ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এসএসসি পরীক্ষা শুরু ২১ এপ্রিল, সময়সূচি প্রকাশ গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নির্ধারণ আইন অনুমোদন হয়েছে : আসিফ নজরুল বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের ঘরে ঘরে নারীদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: দুলু জামায়াত জোটের আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত, রাতে প্রার্থী ঘোষণা শহীদ হাদি হত্যা মামলায় নতুন মোড়, পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস আবারও ঢাকায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ, মানুষের ভোগান্তি ‘আগামীতে যারা ক্ষমতায় যাবেন তারা যেন প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করেন’:নজরুল ইসলাম নির্বাচনে কোনও ব্যাঘাত ঘটলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বিঘ্নিত হবে: শামসুজ্জামান দুদু নাজমুলের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, মাঠে যাননি কেউ

চূড়ান্ত হিসাবে প্রবৃদ্ধি ৭.২৮%, মাথাপিছু আয় ১৬১০ ডলার: পরিকল্পনামন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গত অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ও মাথাপিছু আয় প্রাক্কলিত হিসাবের চেয়ে বেড়েছে বলে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ; মাথাপিছু আয় একহাজার ৬০২ ডলার থেকে বেড়ে একহাজার ৬১০ ডলার হয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় অর্থনৈতিক কমিটির নির্বাহী পরিষদের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী। “চূড়ান্ত হিসাবে গত অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৯৮৬ কোটি ডলার বা প্রায় ২০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। জিডিপির আকার ১০০ বিলিয়ন ডলার ছুঁতে বাংলাদেশের ৩৪ বছর লেগেছে। বাকিটা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের অবদান।

বাংলাদেশ ছাড়া বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে ইথিওপিয়া ও কম্বোডিয়া ৭ শতাংশের বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে বলে জানান পরিকল্পপনামন্ত্রী। “কৃষি খাতে ২ দশমিক ৯০ শতাংশ, শিল্প খাতে ১০ দশমিক ২২ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য থাকলেও এখন যে গতিতে রয়েছে তাতে ২০১৯ সালের মধ্যে লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে।”

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, অক্টোবরে সার্বিক গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ১২ শতাংশ। এর পেছনে ‘চালের দাম কমা ও শীতকালীন শাকসবজির আগমনের’ কারণে কাঁচাবাজারে জিনিসের দাম কমায় মূল্যস্ফীতি কমেছে।”

এর আগে এপ্রিলে মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৬০২ ডলার ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাজেটের প্রত্যাশা ছাড়িয়ে ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ হবে বলে প্রাক্কলন করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। বিবিএসের চূড়ান্ত হিসাবে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৭ দশমিক ১১ শতাংশ; মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ৪৬৫ ডলার।

প্রায় এক দশক ৬ শতাংশের বৃত্তে ‘আটকে’ থাকার পর গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের ‘ঘর’ অতিক্রম করে। এর পর গত জুনে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে ৭ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ঠিক করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এসএসসি পরীক্ষা শুরু ২১ এপ্রিল, সময়সূচি প্রকাশ

চূড়ান্ত হিসাবে প্রবৃদ্ধি ৭.২৮%, মাথাপিছু আয় ১৬১০ ডলার: পরিকল্পনামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গত অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ও মাথাপিছু আয় প্রাক্কলিত হিসাবের চেয়ে বেড়েছে বলে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ; মাথাপিছু আয় একহাজার ৬০২ ডলার থেকে বেড়ে একহাজার ৬১০ ডলার হয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় অর্থনৈতিক কমিটির নির্বাহী পরিষদের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী। “চূড়ান্ত হিসাবে গত অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৯৮৬ কোটি ডলার বা প্রায় ২০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। জিডিপির আকার ১০০ বিলিয়ন ডলার ছুঁতে বাংলাদেশের ৩৪ বছর লেগেছে। বাকিটা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের অবদান।

বাংলাদেশ ছাড়া বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে ইথিওপিয়া ও কম্বোডিয়া ৭ শতাংশের বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে বলে জানান পরিকল্পপনামন্ত্রী। “কৃষি খাতে ২ দশমিক ৯০ শতাংশ, শিল্প খাতে ১০ দশমিক ২২ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য থাকলেও এখন যে গতিতে রয়েছে তাতে ২০১৯ সালের মধ্যে লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে।”

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, অক্টোবরে সার্বিক গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ১২ শতাংশ। এর পেছনে ‘চালের দাম কমা ও শীতকালীন শাকসবজির আগমনের’ কারণে কাঁচাবাজারে জিনিসের দাম কমায় মূল্যস্ফীতি কমেছে।”

এর আগে এপ্রিলে মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৬০২ ডলার ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাজেটের প্রত্যাশা ছাড়িয়ে ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ হবে বলে প্রাক্কলন করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। বিবিএসের চূড়ান্ত হিসাবে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৭ দশমিক ১১ শতাংশ; মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ৪৬৫ ডলার।

প্রায় এক দশক ৬ শতাংশের বৃত্তে ‘আটকে’ থাকার পর গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের ‘ঘর’ অতিক্রম করে। এর পর গত জুনে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে ৭ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ঠিক করা হয়।