ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাণিজ্যিক কূটনীতিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার: রাষ্ট্রদূত আদ্-দ্বীনে সেবা বন্ধ: ডায়ালাইসিস না পেয়ে রোগীর মৃত্যু অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ব্যবহার রোধে উদ্যোগ জরুরি: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইরানের সাথে নতুন সম্ভাব্য চুক্তি আমার চুক্তির চেয়ে ভালো হবে না : ওবামা পুশইন ঠেকাতে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে পাহারায় গ্রামবাসী ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক বসাল বাংলাদেশ ব্যাংক বেনজীরকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে: দুদক ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হলেন ড. মজিবুল হক সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে এনে শাস্তি দেয়াই হবে প্রকৃত অর্জন : শফিকুর রহমান অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান

জনগণের হৃদয় থেকে কোনদিন মুছে যায়নি ৭ মার্চের ভাষণ: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে ‘মেমরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ হিসেবে ইউনেস্কোর বিশ্ব আন্তর্জাতিক রেজিস্টার স্মারকে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এক বিবৃতিতে বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে বলেছেন: ৭ মার্চের ভাষণে বাঙালির প্রতি পাকিস্তানি শোষকগোষ্ঠীর হত্যা-নিপীড়ন-নির্যাতনের চিত্র মূর্ত হয়ে উঠে। একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যূদয়ের আবশ্যকতা ও আকাঙ্ক্ষা ছিল এ ভাষণের মূল লক্ষ্য। শত্রুর মোকাবিলায় তিনি বাঙালি জাতিকে নির্দেশ দেন, ‘তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাক।’

‘স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্তপর্বে ৭ মার্চের ভাষণ গোটা জাতিকে ঔপনিবেশিক পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করে। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের পর থেকেই পূর্ব বাংলার নিয়ন্ত্রণভার বাংলার মানুষের হাতে চলে যায়। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে পরিচালিত হতে থাকে দেশ। কিছু সেনানিবাস ছাড়া দেশের অন্য কোথাও পাকিস্তানি শাসনের কোন নিদর্শন ছিল না। জাতির পিতার এই সম্মোহনী ভাষণে অনুপ্রাণিত হয়ে বাঙালি জাতি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবার হত্যার পর সামরিক শাসকেরা এবং পরবর্তীকালে বিএনপি-জামায়াত জোট জাতির পিতার এই ভাষণকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। সরকারি গণমাধ্যমে নিষিদ্ধ ছিল এর প্রচার। কিন্তু সাধারণ মানুষের হৃদয় থেকে কোনদিনই মুছে যায়নি এই ভাষণ।শেখ হাসিনা

ইউনেস্কোর স্বীকৃতিকে খুবই গৌরবের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি বাঙালি জাতি এবং বাংলা ভাষার জন্য এক বিশাল গৌরবের। ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করায় আমি ইউনেস্কো এবং এর মহাসচিব ইরিনা বোকোভাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে বাংলাদেশ এবং বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’

ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা প্যারিসে ইউনেস্কোর সদরদপ্তরে ৩০ অক্টোবর ২০১৭ এই অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাণিজ্যিক কূটনীতিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার: রাষ্ট্রদূত

জনগণের হৃদয় থেকে কোনদিন মুছে যায়নি ৭ মার্চের ভাষণ: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:২৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে ‘মেমরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ হিসেবে ইউনেস্কোর বিশ্ব আন্তর্জাতিক রেজিস্টার স্মারকে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এক বিবৃতিতে বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে বলেছেন: ৭ মার্চের ভাষণে বাঙালির প্রতি পাকিস্তানি শোষকগোষ্ঠীর হত্যা-নিপীড়ন-নির্যাতনের চিত্র মূর্ত হয়ে উঠে। একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যূদয়ের আবশ্যকতা ও আকাঙ্ক্ষা ছিল এ ভাষণের মূল লক্ষ্য। শত্রুর মোকাবিলায় তিনি বাঙালি জাতিকে নির্দেশ দেন, ‘তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাক।’

‘স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্তপর্বে ৭ মার্চের ভাষণ গোটা জাতিকে ঔপনিবেশিক পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করে। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের পর থেকেই পূর্ব বাংলার নিয়ন্ত্রণভার বাংলার মানুষের হাতে চলে যায়। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে পরিচালিত হতে থাকে দেশ। কিছু সেনানিবাস ছাড়া দেশের অন্য কোথাও পাকিস্তানি শাসনের কোন নিদর্শন ছিল না। জাতির পিতার এই সম্মোহনী ভাষণে অনুপ্রাণিত হয়ে বাঙালি জাতি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবার হত্যার পর সামরিক শাসকেরা এবং পরবর্তীকালে বিএনপি-জামায়াত জোট জাতির পিতার এই ভাষণকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। সরকারি গণমাধ্যমে নিষিদ্ধ ছিল এর প্রচার। কিন্তু সাধারণ মানুষের হৃদয় থেকে কোনদিনই মুছে যায়নি এই ভাষণ।শেখ হাসিনা

ইউনেস্কোর স্বীকৃতিকে খুবই গৌরবের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি বাঙালি জাতি এবং বাংলা ভাষার জন্য এক বিশাল গৌরবের। ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করায় আমি ইউনেস্কো এবং এর মহাসচিব ইরিনা বোকোভাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে বাংলাদেশ এবং বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’

ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা প্যারিসে ইউনেস্কোর সদরদপ্তরে ৩০ অক্টোবর ২০১৭ এই অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।