ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই হাসিনা দেশে ফিরবেন: নাহিদ ইসলাম নাহিদ-আসিফ-পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নুর জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বন্যার দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিমন্ত্রী অমিতকে দায়িত্ব দিল সরকার কালেমা লেখা পতাকায় জঙ্গি নাটক তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ ফয়জুল করিমের খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতাল অনুমোদন মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়াই সরকারের অঙ্গীকার : মাহদী আমিন

কোটি ডলারের ব্রডব্যান্ড তার খেয়ে ফেলেছে কাকাতুয়া

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক:

কাকাতুয়ার কারণে অস্ট্রেলিয়ায় ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক হুমকির মধ্যে পড়েছে। কাকাতুয়ার কামড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কেবল বা তারগুলো ঠিক করার জন্য কয়েক লাখ ডলার খরচ করতে হয়েছে কর্তৃপক্ষের।ধীরগতির কারণে অস্ট্রেলিয়ান ব্রডব্যান্ড নিয়ে ইতোমধ্যে সমালোচনা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইন্টারনেট গতির দিক দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান হচ্ছে বিশ্বে ৫০তম। অস্ট্রেলিয়ার ইন্টারনেট-গতি, যা কিনা বর্তমানে অন্যান্য উন্নত দেশের চেয়ে প্রতি সেকেন্ডে ১১.১ মেগাবিট কম, সেটি বাড়ানোর জন্য একটি জাতীয় টেলিকমিউনিকেশন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে – যা ২০২১ সাল নাগাদ সমাপ্ত হবে।

কিন্তু প্রকৌশলীরা প্রকল্পের স্থানে ফিরে গিয়ে দেখছে ক্যাবলগুলোকে নানা রকম পাখি কামড়িয়েছে এবং তাতে এগুলো ক্ষয় হয়ে গেছে। এর জন্য দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে কাকাতুয়াকে। এগুলো এক ধরণের টিয়াপাখি যারা ফলমুল, বাদাম, কাঠ এবং বাকল খেয়ে থাকে।

ন্যাশনাল ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক (এনবিএন) কে প্রতিবার পাওয়ার এবং ফাইবার ক্যাবল পরিবর্তন করার জন্য কয়েক লাখ ডলার খরচ করতে হচ্ছে। তারা বলছে যে, এখন পর্যন্ত তাদের ৮০,০০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার খরচ হয়েছে।

প্রাণী আচরণবিদ জিসেলা কাপলান রয়টার্সকে বলেন, ক্যাবল খাওয়ার জন্য পাখিদের এক ধরণের রুচি তৈরি হয়ে যেতে পারে। এটা তাদের সাধারণ বৈশিষ্ট্য নয়। তিনি মনে করছেন ক্যাবলগুলোর রঙ বা অবস্থান পাখিগুলোকে আকৃষ্ট করতে পারে।

তারা তাদের ঠোঁটগুলো ক্রমাগত ধারালো করছে এবং এর ফলে তাদের সামনে যাই আসে তাতেই ঝাপিয়ে পড়ে সব ছিড়ে ফেলে। দূর্ভাগ্যক্রমে আমরা ক্যাবলগুলোর প্রতি তাদের এক ধরণের আসক্তি তৈরি করে ফেলেছি।

গত শুক্রবার কোম্পানির ওয়েবসাইটে একটি লেখায় সহ-প্রকল্প ব্যাবস্থাপক শেড্রিয়ান ব্রেসল্যান্ড বলেন, এই পাখিগুলো যখন ঝাঁক বেধে আসে, তখন এগুলোকে থামানো কঠিন হয়ে যায়। আমার মনে হয় এটাই অস্ট্রেলিয়া। এখানে মাকড়শা এবং সাপের হাত থেকে রক্ষা পেলেও কাকাতুয়ার কবল থেকে রেহাই পাবেন না।

কোম্পানিটি বলছে যে তারা ক্যাবলগুলোর জন্য বর্তমানে একধরণের প্রতিরক্ষামূলক আবরণ তৈরি করছে যেগুলোর প্রতিটির দাম ১৪ অস্ট্রেলিয়ান ডলার কিন্তু ভবিষ্যতে এগুলো তাদের তিনশ কোটি ডলারের নেটওয়ার্ককে রক্ষা করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী

