করতে চায়। বিশেষ করে সোলার (সৌর বিদ্যুৎ), এনার্জি (জ্বালানি) ও আইসিটি (তথ্য প্রযুক্তি) খাতে বিনিয়োগ করতে তারা আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আমরা মাত্র তিনটি পণ্যে বিদেশে রপ্তানি করতাম। সেগুলো হলো পাট, চামড়া ও চা। কিন্তু এখন সাতশ’র বেশি পণ্য আমরা বিদেশে রপ্তানি করি। আমাদের ব্যবসার ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য এসেছে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সৌদি ব্যবসায়িক প্রতিনিধিরা আজকে আমাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। কালকে এফবিসিসিআই এর সঙ্গে বৈঠক করবেন। ওই বৈঠকে দুই দেশের ব্যবসায়িদের মধ্যে এমওইউ সই হবে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশে ব্যবসায়ীক প্রতিনিধিরাও সৌদি আরবে যাবে। সেখানে তারা আলোচনা করবে। আমরা চাই আমাদের ব্যবসায়িক ভলিউম বৃদ্ধি করতে।’

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, অনেক আগ থেকেই সৌদি আরবের সঙ্গে আমাদের ব্যবসা ছিল। তবে সেটি ব্যক্তি পর্যায়ে। স্ট্রাকচার্ড (গঠনমূলক) ছিল না। আমরা চেয়েছি যে সৌদি আরবের সঙ্গে ব্যবসাটা স্ট্রাকচার্ড (গঠনমূলক) হোক। সেটা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আগে যেটা হতো আমরা সৌদি আরব থেকে তেল আনবো। আর সৌদি আরবে আমাদের গার্মেন্টস পণ্য যাবে। সেই ধারণা থেকে আমরা বের হতে চাই। আমাদের ব্যবসার ক্ষেত্রে অনেক বৈচিত্র্য এসেছে।’

আমাদের দেশে ব্যবসার পরিবেশ এখন অনেক ভাল জানিয়ে মুহিত বলেন, ‘কিছু সমস্যা আছে। সেগুলো আমরা কাটিয়ে উঠবো। আমাদের পাওয়ার সেক্টরে কিছু সমস্যা আছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে সেই সমস্যা থাকবে না। আমরা এলএনজির মাধ্যমে সেই সমস্যা সমাধান করবো।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে দেশে বিনিয়োগ বেড়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:০১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে দেশে বিনিয়োগ বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেছেন, ‘রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে ২০১৪ সালে বিনিয়োগ কম ছিল। কিন্তু ২০১৫ সালের পর বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই সময় বিনিয়োগ ছিল ১.২ বিলিয়ন ডলার। এখন বিনিয়োগ ২.২ বিলিয়ন ডলার।’

মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সৌদি আরবের ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

বৈঠকে সৌদি আরব সৌর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও তথ্য প্রযুক্তিখাতে বিনিয়োগ করতে চায় বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘সৌদি আরবের সঙ্গে আমাদের বিভিন্ন খাতে ব্যবসার সুযোগ রয়েছে। তারা বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করতে চায়। বিশেষ করে সোলার (সৌর বিদ্যুৎ), এনার্জি (জ্বালানি) ও আইসিটি (তথ্য প্রযুক্তি) খাতে বিনিয়োগ করতে তারা আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আমরা মাত্র তিনটি পণ্যে বিদেশে রপ্তানি করতাম। সেগুলো হলো পাট, চামড়া ও চা। কিন্তু এখন সাতশ’র বেশি পণ্য আমরা বিদেশে রপ্তানি করি। আমাদের ব্যবসার ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য এসেছে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সৌদি ব্যবসায়িক প্রতিনিধিরা আজকে আমাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। কালকে এফবিসিসিআই এর সঙ্গে বৈঠক করবেন। ওই বৈঠকে দুই দেশের ব্যবসায়িদের মধ্যে এমওইউ সই হবে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশে ব্যবসায়ীক প্রতিনিধিরাও সৌদি আরবে যাবে। সেখানে তারা আলোচনা করবে। আমরা চাই আমাদের ব্যবসায়িক ভলিউম বৃদ্ধি করতে।’

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, অনেক আগ থেকেই সৌদি আরবের সঙ্গে আমাদের ব্যবসা ছিল। তবে সেটি ব্যক্তি পর্যায়ে। স্ট্রাকচার্ড (গঠনমূলক) ছিল না। আমরা চেয়েছি যে সৌদি আরবের সঙ্গে ব্যবসাটা স্ট্রাকচার্ড (গঠনমূলক) হোক। সেটা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আগে যেটা হতো আমরা সৌদি আরব থেকে তেল আনবো। আর সৌদি আরবে আমাদের গার্মেন্টস পণ্য যাবে। সেই ধারণা থেকে আমরা বের হতে চাই। আমাদের ব্যবসার ক্ষেত্রে অনেক বৈচিত্র্য এসেছে।’

আমাদের দেশে ব্যবসার পরিবেশ এখন অনেক ভাল জানিয়ে মুহিত বলেন, ‘কিছু সমস্যা আছে। সেগুলো আমরা কাটিয়ে উঠবো। আমাদের পাওয়ার সেক্টরে কিছু সমস্যা আছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে সেই সমস্যা থাকবে না। আমরা এলএনজির মাধ্যমে সেই সমস্যা সমাধান করবো।’