ঢাকা ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মাসিক আয় লাখ টাকা, তবুও ছাড়বেন না ভিক্ষাবৃত্তি!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ভারতে পেশাদার ভিক্ষাজীবী দেখতে পাওয়া যায়। তাদের উপার্জন কর্পোরেট সংস্থায় চাকুরেদের থেকে কোন অংশে কম নয়।

তাদের মধ্যে মুম্বাইয়ের বাসিন্দা ভরত অন্যতম।

পঞ্চাশোর্ধ্ব ভরত রীতিমতো ফ্যামিলি ম্যান। তার কর্মক্ষেত্র মুম্বাইয়ের পারেল এলাকা। তিনি দু’টো ফ্ল্যাটের মালিক। সেই ফ্লাট দুইটির দাম অন্তত এক কোটি টাকা। ভিক্ষা করে প্রতি মাসে তার উপার্জন ৭৫ হাজার টাকা। এই ভিক্ষাবৃত্তীর জন্য তিনি সময় দিতে পারেন না পরিবারকে।

এছাড়াও ভরতের একটি দোকান রয়েছে। তবে সেটি তিনি ভাড়া দিয়েছেন।

ভাড়া বাবদ প্রতি মাসে পেয়ে থাকেন ১০ হাজার টাকার বেশি। পাশাপাশি তার পরিবারের অন্য সদস্যরা স্কুলের স্টেশনারি জিনিসের ব্যবসা চালান।

সব মিলিয়ে মাসে মাসে লক্ষাধিক টাকার উপার্জন হয়েই থাকে। পরিবারের তরফে বহুবার অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু ভরত ভিক্ষাবৃত্তি ছাড়বেন না। কারণ যে জীবিকা তাঁকে পায়ের নিচে জমি দিয়েছে সেটা নিয়ে তিনি বিন্দুমাত্র লজ্জিত নন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

মাসিক আয় লাখ টাকা, তবুও ছাড়বেন না ভিক্ষাবৃত্তি!

আপডেট সময় ১১:৪৯:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ভারতে পেশাদার ভিক্ষাজীবী দেখতে পাওয়া যায়। তাদের উপার্জন কর্পোরেট সংস্থায় চাকুরেদের থেকে কোন অংশে কম নয়।

তাদের মধ্যে মুম্বাইয়ের বাসিন্দা ভরত অন্যতম।

পঞ্চাশোর্ধ্ব ভরত রীতিমতো ফ্যামিলি ম্যান। তার কর্মক্ষেত্র মুম্বাইয়ের পারেল এলাকা। তিনি দু’টো ফ্ল্যাটের মালিক। সেই ফ্লাট দুইটির দাম অন্তত এক কোটি টাকা। ভিক্ষা করে প্রতি মাসে তার উপার্জন ৭৫ হাজার টাকা। এই ভিক্ষাবৃত্তীর জন্য তিনি সময় দিতে পারেন না পরিবারকে।

এছাড়াও ভরতের একটি দোকান রয়েছে। তবে সেটি তিনি ভাড়া দিয়েছেন।

ভাড়া বাবদ প্রতি মাসে পেয়ে থাকেন ১০ হাজার টাকার বেশি। পাশাপাশি তার পরিবারের অন্য সদস্যরা স্কুলের স্টেশনারি জিনিসের ব্যবসা চালান।

সব মিলিয়ে মাসে মাসে লক্ষাধিক টাকার উপার্জন হয়েই থাকে। পরিবারের তরফে বহুবার অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু ভরত ভিক্ষাবৃত্তি ছাড়বেন না। কারণ যে জীবিকা তাঁকে পায়ের নিচে জমি দিয়েছে সেটা নিয়ে তিনি বিন্দুমাত্র লজ্জিত নন।