কোটি ডলারের ব্রডব্যান্ড তার খেয়ে ফেলেছে কাকাতুয়া

আপডেট সময় ০৫:১০:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক:

কাকাতুয়ার কারণে অস্ট্রেলিয়ায় ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক হুমকির মধ্যে পড়েছে। কাকাতুয়ার কামড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কেবল বা তারগুলো ঠিক করার জন্য কয়েক লাখ ডলার খরচ করতে হয়েছে কর্তৃপক্ষের।ধীরগতির কারণে অস্ট্রেলিয়ান ব্রডব্যান্ড নিয়ে ইতোমধ্যে সমালোচনা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইন্টারনেট গতির দিক দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান হচ্ছে বিশ্বে ৫০তম। অস্ট্রেলিয়ার ইন্টারনেট-গতি, যা কিনা বর্তমানে অন্যান্য উন্নত দেশের চেয়ে প্রতি সেকেন্ডে ১১.১ মেগাবিট কম, সেটি বাড়ানোর জন্য একটি জাতীয় টেলিকমিউনিকেশন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে – যা ২০২১ সাল নাগাদ সমাপ্ত হবে।

কিন্তু প্রকৌশলীরা প্রকল্পের স্থানে ফিরে গিয়ে দেখছে ক্যাবলগুলোকে নানা রকম পাখি কামড়িয়েছে এবং তাতে এগুলো ক্ষয় হয়ে গেছে। এর জন্য দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে কাকাতুয়াকে। এগুলো এক ধরণের টিয়াপাখি যারা ফলমুল, বাদাম, কাঠ এবং বাকল খেয়ে থাকে।

ন্যাশনাল ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক (এনবিএন) কে প্রতিবার পাওয়ার এবং ফাইবার ক্যাবল পরিবর্তন করার জন্য কয়েক লাখ ডলার খরচ করতে হচ্ছে। তারা বলছে যে, এখন পর্যন্ত তাদের ৮০,০০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার খরচ হয়েছে।

প্রাণী আচরণবিদ জিসেলা কাপলান রয়টার্সকে বলেন, ক্যাবল খাওয়ার জন্য পাখিদের এক ধরণের রুচি তৈরি হয়ে যেতে পারে। এটা তাদের সাধারণ বৈশিষ্ট্য নয়। তিনি মনে করছেন ক্যাবলগুলোর রঙ বা অবস্থান পাখিগুলোকে আকৃষ্ট করতে পারে।

তারা তাদের ঠোঁটগুলো ক্রমাগত ধারালো করছে এবং এর ফলে তাদের সামনে যাই আসে তাতেই ঝাপিয়ে পড়ে সব ছিড়ে ফেলে। দূর্ভাগ্যক্রমে আমরা ক্যাবলগুলোর প্রতি তাদের এক ধরণের আসক্তি তৈরি করে ফেলেছি।

গত শুক্রবার কোম্পানির ওয়েবসাইটে একটি লেখায় সহ-প্রকল্প ব্যাবস্থাপক শেড্রিয়ান ব্রেসল্যান্ড বলেন, এই পাখিগুলো যখন ঝাঁক বেধে আসে, তখন এগুলোকে থামানো কঠিন হয়ে যায়। আমার মনে হয় এটাই অস্ট্রেলিয়া। এখানে মাকড়শা এবং সাপের হাত থেকে রক্ষা পেলেও কাকাতুয়ার কবল থেকে রেহাই পাবেন না।

কোম্পানিটি বলছে যে তারা ক্যাবলগুলোর জন্য বর্তমানে একধরণের প্রতিরক্ষামূলক আবরণ তৈরি করছে যেগুলোর প্রতিটির দাম ১৪ অস্ট্রেলিয়ান ডলার কিন্তু ভবিষ্যতে এগুলো তাদের তিনশ কোটি ডলারের নেটওয়ার্ককে রক্ষা করবে।