ঢাকা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

৪ জেএমবি সদস্যের ১২ বছরের কারাদণ্ড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর পল্লবী থানায় করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) চার সদস্যের ১২ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকা মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক নিত্যানন্দ সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ইসহাক শেখ, আনাস আলী, রফিকুল ইসলাম ও খলিল মিয়া। রায়ের সময় আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। নথি থেকে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২ আগস্ট রাজধানীর পল্লবী থানাধীন এলাকায় র‌্যাব অভিযান চালিয়ে জেএমিবির চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁদের কাছ থেকে গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় র‌্যাব-১১-এর উপপরিদর্শক (এসআই) খন্দকার মিজানুর রহমান পল্লবী থানায় বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তী সময়ে ২০০৭ সালের ২৮ আগস্ট পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু সাঈদ আকন্দ চার আসামির বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরু হলে রাষ্ট্রপক্ষ সাতজন সাক্ষী উপস্থাপন করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বৈরাচার কোনোভাবেই যেন ফিরে আসতে না পারে: ডা. জাহিদ

৪ জেএমবি সদস্যের ১২ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৫:১৬:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর পল্লবী থানায় করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) চার সদস্যের ১২ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকা মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক নিত্যানন্দ সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ইসহাক শেখ, আনাস আলী, রফিকুল ইসলাম ও খলিল মিয়া। রায়ের সময় আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। নথি থেকে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২ আগস্ট রাজধানীর পল্লবী থানাধীন এলাকায় র‌্যাব অভিযান চালিয়ে জেএমিবির চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁদের কাছ থেকে গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় র‌্যাব-১১-এর উপপরিদর্শক (এসআই) খন্দকার মিজানুর রহমান পল্লবী থানায় বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তী সময়ে ২০০৭ সালের ২৮ আগস্ট পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু সাঈদ আকন্দ চার আসামির বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরু হলে রাষ্ট্রপক্ষ সাতজন সাক্ষী উপস্থাপন করে।