ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

চমেক হাসপাতালের মূল ফটকে তালা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। বুধবার (২২ নভেম্বর) সকালে নজিরবিহীনভাবে মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পুলিশ এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে কারা এই ফটক বন্ধ করেছে তা না জানার কথা বলা হয়েছিল। তবে দুপুর পৌনে ১টার দিকে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জালাল উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভয়ে ছাত্ররা গেইট বন্ধ করে দিয়েছিল। এখন আমরা খুলে দিয়েছি।

এদিকে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে রোগীদের বহনকারী গাড়িসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল চমেক হাসপাতালে প্রবেশ স্বাভাবিক হয়েছে।

চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম বলেন, মূল গেইট এবং পশ্চিমের দুটি ছোট গেইট তালা দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আমরা তালা খুলে দিয়েছি। সম্প্রতি চিকিৎসকদের দুই গ্রুপে সংঘাতের জেরে এই ফটক বন্ধের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

গত সোমবার (২০ নভেম্বর) নগরীর গোলপাহাড় মোড়ে চিকিৎসকদের দুই গ্রুপে সংঘাতের ঘটনা ঘটে। একপক্ষে ছিলেন চমেকের ইন্টার্নি চিকিৎসকরা এবং আরেক পক্ষে ছিলেন নগরীর মেট্রোপলিটন হাসপাতালের ডাক্তারদের একাংশ ও ওমরগণি এমইএস কলেজের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

চমেক হাসপাতালের মূল ফটকে তালা

আপডেট সময় ০২:৩১:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। বুধবার (২২ নভেম্বর) সকালে নজিরবিহীনভাবে মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পুলিশ এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে কারা এই ফটক বন্ধ করেছে তা না জানার কথা বলা হয়েছিল। তবে দুপুর পৌনে ১টার দিকে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জালাল উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভয়ে ছাত্ররা গেইট বন্ধ করে দিয়েছিল। এখন আমরা খুলে দিয়েছি।

এদিকে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে রোগীদের বহনকারী গাড়িসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল চমেক হাসপাতালে প্রবেশ স্বাভাবিক হয়েছে।

চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম বলেন, মূল গেইট এবং পশ্চিমের দুটি ছোট গেইট তালা দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আমরা তালা খুলে দিয়েছি। সম্প্রতি চিকিৎসকদের দুই গ্রুপে সংঘাতের জেরে এই ফটক বন্ধের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

গত সোমবার (২০ নভেম্বর) নগরীর গোলপাহাড় মোড়ে চিকিৎসকদের দুই গ্রুপে সংঘাতের ঘটনা ঘটে। একপক্ষে ছিলেন চমেকের ইন্টার্নি চিকিৎসকরা এবং আরেক পক্ষে ছিলেন নগরীর মেট্রোপলিটন হাসপাতালের ডাক্তারদের একাংশ ও ওমরগণি এমইএস কলেজের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।