ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর কু‌ড়িগ্রা‌মে এন‌সি‌পির মি‌ছি‌লে হামলা, আহত ১০ আলিফের চোখ ফেরত দিন, আমরা চুপ হয়ে যাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপুরায় চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে যাত্রীর মৃত্যু জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

রোহিঙ্গা ইস্যু জঙ্গি ঝুঁকি বাড়াবে: টিআইবি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রোহিঙ্গা ইস্যু জঙ্গি ঝুঁকি বাড়াবে বলে মনে করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, এ সংকটের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন রোহিঙ্গাদের সঙ্গে যোগসাজশের ঝুঁকি রয়েছে।

বুধবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি’র কার্যালয়ে রোহিঙ্গা পরিস্থিতির সার্বিক বিষয় তুলে ধরতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আশঙ্কার কথা বলা হয়। সম্মেলনে টিআইবি’র পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন তুলে ধরার পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

তিনি বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ব ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। অতি অল্প সময়ের মধ্যে সরকার বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ মানবিকতার প্রশংসা করছেন বিশ্ব নেতারা।

রোহিঙ্গারা চরম মানবেতর জীবন যাপন করছে উল্লেখ করে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, শুধু ত্রাণকেন্দ্রিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে এ সমস্যার সমাধান করা যাবে না। এটি একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। আন্তর্জাতিকভাবেই এ সমস্যার সমাধান করতে হবে। কূটনৈতিক চাপে এ সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশ সামর্থ্য রাখে।

রোহিঙ্গা সংকটে ভারত ও চীনের মতো পরাশক্তিরা দায়ী উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, মিয়ানমারের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বের কারণেই রোহিঙ্গাদের উপর এ জাতিগত নিধন। এটি একটি গণহত্যা। ভারত ও চীন বাংলাদেশের ভালো বন্ধু। এ দুটি দেশকে বোঝানোর ব্যাপার বাংলাদেশের। মিয়ানমারের উপর প্রয়োজনে সামরিকসহ সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি রাখে।

টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক বলেন, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত না করা হলে ক্যাম্পগুলোতে নানাবিদ অপরাধ এবং সহিংসতা বৃদ্ধি পাবে, যা ইতোমধ্যেই লক্ষণীয়। এ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহল কর্তৃক নানাবিধ অপরাধে রোহিঙ্গাদের জড়িত করার ঝুঁকি রয়েছে।

এ ছাড়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে সাংগঠনিক ক্ষমতা কাঠামো তৈরি হচ্ছে, যা শুরু থেকে নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা হিসেবে পরিগণিত হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

রোহিঙ্গা ইস্যু জঙ্গি ঝুঁকি বাড়াবে: টিআইবি

আপডেট সময় ০৭:১৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রোহিঙ্গা ইস্যু জঙ্গি ঝুঁকি বাড়াবে বলে মনে করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, এ সংকটের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন রোহিঙ্গাদের সঙ্গে যোগসাজশের ঝুঁকি রয়েছে।

বুধবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি’র কার্যালয়ে রোহিঙ্গা পরিস্থিতির সার্বিক বিষয় তুলে ধরতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আশঙ্কার কথা বলা হয়। সম্মেলনে টিআইবি’র পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন তুলে ধরার পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

তিনি বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ব ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। অতি অল্প সময়ের মধ্যে সরকার বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ মানবিকতার প্রশংসা করছেন বিশ্ব নেতারা।

রোহিঙ্গারা চরম মানবেতর জীবন যাপন করছে উল্লেখ করে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, শুধু ত্রাণকেন্দ্রিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে এ সমস্যার সমাধান করা যাবে না। এটি একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। আন্তর্জাতিকভাবেই এ সমস্যার সমাধান করতে হবে। কূটনৈতিক চাপে এ সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশ সামর্থ্য রাখে।

রোহিঙ্গা সংকটে ভারত ও চীনের মতো পরাশক্তিরা দায়ী উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, মিয়ানমারের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বের কারণেই রোহিঙ্গাদের উপর এ জাতিগত নিধন। এটি একটি গণহত্যা। ভারত ও চীন বাংলাদেশের ভালো বন্ধু। এ দুটি দেশকে বোঝানোর ব্যাপার বাংলাদেশের। মিয়ানমারের উপর প্রয়োজনে সামরিকসহ সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি রাখে।

টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক বলেন, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত না করা হলে ক্যাম্পগুলোতে নানাবিদ অপরাধ এবং সহিংসতা বৃদ্ধি পাবে, যা ইতোমধ্যেই লক্ষণীয়। এ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহল কর্তৃক নানাবিধ অপরাধে রোহিঙ্গাদের জড়িত করার ঝুঁকি রয়েছে।

এ ছাড়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে সাংগঠনিক ক্ষমতা কাঠামো তৈরি হচ্ছে, যা শুরু থেকে নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা হিসেবে পরিগণিত হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।