ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনে নিজেদের লোক নিয়োগ বহির্বিশ্বেও প্রচলিত: রিজভী শহীদুল্লাহ হলে ‘সমকামী কর্মকাণ্ডের’ তদন্তকে কেন্দ্র করে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ পাকিস্তানে ‘শান্তি সমাবেশ’ চলাকালে বিস্ফোরণ, নিহত ১৩ ৭২-এর সংবিধান শুরু থেকেই দেশকে বিভাজিত করে রেখেছে: নাহিদ ইসলাম ‘জনগণকে মালিক মনে করে সরকার কাজ করছে’ ‘নিজস্ব মব না থাকলে মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না’ মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ জামায়াতের পরামর্শে রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট করছে এনসিপি : রাশেদ খান জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাবা-দাদার বয়সী নেতাদের প্রতারণা বুঝতে পারিনি: আসিফ মাহমুদ

শ্যাম্পুর সাথে কোন প্রাকৃতিক উপাদান মেশালে উপকারিতা পাবেন

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

চুলের বিভিন্ন সমস্যার জন্য ঘরে তৈরি প্রাকৃতিক শ্যাম্পু খুবই কার্যকর। তবে ঘরে শ্যাম্পু তৈরি করতে হলে একটু ঝামেলা পোহাতে হয়। যদি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক শ্যাম্পু ঘরে তৈরি করা সম্ভব না হয়,তাহলে সুবিধার জন্য আপনার শ্যাম্পুর সাথে কিছু প্রাকৃতিক উপাদান মিশিয়ে দেখতে পারেন। এখানে এমন কিছু উপাদানের কথা বলা হলো যা আপনার চুলকে আরও মজবুত করতে, চুল পড়া কমাতে এবং চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

লেবুর রস”
লেবুর রস জীবাণু ও ছত্রাক প্রতিরোধী। প্রাকৃতিকভাবে এক্সফোলিয়েট করার ক্ষমতার পাশাপাশি এটি খুশকি সারাতেও খুব সহায়ক। এটি তৈলাক্ত মাথার ত্বকের জন্যও চমৎকার । খুশকি এবং তৈলাক্ত মাথার ত্বকের কারণে অনেক সময় চুল পাতলা হয়ে যায়, আবার ভেঙেও যায়। নিয়মিত শ্যাম্পুতে লেবুর রস ব্যবহার করলে এ সমস্যা অনেকটাই কমে। এজন্য আপনার ব্যবহারকৃত শ্যাম্পুর দুই টেবিল চামচের সাথে আধা চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন।

মধু:
যেহেতু মধু একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, তাই এটি চুলের বৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করে এবং একই সাথে মাথার ত্বককে স্বাস্থ্যকর করে তোলে। এটি চুলের গোড়াকে স্বাস্থ্যকর করে তুলতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মধু ব্যবহার করলে চুলের গোড়াগুলো সক্রিয় হতে পারে, যা নতুন চুল গজানোর জন্য সহায়ক। দুই টেবিল চামচ শ্যাস্পুর সাথে আধা চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। তবে মনে রাখবেন, ঘন ঘন মধু ব্যবহারে আপনার চুল হালকা হয়ে যেতে পারে।

অ্যালোভেরা:
অ্যালোভেরা চুল দ্রুত বাড়াতে, খুশকি দূর করতে এবং মাথার ত্বককে আর্দ্র রাখতে দারুণ কাজ করে। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই । দুই টেবিল চামচ শ্যাম্পুর সাথে এক চা চামচ অ্যালোভেরা মিশিয়ে নিন।

রোজমেরির এসেনশিয়াল অয়েল:
রোজমেরির এসেনশিয়াল অয়েলের গন্ধ খুব সুন্দর এবং এটি খুশকির বিরুদ্ধে খুব কার্যকর। এটি শুষ্ক এবং খুশকিযুক্ত মাথার ত্বকের চিকিৎসাতেও ব্যবহার করা যেতে পারে। এই তেল চুলের গোড়াকে উদ্দীপিত করে এবং চুলকে আরও শক্তিশালী ও লম্বা হতে সাহায্য করে। দুই টেবিল চামচ শ্যাম্পুর সাথে পাঁচ থেকে দশ ফোঁটা তেল মিশিয়ে নিন।

গোলাপ জল:
অনেকে বিশ্বাস করেন, চুলের পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখতে গোলাপ জল ব্যবহার করা যায়। গোলাপ জল প্রদাহরোধী এবং প্রাকৃতিকভাবে জীবাণুনাশক। দুই টেবিল চামচ শ্যাম্পুর সাথে এক চা চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। চাইলে আধা থেকে দুই টেবিল চামচ শ্যাম্পুর সাথে পাঁচ টেবিল চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে শ্যাম্পুটি পাতলা করে নিতে পারেন। শ্যাম্পুর মতোই এই তরলটি দিয়ে চুল পরিষ্কার করতে পারেন।

