ঢাকা ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ক্যালকুলেটর চুরির ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে পেটানোর অভিযোগ, পুলিশ হেফাজতে শিক্ষক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গোপালগঞ্জে ক্যালকুলেটর চুরির ঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্র আহম্মদ মোল্লা (৭) কে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ওই শিক্ষার্থী মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সে মুকসুদপুর উপজেলার ঢালিকান্দী গ্রামের শাওন মোল্লার ছেলে এবং কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার কায়দা বিভাগের ছাত্র।

অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল মোল্লা একই উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর গ্রামের মোক্তার মোল্যার ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর চুরি হয়। শিক্ষার্থী আহম্মদ মোল্লার বিরুদ্ধে ক্যালকুলেটর চুরির অভিযোগ আনা হয়। তারপর মাদ্রাসার শিক্ষক এনামুল মোল্লা বেধড়ক পিটিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে আহত করে। পরে শিক্ষার্থীর পরিবারের লোকজন তাকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহত আহম্মদের বাবা শাওন মোল্যা বলেন, মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর চুরির ঘটনায় আমার ছেলেকে নির্দয়ভাবে বেধড়ক পেটানো হয়েছে। প্রায় ১ বছর যাবৎ এ মাদ্রাসায় আমার ছেলে পড়াশোনা করছে, এমন অভিযোগ কখনো কেউ দিতে পারে নাই। মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার ছেলেটাকে পেটানো হয়েছে। আমি শিক্ষক এনামুলের শাস্তি চাই।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক এনামুলের ভাই আমিনুল হক বলেন, আহম্মদকে মারধর করা হয়নি। এমনিতেই পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এবিষয়ে মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমাদের হেফাজতে রেখেছি। শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ক্যালকুলেটর চুরির ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে পেটানোর অভিযোগ, পুলিশ হেফাজতে শিক্ষক

আপডেট সময় ০২:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গোপালগঞ্জে ক্যালকুলেটর চুরির ঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্র আহম্মদ মোল্লা (৭) কে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ওই শিক্ষার্থী মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সে মুকসুদপুর উপজেলার ঢালিকান্দী গ্রামের শাওন মোল্লার ছেলে এবং কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার কায়দা বিভাগের ছাত্র।

অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল মোল্লা একই উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর গ্রামের মোক্তার মোল্যার ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর চুরি হয়। শিক্ষার্থী আহম্মদ মোল্লার বিরুদ্ধে ক্যালকুলেটর চুরির অভিযোগ আনা হয়। তারপর মাদ্রাসার শিক্ষক এনামুল মোল্লা বেধড়ক পিটিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে আহত করে। পরে শিক্ষার্থীর পরিবারের লোকজন তাকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহত আহম্মদের বাবা শাওন মোল্যা বলেন, মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর চুরির ঘটনায় আমার ছেলেকে নির্দয়ভাবে বেধড়ক পেটানো হয়েছে। প্রায় ১ বছর যাবৎ এ মাদ্রাসায় আমার ছেলে পড়াশোনা করছে, এমন অভিযোগ কখনো কেউ দিতে পারে নাই। মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার ছেলেটাকে পেটানো হয়েছে। আমি শিক্ষক এনামুলের শাস্তি চাই।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক এনামুলের ভাই আমিনুল হক বলেন, আহম্মদকে মারধর করা হয়নি। এমনিতেই পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এবিষয়ে মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমাদের হেফাজতে রেখেছি। শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।