ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাখাইনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতিসংঘের উদ্বাস্তুবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি বলেছেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

আজ শুক্রবার এক বার্তায় বলা হয়, গ্র্যান্ডি রোহিঙ্গাদের কারণে বাংলাদেশে সৃষ্টি হওয়া সংকট সমাধানে রাজনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য।’

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বক্তৃতাকালে গ্র্যান্ডি বল প্রয়োগের মাধ্যমে স্থানচ্যুত ক্রমবর্ধমান এই জনগোষ্ঠীকে তাদের নিজের দেশে ফেরত পাঠাতে রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করার জন্য আন্তর্জাতিক নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।

গ্র্যান্ডি বলেন, রাষ্ট্রবিহীন করে রাখা রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের বিষয়টিতে অগ্রগতি প্রকৃতপক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক মীমাংসা এবং সব সম্প্রদায়ের জন্য কল্যাণকর হয় এমন অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে বিনিয়োগও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্র্যান্ডি বলেন, এর পাশাপাশি বাস্তুচ্যুত লোকদের সুরক্ষা বজায় রাখাও অতীব জরুরি।

নিরাপত্তা পরিষদে গ্র্যান্ডি বলেন, কার্যত সারা বিশ্বে বেশ কিছু নতুন সংকটের কারণে ব্যাপক হারে বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, সারা বিশ্বে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত লোকের সংখ্যা বর্তমানে ছয় কোটি ৬ কোটি ৬০ লাখ ছুঁই ছুঁই করছে, যা ২০০৯ সালের চেয়ে চার কোটি ২০ লাখ বেশি।

ইউএনএইচসিআর প্রধান বলেন, সারা বিশ্বে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত কোটি কোটি লোকের সমস্যার সমাধান বের করা এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যে বিপুলসংখ্যক লোকের দেশান্তরী হওয়ার ঘটনা ঘটেছে, তা এড়ানোর বিষয়টি শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক সমাধানের ওপর নির্ভর করছে। গ্র্যান্ডি সিরিয়ার বিপর্যয়কর সংঘাত, ইরাকের সহিংসতাসহ বেশ কিছু চলমান সংকটের কথা উদ্ধৃত করেন, যা সারা বিশ্বে বাস্তুচ্যুতির ঘটনার এক-চতুর্থাংশের জন্য দায়ী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাতারে গ্রীষ্মকালীন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ৩৮৮ প্রতিষ্ঠান বন্ধ

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাখাইনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান

আপডেট সময় ১২:১২:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতিসংঘের উদ্বাস্তুবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি বলেছেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

আজ শুক্রবার এক বার্তায় বলা হয়, গ্র্যান্ডি রোহিঙ্গাদের কারণে বাংলাদেশে সৃষ্টি হওয়া সংকট সমাধানে রাজনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য।’

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বক্তৃতাকালে গ্র্যান্ডি বল প্রয়োগের মাধ্যমে স্থানচ্যুত ক্রমবর্ধমান এই জনগোষ্ঠীকে তাদের নিজের দেশে ফেরত পাঠাতে রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করার জন্য আন্তর্জাতিক নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।

গ্র্যান্ডি বলেন, রাষ্ট্রবিহীন করে রাখা রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের বিষয়টিতে অগ্রগতি প্রকৃতপক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক মীমাংসা এবং সব সম্প্রদায়ের জন্য কল্যাণকর হয় এমন অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে বিনিয়োগও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্র্যান্ডি বলেন, এর পাশাপাশি বাস্তুচ্যুত লোকদের সুরক্ষা বজায় রাখাও অতীব জরুরি।

নিরাপত্তা পরিষদে গ্র্যান্ডি বলেন, কার্যত সারা বিশ্বে বেশ কিছু নতুন সংকটের কারণে ব্যাপক হারে বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, সারা বিশ্বে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত লোকের সংখ্যা বর্তমানে ছয় কোটি ৬ কোটি ৬০ লাখ ছুঁই ছুঁই করছে, যা ২০০৯ সালের চেয়ে চার কোটি ২০ লাখ বেশি।

ইউএনএইচসিআর প্রধান বলেন, সারা বিশ্বে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত কোটি কোটি লোকের সমস্যার সমাধান বের করা এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যে বিপুলসংখ্যক লোকের দেশান্তরী হওয়ার ঘটনা ঘটেছে, তা এড়ানোর বিষয়টি শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক সমাধানের ওপর নির্ভর করছে। গ্র্যান্ডি সিরিয়ার বিপর্যয়কর সংঘাত, ইরাকের সহিংসতাসহ বেশ কিছু চলমান সংকটের কথা উদ্ধৃত করেন, যা সারা বিশ্বে বাস্তুচ্যুতির ঘটনার এক-চতুর্থাংশের জন্য দায়ী।