অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
অবসর নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে লিখবেন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহচর্য. সহযোগিতার নানা দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এতদিন ধরে কর্মস্পৃহা, কর্মোদ্যম একই পথে চলছে, তার পেছনে দ্য গ্রেট লিডারের ইন্সপিরেশন, অ্যাসিস্টেন্সি রয়েছে।
গতকাল বুধবার জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনা’ গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বইটিতে অর্মত্য সেনের লেখা ‘শান্তি ও গণতন্ত্রের মানসকন্যা’ প্রবন্ধটি উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা এখন এক বিশ্ব সম্পদ, বিশ্বনেতাদের কাতারে তিনি একজন। তার এই অগ্রযাত্রায় আমরা গৌরব করতে পারি। তার এই আসন আমরা কোনোভাবে বিচ্যুত হতে দিতে পারি না।
গ্রন্থটি নিয়ে আলোচনায় তিনি বলেন, গ্রন্থটির বিশেষত্ব হচ্ছে, এতে প্রতিটি রচনার পাশাপাশি ঠাঁই পেয়েছে বেশকিছু দুর্লভ ছবি।
প্রকাশনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ স্টাডি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান প্রফেসর এমিরেটাস ড. এ কে আবদুল মোমেন। অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, অর্থনীতিবিদ কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মজিব উদ্দিন আহমদ, অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শামস উল ইসলাম, ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইশতিয়াক আহমেদ চৌধুরী, আরডিএ মহাপরিচালক প্রকৌশলী এম এ মতিন প্রমুখ।
বাংলাদেশ স্টাডি ট্রাস্ট ও সময় উন্নয়ন সোসাইটির সহযোগিতায় সাংবাদিক ও সংগঠক টি এইচ এম জাহাঙ্গীরের সম্পাদনায় বাংলা টাইমস প্রকাশনী থেকে ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনা’ গ্রন্থটিতে ৩৪টি প্রবন্ধ সংকলিত হয়েছে। এতে শেখ হাসিনার জীবনীর পাশাপাশি তার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবদানের দিকগুলো নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 





















