ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মহাকাশে লকলকিয়ে বাড়ছে নতুন চারা!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

অসীম শূন্যতায় যেখানে বাতাস নেই, নেই পৃথিবীর চেনা মাধ্যাকর্ষণ শক্তি, ঠিক সেখানেই উঁকি দিচ্ছে সবুজ প্রাণের স্পন্দন! অবিশ্বাস্য মনে হলেও সেখানে লকলকিয়ে বেড়ে উঠছে লাল রাশিয়ান কেল ও ওয়াসাবি সরিষার ছোট চারা। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ছোট্ট চারাগুলোই মানবজাতির ভবিষ্যৎ পাল্টে দেওয়ার চাবিকাঠি।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) অবস্থানরত মহাকাশচারীরা অভাবনীয় এই মাইলফলকটি অর্জন করেছেন। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তারা জানান, স্টেশনের ভেতরে কোনো নির্দিষ্ট উদ্ভিদ গবেষণাগারের বদলে বিভিন্ন জায়গায় চারাগুলো বেড়ে উঠছে। গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা মূলত ভিন্ন পরিবেশে উদ্ভিদের বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়াটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

ভবিষ্যতে চাঁদ কিংবা মঙ্গলে দীর্ঘমেয়াদী অভিযানের ক্ষেত্রে মহাকাশচারীদের টিকে থাকার জন্য টেকসই খাদ্যের উৎস প্রয়োজন। একইসঙ্গে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড পুনর্ব্যবহারের জন্য প্রাকৃতিক ব্যবস্থাও অত্যন্ত জরুরি। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ ছাড়াই দ্রুত ও স্বাস্থ্যকরভাবে চারা গজানোর এই ঘটনা বিজ্ঞানীদের মহাকাশভিত্তিক কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একধাপ এগিয়ে নিয়েছে। আইএসএস বলছে, ভবিষ্যতের মিশনে তাজা ও পুষ্টিকর খাবার জন্মানোর পথ প্রশস্ত করবে এই গবেষণা।

এদিকে, রোমাঞ্চকর এই খবরটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দারুণ সাড়া ফেলেছে। বিস্ময় প্রকাশ করে অনেকেই মন্তব্যের ঘরে প্রশ্ন রাখছেন। একজন ব্যবহারকারী মজা করে লিখেছেন, আমার বারান্দার গাছগুলো বাঁচতেই সংগ্রাম করছে! আরেকজনের মন্তব্য, মহাকাশচারীদের উদ্ভিদ জন্মানোর দৃশ্যটি চমৎকার! অ্যাস্ট্রোবোটানির জন্য এটি বড় সুখবর। চারাগুলো এভাবেই সুন্দরভাবে বেড়ে উঠুক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মহাকাশে লকলকিয়ে বাড়ছে নতুন চারা!

আপডেট সময় ০৯:০৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

অসীম শূন্যতায় যেখানে বাতাস নেই, নেই পৃথিবীর চেনা মাধ্যাকর্ষণ শক্তি, ঠিক সেখানেই উঁকি দিচ্ছে সবুজ প্রাণের স্পন্দন! অবিশ্বাস্য মনে হলেও সেখানে লকলকিয়ে বেড়ে উঠছে লাল রাশিয়ান কেল ও ওয়াসাবি সরিষার ছোট চারা। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ছোট্ট চারাগুলোই মানবজাতির ভবিষ্যৎ পাল্টে দেওয়ার চাবিকাঠি।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) অবস্থানরত মহাকাশচারীরা অভাবনীয় এই মাইলফলকটি অর্জন করেছেন। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তারা জানান, স্টেশনের ভেতরে কোনো নির্দিষ্ট উদ্ভিদ গবেষণাগারের বদলে বিভিন্ন জায়গায় চারাগুলো বেড়ে উঠছে। গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা মূলত ভিন্ন পরিবেশে উদ্ভিদের বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়াটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

ভবিষ্যতে চাঁদ কিংবা মঙ্গলে দীর্ঘমেয়াদী অভিযানের ক্ষেত্রে মহাকাশচারীদের টিকে থাকার জন্য টেকসই খাদ্যের উৎস প্রয়োজন। একইসঙ্গে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড পুনর্ব্যবহারের জন্য প্রাকৃতিক ব্যবস্থাও অত্যন্ত জরুরি। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ ছাড়াই দ্রুত ও স্বাস্থ্যকরভাবে চারা গজানোর এই ঘটনা বিজ্ঞানীদের মহাকাশভিত্তিক কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একধাপ এগিয়ে নিয়েছে। আইএসএস বলছে, ভবিষ্যতের মিশনে তাজা ও পুষ্টিকর খাবার জন্মানোর পথ প্রশস্ত করবে এই গবেষণা।

এদিকে, রোমাঞ্চকর এই খবরটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দারুণ সাড়া ফেলেছে। বিস্ময় প্রকাশ করে অনেকেই মন্তব্যের ঘরে প্রশ্ন রাখছেন। একজন ব্যবহারকারী মজা করে লিখেছেন, আমার বারান্দার গাছগুলো বাঁচতেই সংগ্রাম করছে! আরেকজনের মন্তব্য, মহাকাশচারীদের উদ্ভিদ জন্মানোর দৃশ্যটি চমৎকার! অ্যাস্ট্রোবোটানির জন্য এটি বড় সুখবর। চারাগুলো এভাবেই সুন্দরভাবে বেড়ে উঠুক।