ঢাকা ০৩:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর কু‌ড়িগ্রা‌মে এন‌সি‌পির মি‌ছি‌লে হামলা, আহত ১০ আলিফের চোখ ফেরত দিন, আমরা চুপ হয়ে যাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপুরায় চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে যাত্রীর মৃত্যু জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

পাক ভারত সীমান্তে যুদ্ধের আশঙ্কা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আগাম কোনও খবর বা ইঙ্গিত ছিল না। সোমবার খানিকটা নাটকীয় ভঙ্গিতেই শুরু হল ভারত-পাক ‘ডিজিএমও’ স্তরের বৈঠক। ডিজিএমও বা ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশন নিয়ন্ত্রণরেখার দুই দিকে দুই দেশের মধ্যে সামরিক স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে কাজ করে।

এদিনের বৈঠকে পাক ডিজিএমও অভিযোগ করেন, বিনা প্ররোচনায় নিয়ন্ত্রণরেখায় গুলি চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। ভারত যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এদিনের বৈঠক পূর্ব নির্ধারিত ছিল না। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের তরফেই বৈঠকে বসতে আবেদন জানানো হয়। পাকিস্তানের দাবি মেনে ডিজিএমও-র সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি হন ভারতের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ কে ভাট। দুপুর ২টোয় শুরু হয় বৈঠক।

পাকিস্তান অভিযোগ তুলতেই ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ভারত কখনই প্রথমে গুলি চালায় না। পাক সেনাই জঙ্গিদের কভার ফায়ার দিয়ে অনুপ্রবেশে মদত দেয়। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে তখন ভারতীয় সেনা গুলি চালাতে বাধ্য হয়। পাক রেঞ্জার্স যদি জঙ্গিদের মদত দেওয়া বন্ধ না করে, তাহলে নিজেদের সুরক্ষার স্বার্থে ভারতীয় সেনাকে গুলি চালাতেই হবে। এই বছর কাশ্মীরে অন্তত ৫০০ বার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে ইসলামাবাদ।

শুধু আগস্ট ও সেপ্টেম্বরই ২০০ বার বিনা প্ররোচনায় গোলাগুলি ছুড়েছে পাক সেনা। পাক সেনার হামলায় ১৪ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হয়েছেন। ভারত স্পষ্ট করেছে, তাদের সেনা একদিকে যেমন চূড়ান্ত পেশাদার ও মানবিক। তাঁরা কখনই কোনও নিরীহ নাগরিককে আঘাত করে না। কিন্তু সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভারত বদ্ধপরিকর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

পাক ভারত সীমান্তে যুদ্ধের আশঙ্কা

আপডেট সময় ১২:০২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আগাম কোনও খবর বা ইঙ্গিত ছিল না। সোমবার খানিকটা নাটকীয় ভঙ্গিতেই শুরু হল ভারত-পাক ‘ডিজিএমও’ স্তরের বৈঠক। ডিজিএমও বা ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশন নিয়ন্ত্রণরেখার দুই দিকে দুই দেশের মধ্যে সামরিক স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে কাজ করে।

এদিনের বৈঠকে পাক ডিজিএমও অভিযোগ করেন, বিনা প্ররোচনায় নিয়ন্ত্রণরেখায় গুলি চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। ভারত যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এদিনের বৈঠক পূর্ব নির্ধারিত ছিল না। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের তরফেই বৈঠকে বসতে আবেদন জানানো হয়। পাকিস্তানের দাবি মেনে ডিজিএমও-র সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি হন ভারতের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ কে ভাট। দুপুর ২টোয় শুরু হয় বৈঠক।

পাকিস্তান অভিযোগ তুলতেই ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ভারত কখনই প্রথমে গুলি চালায় না। পাক সেনাই জঙ্গিদের কভার ফায়ার দিয়ে অনুপ্রবেশে মদত দেয়। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে তখন ভারতীয় সেনা গুলি চালাতে বাধ্য হয়। পাক রেঞ্জার্স যদি জঙ্গিদের মদত দেওয়া বন্ধ না করে, তাহলে নিজেদের সুরক্ষার স্বার্থে ভারতীয় সেনাকে গুলি চালাতেই হবে। এই বছর কাশ্মীরে অন্তত ৫০০ বার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে ইসলামাবাদ।

শুধু আগস্ট ও সেপ্টেম্বরই ২০০ বার বিনা প্ররোচনায় গোলাগুলি ছুড়েছে পাক সেনা। পাক সেনার হামলায় ১৪ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হয়েছেন। ভারত স্পষ্ট করেছে, তাদের সেনা একদিকে যেমন চূড়ান্ত পেশাদার ও মানবিক। তাঁরা কখনই কোনও নিরীহ নাগরিককে আঘাত করে না। কিন্তু সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভারত বদ্ধপরিকর।