ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর কু‌ড়িগ্রা‌মে এন‌সি‌পির মি‌ছি‌লে হামলা, আহত ১০ আলিফের চোখ ফেরত দিন, আমরা চুপ হয়ে যাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপুরায় চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে যাত্রীর মৃত্যু জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

রাখাইনে ধর্ম বৈষম্য হয়নি, পোপকে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে বৈঠকে দাবি করেছেন, রাখাইন রাজ্যে ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য হয়নি। সেই সঙ্গে দেশটির সেনাবাহিনী সেখানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। খবর বিবিসির।

বৌদ্ধ প্রধান দেশ মিয়ানমারে প্রথমবারের মত কোন পোপের সফরে সোমবার পোপ ফ্রান্সিস দেশটিতে পৌঁছেছেন। সফরের শুরুর দিনেই দেশটির সেনা প্রধানের সঙ্গে দেখা করেন পোপ। রাতে সেনাপ্রধানের দেয়া ফেসবুক পোস্টে দেখা যায়, রাখাইন রাজ্যে কোনো ধর্মীয় বৈষম্য হয়নি বলে পোপ-কে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

সেনা প্রধানের অফিস থেকে বলা হয়েছে, জেনারেল মিন পোপকে জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনী রাখাইন অঞ্চলে শান্তি এবং স্থিতিশীলতা আনতে কাজ করে যাচ্ছে। তবে এসবের জবাবে পোপ ফ্রান্সিস কি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন- তা উল্লেখ করা হয়নি মিয়ানমারের পক্ষ থেকে।

যদিও, মিয়ানমার সফরে পোপকে রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহার না করার বিষয়ে আগেই পরামর্শ দেয়া হয়েছিল। এর আগে সোমবার পোপ মিয়ানমার পৌঁছালে হর্ষধ্বনির মাধ্যমে তাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানানো হয়। রোমান ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা এমন এক সময়ে মিয়ানমার সফর করছেন যখন দেশটির সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা মুসলমানদের জাতিগত নিধনের অভিযোগ রয়েছে।

দেশটির সেনাবাহিনীর নির্যাতন থেকে বাঁচতে গত তিন মাসে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলমান পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। ভ্যাটিকানের কর্মকর্তারা বলছেন, পোপ মিয়ানমার সফরের সময় মৈত্রী পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং সংকট সমাধানের জন্য সংলাপের ওপর জোর দেবেন।সেনা প্রধানের পর মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো নেতা অং সান সু চির সঙ্গে দেখা করবেন পোপ। এরপর তিনি যাবেন বাংলাদেশ সফরে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

রাখাইনে ধর্ম বৈষম্য হয়নি, পোপকে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান

আপডেট সময় ০২:০৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে বৈঠকে দাবি করেছেন, রাখাইন রাজ্যে ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য হয়নি। সেই সঙ্গে দেশটির সেনাবাহিনী সেখানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। খবর বিবিসির।

বৌদ্ধ প্রধান দেশ মিয়ানমারে প্রথমবারের মত কোন পোপের সফরে সোমবার পোপ ফ্রান্সিস দেশটিতে পৌঁছেছেন। সফরের শুরুর দিনেই দেশটির সেনা প্রধানের সঙ্গে দেখা করেন পোপ। রাতে সেনাপ্রধানের দেয়া ফেসবুক পোস্টে দেখা যায়, রাখাইন রাজ্যে কোনো ধর্মীয় বৈষম্য হয়নি বলে পোপ-কে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

সেনা প্রধানের অফিস থেকে বলা হয়েছে, জেনারেল মিন পোপকে জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনী রাখাইন অঞ্চলে শান্তি এবং স্থিতিশীলতা আনতে কাজ করে যাচ্ছে। তবে এসবের জবাবে পোপ ফ্রান্সিস কি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন- তা উল্লেখ করা হয়নি মিয়ানমারের পক্ষ থেকে।

যদিও, মিয়ানমার সফরে পোপকে রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহার না করার বিষয়ে আগেই পরামর্শ দেয়া হয়েছিল। এর আগে সোমবার পোপ মিয়ানমার পৌঁছালে হর্ষধ্বনির মাধ্যমে তাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানানো হয়। রোমান ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা এমন এক সময়ে মিয়ানমার সফর করছেন যখন দেশটির সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা মুসলমানদের জাতিগত নিধনের অভিযোগ রয়েছে।

দেশটির সেনাবাহিনীর নির্যাতন থেকে বাঁচতে গত তিন মাসে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলমান পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। ভ্যাটিকানের কর্মকর্তারা বলছেন, পোপ মিয়ানমার সফরের সময় মৈত্রী পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং সংকট সমাধানের জন্য সংলাপের ওপর জোর দেবেন।সেনা প্রধানের পর মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো নেতা অং সান সু চির সঙ্গে দেখা করবেন পোপ। এরপর তিনি যাবেন বাংলাদেশ সফরে।