ঢাকা ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

খালেদা জিয়া রাস্তা দিয়ে গেলে মানুষেরই ঢল নামবে: রিজভী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সব দেশেই নির্লজ্জ স্বৈরাচার গণতন্ত্রে বহুমতের চর্চাকে ধর্তব্যে নেয় না বলে মন্তব্য করেছেন বিএন‌পির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাস‌চিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘যদি আমলে নিত তাহলে গণতন্ত্র রুগণ হয়ে পড়ত না এবং সরকারের স্বৈরাচারী হিংস্র রূপ ব্যাপকতা লাভ করত না।’

আজ বৃহস্প‌তিবার বি‌কে‌লে রাজধানীর নয়াপল্ট‌নে বিএন‌পির কেন্দ্রীয় কার্যাল‌য়ে এক সংবাদ স‌ম্মেল‌নে এই মন্তব্য ক‌রেন রিজভী।

‌বিএনপির এই নেতা ব‌লেন, ‘স্বৈরাচারী শক্তি সব সময় বিরোধী মত, চিন্তা ও বিশ্বাসের সহাবস্থানকে ভয় পায় বলেই গণতন্ত্রে অপরিহার্য বিরোধী দলের আওয়াজকে ধর্তব্যে না নিয়ে নির্দয় নিষ্ঠুর দমনের পন্থার ওপরই নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। শেখ হাসিনা অগ্রগামী মানবসভ্যতাবিরোধী সেই সব স্বৈরশাসকদেরই একজন এবং এক অভিনব সংস্করণ।’

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বক্তব্যকে ধর্তব্যে না নেওয়ার বিষয়ে গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের সমালোচনা করেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘বর্তমান বিনা ভোটের সরকারের দেশের তথাকথিত উন্নয়নের ন্যায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে ব্যবহৃত শব্দাবলির উন্নয়ন ঘটতে শুরু করেছে।’

‌রিজভী‌ ব‌লেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আরো বলেছেন-রোহিঙ্গাদেরকে মানবিক সহায়তা নয়, ত্রাণের নামে শোডাউন ছিল বিএনপির লক্ষ্য। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দলের চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী এবং এই মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়া রাস্তা দিয়ে কোথাও গেলে মানুষেরই ঢল নামবে, জ্বিন-ভূতের নয়। মানুষজন তো রাস্তাঘাট দিয়েই চলাচল করে, সর্ষে ক্ষেত বা ধানক্ষেত দিয়ে নয়। এখন রাস্তায় দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রীকে একনজর দেখতে অজস্র মানুষ ছুটে আসায় প্রধানমন্ত্রীসহ ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী-নেতারা ঈর্ষায় পাগল হয়ে গেছে। আর সেই কারণেই তাদের মুখ থেকে অসংলগ্ন কথাবার্তা বের হচ্ছে।’

‘আমরা প্রধানমন্ত্রীকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, ২৫ আগস্টে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের ঢল যখন শুরু হলো, তখন কিন্তু আপনি অসহায় রোহিঙ্গাদের তখন বাংলাদেশে ঢুকতে দেননি। তাদেরকে বাংলাদেশে আসতে বাধাদানের উদ্দেশ্যে নির্মমভাবে গুলিও চালানো হয়েছে। নাফ নদী পেরিয়ে রোহিঙ্গাদের নৌকা বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি, আর এই কারণে অসংখ্য রোহিঙ্গার সলিলসমাধি হয়েছে। আপনি কি এগুলো বেমালুম ভুলে গেছেন? এগুলো কোন ধরনের মানবিক সহায়তা, তা জনগণ প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে জানতে চায়। আমি প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের উদ্ভট, কাণ্ডজ্ঞানহীন ও পরশ্রীকাতর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’ বলছিলেন রুহুল কবির রিজভী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

খালেদা জিয়া রাস্তা দিয়ে গেলে মানুষেরই ঢল নামবে: রিজভী

আপডেট সময় ১০:৩৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সব দেশেই নির্লজ্জ স্বৈরাচার গণতন্ত্রে বহুমতের চর্চাকে ধর্তব্যে নেয় না বলে মন্তব্য করেছেন বিএন‌পির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাস‌চিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘যদি আমলে নিত তাহলে গণতন্ত্র রুগণ হয়ে পড়ত না এবং সরকারের স্বৈরাচারী হিংস্র রূপ ব্যাপকতা লাভ করত না।’

আজ বৃহস্প‌তিবার বি‌কে‌লে রাজধানীর নয়াপল্ট‌নে বিএন‌পির কেন্দ্রীয় কার্যাল‌য়ে এক সংবাদ স‌ম্মেল‌নে এই মন্তব্য ক‌রেন রিজভী।

‌বিএনপির এই নেতা ব‌লেন, ‘স্বৈরাচারী শক্তি সব সময় বিরোধী মত, চিন্তা ও বিশ্বাসের সহাবস্থানকে ভয় পায় বলেই গণতন্ত্রে অপরিহার্য বিরোধী দলের আওয়াজকে ধর্তব্যে না নিয়ে নির্দয় নিষ্ঠুর দমনের পন্থার ওপরই নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। শেখ হাসিনা অগ্রগামী মানবসভ্যতাবিরোধী সেই সব স্বৈরশাসকদেরই একজন এবং এক অভিনব সংস্করণ।’

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বক্তব্যকে ধর্তব্যে না নেওয়ার বিষয়ে গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের সমালোচনা করেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘বর্তমান বিনা ভোটের সরকারের দেশের তথাকথিত উন্নয়নের ন্যায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে ব্যবহৃত শব্দাবলির উন্নয়ন ঘটতে শুরু করেছে।’

‌রিজভী‌ ব‌লেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আরো বলেছেন-রোহিঙ্গাদেরকে মানবিক সহায়তা নয়, ত্রাণের নামে শোডাউন ছিল বিএনপির লক্ষ্য। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দলের চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী এবং এই মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়া রাস্তা দিয়ে কোথাও গেলে মানুষেরই ঢল নামবে, জ্বিন-ভূতের নয়। মানুষজন তো রাস্তাঘাট দিয়েই চলাচল করে, সর্ষে ক্ষেত বা ধানক্ষেত দিয়ে নয়। এখন রাস্তায় দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রীকে একনজর দেখতে অজস্র মানুষ ছুটে আসায় প্রধানমন্ত্রীসহ ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী-নেতারা ঈর্ষায় পাগল হয়ে গেছে। আর সেই কারণেই তাদের মুখ থেকে অসংলগ্ন কথাবার্তা বের হচ্ছে।’

‘আমরা প্রধানমন্ত্রীকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, ২৫ আগস্টে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের ঢল যখন শুরু হলো, তখন কিন্তু আপনি অসহায় রোহিঙ্গাদের তখন বাংলাদেশে ঢুকতে দেননি। তাদেরকে বাংলাদেশে আসতে বাধাদানের উদ্দেশ্যে নির্মমভাবে গুলিও চালানো হয়েছে। নাফ নদী পেরিয়ে রোহিঙ্গাদের নৌকা বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি, আর এই কারণে অসংখ্য রোহিঙ্গার সলিলসমাধি হয়েছে। আপনি কি এগুলো বেমালুম ভুলে গেছেন? এগুলো কোন ধরনের মানবিক সহায়তা, তা জনগণ প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে জানতে চায়। আমি প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের উদ্ভট, কাণ্ডজ্ঞানহীন ও পরশ্রীকাতর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’ বলছিলেন রুহুল কবির রিজভী।