ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জুলাইয়ের দিনগুলোই জ্বলন্ত সাক্ষী, ইসলামী আন্দোলন মানবতার পক্ষের শক্তি: চরমোনাই পীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল বলেছেন, দেশে শতাধিক রাজনৈতিক দল আছে। সবাই সভা-সেমিনারে দেশপ্রেমের বয়ান দিয়ে আসছে। অথচ, দেশের ক্লান্তিকালে কখনোই তারা দেশপ্রেমের চিন্তায় জয়ী হতে পারেনি। জুলাই অভ্যুত্থানে কেউ দলীয় ব্যানারে বা দলীয় বক্তৃতায়ও সরাসরি আন্দোলন, সংগ্রামের দিনগুলোতে সামনে আসতে পারেনি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কথা-কাজের মিল রেখে আন্দোলনে সবসময় সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। জুলাই অভ্যুত্থানের দিনগুলোই জ্বলন্ত সাক্ষী; ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলাম, দেশ ও মানবতার পক্ষের শক্তি।

শনিবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আহমদ আবদুল কাইয়ূমের সভাপতিত্বে ‘নগর সম্মেলন ২০২৬’-এ তিনি এসব কথা বলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে যারাই দেশের শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করেছে, তাদের মাধ্যমে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়নি। বরং বারবার এদেশের মানুষকে রক্তের বিনিময়ে তাদের ক্ষমতাচ্যুত করতে হয়েছে। জাতি হিসেবে এগুলো কলঙ্কজনক অধ্যায়। দেশের মানুষ এখন মুক্তি চায়। এদেশের মানুষ কুরআনের শাসন দেখতে চায়। এদেশের মানুষ আর ভারত বা আমেরিকার গোলাম হয়ে থাকতে চায় না।

নগর সেক্রেটারি আবদুল আউয়াল মজুমদারের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, কেন্দ্রীয় সদস্য আবদুর রহমান, কেন্দ্রীয় সদস্য মুফতি কেফায়াতুল্লাহ কাশফী, কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) মাওলানা আরিফুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন, আনোয়ার হোসেন, এমএইচ মোস্তফা, আবদুর রাজ্জাক, কে এম শরীয়াতুল্লাহ, ছাত্রনেতা মুনতাসির আহমাদ, অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, জিয়াউল আশরাফ, নাজির আহমাদ শিবলী, মাইনুল ইসলাম, জুবায়ের হোসাইনসহ নগর ও থানার নেতৃবৃন্দ।

আমিরের বক্তব্য শেষে পীর সাহেব চরমোনাই নতুন সেশনের কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ, সহ-সভাপতি জিএম রুহুল আমীন, আনোয়ার হোসেন, এমএইচ মোস্তফা, আব্দুল আউয়াল মজুমদার, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারি কেএম শরীয়াতুল্লাহ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

জুলাইয়ের দিনগুলোই জ্বলন্ত সাক্ষী, ইসলামী আন্দোলন মানবতার পক্ষের শক্তি: চরমোনাই পীর

আপডেট সময় ০৭:০৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল বলেছেন, দেশে শতাধিক রাজনৈতিক দল আছে। সবাই সভা-সেমিনারে দেশপ্রেমের বয়ান দিয়ে আসছে। অথচ, দেশের ক্লান্তিকালে কখনোই তারা দেশপ্রেমের চিন্তায় জয়ী হতে পারেনি। জুলাই অভ্যুত্থানে কেউ দলীয় ব্যানারে বা দলীয় বক্তৃতায়ও সরাসরি আন্দোলন, সংগ্রামের দিনগুলোতে সামনে আসতে পারেনি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কথা-কাজের মিল রেখে আন্দোলনে সবসময় সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। জুলাই অভ্যুত্থানের দিনগুলোই জ্বলন্ত সাক্ষী; ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলাম, দেশ ও মানবতার পক্ষের শক্তি।

শনিবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আহমদ আবদুল কাইয়ূমের সভাপতিত্বে ‘নগর সম্মেলন ২০২৬’-এ তিনি এসব কথা বলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে যারাই দেশের শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করেছে, তাদের মাধ্যমে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়নি। বরং বারবার এদেশের মানুষকে রক্তের বিনিময়ে তাদের ক্ষমতাচ্যুত করতে হয়েছে। জাতি হিসেবে এগুলো কলঙ্কজনক অধ্যায়। দেশের মানুষ এখন মুক্তি চায়। এদেশের মানুষ কুরআনের শাসন দেখতে চায়। এদেশের মানুষ আর ভারত বা আমেরিকার গোলাম হয়ে থাকতে চায় না।

নগর সেক্রেটারি আবদুল আউয়াল মজুমদারের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, কেন্দ্রীয় সদস্য আবদুর রহমান, কেন্দ্রীয় সদস্য মুফতি কেফায়াতুল্লাহ কাশফী, কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) মাওলানা আরিফুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন, আনোয়ার হোসেন, এমএইচ মোস্তফা, আবদুর রাজ্জাক, কে এম শরীয়াতুল্লাহ, ছাত্রনেতা মুনতাসির আহমাদ, অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, জিয়াউল আশরাফ, নাজির আহমাদ শিবলী, মাইনুল ইসলাম, জুবায়ের হোসাইনসহ নগর ও থানার নেতৃবৃন্দ।

আমিরের বক্তব্য শেষে পীর সাহেব চরমোনাই নতুন সেশনের কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ, সহ-সভাপতি জিএম রুহুল আমীন, আনোয়ার হোসেন, এমএইচ মোস্তফা, আব্দুল আউয়াল মজুমদার, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারি কেএম শরীয়াতুল্লাহ।