ঢাকা ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

শুরু হচ্ছে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জি-টু-জি ভিত্তিতে ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শিগগির শুরু হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে নির্মাণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে আজ বুধবার বেইজিংয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বুধবার সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এবং নির্মাণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনের বোর্ড চেয়ারম্যান মি. রুয়ান গুয়ান নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

চূড়ান্ত নকশা অনুমোদনের পর ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উড়াল সড়কটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সড়ক থেকে শুরু হয়ে ইপিজেড-চন্দ্রা ইন্টারসেকশনে শেষ হবে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য হবে ২৪ কিলোমিটার। উভয় পাশে চারলেনের ১৪ দশমিক ২৮ কিলোমিটার সংযোগ সড়কও নির্মিত হবে।

উড়াল সড়কে আরও থাকছে ১০ দশমিক ৮৪ কিলোমিটার দীর্ঘ র‌্যাম্প, নবীনগর ইন্টারসেকশনে ১ দশমিক ৯১ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভার, বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজন অনুসারে ২ দশমিক ৭২ কিলোমিটার সেতু ও ১৮ কিলোমিটার ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনার কাজ।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার নয় কোটি ১৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৪ শতাংশ সুদে ১০ হাজার ৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ঋণ দেবে চায়না এক্সিম ব্যাংক। বাকি অর্থায়ন করবে সরকার। মোট ব্যয়ের দুই হাজার কোটি টাকা সংস্থান রাখা হয়েছে ৩৭ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন খাতে।

২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হবে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রকল্প সাহায্যের দুই হাজার ২০ কোটি টাকাসহ মোট তিন হাজার ৮১৪ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে।

সেতু বিভাগ সূত্র জানায়, প্রকল্পটির মূল্য উদ্দেশ্য ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী আশুলিয়া অংশের যানজট নিরসন করা। সফলভাবে উড়াল সড়কটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকার সঙ্গে ৩০টি জেলার সহজ সংযোগ স্থাপিত হবে। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাও হবে যানজটমুক্ত। পাশাপাশি যানজটমুক্ত হবে আব্দুল্লাহপুর-আশুলিয়া-বাইপাইল-চন্দ্রা এলাকা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

শুরু হচ্ছে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ

আপডেট সময় ০১:০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জি-টু-জি ভিত্তিতে ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শিগগির শুরু হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে নির্মাণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে আজ বুধবার বেইজিংয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বুধবার সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এবং নির্মাণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনের বোর্ড চেয়ারম্যান মি. রুয়ান গুয়ান নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

চূড়ান্ত নকশা অনুমোদনের পর ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উড়াল সড়কটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সড়ক থেকে শুরু হয়ে ইপিজেড-চন্দ্রা ইন্টারসেকশনে শেষ হবে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য হবে ২৪ কিলোমিটার। উভয় পাশে চারলেনের ১৪ দশমিক ২৮ কিলোমিটার সংযোগ সড়কও নির্মিত হবে।

উড়াল সড়কে আরও থাকছে ১০ দশমিক ৮৪ কিলোমিটার দীর্ঘ র‌্যাম্প, নবীনগর ইন্টারসেকশনে ১ দশমিক ৯১ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভার, বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজন অনুসারে ২ দশমিক ৭২ কিলোমিটার সেতু ও ১৮ কিলোমিটার ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনার কাজ।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার নয় কোটি ১৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৪ শতাংশ সুদে ১০ হাজার ৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ঋণ দেবে চায়না এক্সিম ব্যাংক। বাকি অর্থায়ন করবে সরকার। মোট ব্যয়ের দুই হাজার কোটি টাকা সংস্থান রাখা হয়েছে ৩৭ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন খাতে।

২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হবে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রকল্প সাহায্যের দুই হাজার ২০ কোটি টাকাসহ মোট তিন হাজার ৮১৪ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে।

সেতু বিভাগ সূত্র জানায়, প্রকল্পটির মূল্য উদ্দেশ্য ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী আশুলিয়া অংশের যানজট নিরসন করা। সফলভাবে উড়াল সড়কটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকার সঙ্গে ৩০টি জেলার সহজ সংযোগ স্থাপিত হবে। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাও হবে যানজটমুক্ত। পাশাপাশি যানজটমুক্ত হবে আব্দুল্লাহপুর-আশুলিয়া-বাইপাইল-চন্দ্রা এলাকা।