আমলকীর তেল:
অনেকের বিশ্বাস, এই তেল মাথার ত্বকের খুশকি দূর করতে পারে। আমলকীর তেল মাথার ত্বকের লোমকূপ খুলে দেয় এবং মাথার ত্বককে প্রাকৃতিক তেল তৈরি করতে সাহায্য করে, ফলে দ্রুত নতুন চুল গজায়। দুই টেবিল চামচ শ্যাম্পুর সাথে আধা চা চামচ তেল মিশিয়ে নিন। এরপর ভালোভাবে চুলে লাগিয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রশাসনে নিজেদের লোক নিয়োগ বহির্বিশ্বেও প্রচলিত: রিজভী

শ্যাম্পুর সাথে কোন প্রাকৃতিক উপাদান মেশালে উপকারিতা পাবেন

আপডেট সময় ০৮:১৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

চুলের বিভিন্ন সমস্যার জন্য ঘরে তৈরি প্রাকৃতিক শ্যাম্পু খুবই কার্যকর। তবে ঘরে শ্যাম্পু তৈরি করতে হলে একটু ঝামেলা পোহাতে হয়। যদি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক শ্যাম্পু ঘরে তৈরি করা সম্ভব না হয়,তাহলে সুবিধার জন্য আপনার শ্যাম্পুর সাথে কিছু প্রাকৃতিক উপাদান মিশিয়ে দেখতে পারেন। এখানে এমন কিছু উপাদানের কথা বলা হলো যা আপনার চুলকে আরও মজবুত করতে, চুল পড়া কমাতে এবং চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

লেবুর রস”
লেবুর রস জীবাণু ও ছত্রাক প্রতিরোধী। প্রাকৃতিকভাবে এক্সফোলিয়েট করার ক্ষমতার পাশাপাশি এটি খুশকি সারাতেও খুব সহায়ক। এটি তৈলাক্ত মাথার ত্বকের জন্যও চমৎকার । খুশকি এবং তৈলাক্ত মাথার ত্বকের কারণে অনেক সময় চুল পাতলা হয়ে যায়, আবার ভেঙেও যায়। নিয়মিত শ্যাম্পুতে লেবুর রস ব্যবহার করলে এ সমস্যা অনেকটাই কমে। এজন্য আপনার ব্যবহারকৃত শ্যাম্পুর দুই টেবিল চামচের সাথে আধা চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন।

মধু:
যেহেতু মধু একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, তাই এটি চুলের বৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করে এবং একই সাথে মাথার ত্বককে স্বাস্থ্যকর করে তোলে। এটি চুলের গোড়াকে স্বাস্থ্যকর করে তুলতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মধু ব্যবহার করলে চুলের গোড়াগুলো সক্রিয় হতে পারে, যা নতুন চুল গজানোর জন্য সহায়ক। দুই টেবিল চামচ শ্যাস্পুর সাথে আধা চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। তবে মনে রাখবেন, ঘন ঘন মধু ব্যবহারে আপনার চুল হালকা হয়ে যেতে পারে।

অ্যালোভেরা:
অ্যালোভেরা চুল দ্রুত বাড়াতে, খুশকি দূর করতে এবং মাথার ত্বককে আর্দ্র রাখতে দারুণ কাজ করে। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই । দুই টেবিল চামচ শ্যাম্পুর সাথে এক চা চামচ অ্যালোভেরা মিশিয়ে নিন।

রোজমেরির এসেনশিয়াল অয়েল:
রোজমেরির এসেনশিয়াল অয়েলের গন্ধ খুব সুন্দর এবং এটি খুশকির বিরুদ্ধে খুব কার্যকর। এটি শুষ্ক এবং খুশকিযুক্ত মাথার ত্বকের চিকিৎসাতেও ব্যবহার করা যেতে পারে। এই তেল চুলের গোড়াকে উদ্দীপিত করে এবং চুলকে আরও শক্তিশালী ও লম্বা হতে সাহায্য করে। দুই টেবিল চামচ শ্যাম্পুর সাথে পাঁচ থেকে দশ ফোঁটা তেল মিশিয়ে নিন।

গোলাপ জল:
অনেকে বিশ্বাস করেন, চুলের পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখতে গোলাপ জল ব্যবহার করা যায়। গোলাপ জল প্রদাহরোধী এবং প্রাকৃতিকভাবে জীবাণুনাশক। দুই টেবিল চামচ শ্যাম্পুর সাথে এক চা চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। চাইলে আধা থেকে দুই টেবিল চামচ শ্যাম্পুর সাথে পাঁচ টেবিল চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে শ্যাম্পুটি পাতলা করে নিতে পারেন। শ্যাম্পুর মতোই এই তরলটি দিয়ে চুল পরিষ্কার করতে পারেন।

আমলকীর তেল:
অনেকের বিশ্বাস, এই তেল মাথার ত্বকের খুশকি দূর করতে পারে। আমলকীর তেল মাথার ত্বকের লোমকূপ খুলে দেয় এবং মাথার ত্বককে প্রাকৃতিক তেল তৈরি করতে সাহায্য করে, ফলে দ্রুত নতুন চুল গজায়। দুই টেবিল চামচ শ্যাম্পুর সাথে আধা চা চামচ তেল মিশিয়ে নিন। এরপর ভালোভাবে চুলে লাগিয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।