ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘বাবা হাসপাতালে ভর্তি’ বলে শিশু অপহরণ, গ্রেপ্তার ৩

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

‘তোমার বাবা হাসপাতালে ভর্তি। তোমাকে বাবার কাছে নিয়ে যেতে আমাকে পাঠানো হয়েছে’ এমন কথা বলে স্কুল থেকে ওয়াসিফা জান্নাত তাসকিন (৭) নামে এক শিশুকে অপহরণ করে একটি চক্র। তবে অপহরণের দুই দিনের মাথায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির বাবার মামাতো ভাইসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার জেলা পুলিশের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। উদ্ধার হওয়া শিশু ওয়াসিফা জান্নাত তাসকিন পশ্চিম সরফভাটা ইমাম আজম আবু হানিফা (রহ.) স্কুলের নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থী।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. রাকিব (২২), মো. ফয়সাল (৩২) ও মো. জাহাঙ্গীর আলম (৫৫)। ফয়সাল সম্পর্কে শিশুটির বাবার মামাতো ভাই। অপহরণে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ২০ জুলাই স্কুল ছুটির পর ওয়াসিফা বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে এক সহপাঠী জানায়, এক ব্যক্তি নিজেকে সিএনজি চালক পরিচয় দিয়ে শিশুটিকে বলেন, তার বাবা হাসপাতালে ভর্তি এবং তাকে বাবার কাছে নিয়ে যেতে এসেছেন। ওই কথায় বিশ্বাস করে শিশুটি সিএনজিতে ওঠে। এরপর তাকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা দেলোয়ার হোসেন দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, গ্রেপ্তার ফয়সাল পূর্বপরিকল্পিতভাবে শিশুটিকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা করেন। এ কাজে তিনি পরিচিত দুই সিএনজি চালককে যুক্ত করেন এবং মুক্তিপণের টাকা ভাগ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার এবং তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

‘বাবা হাসপাতালে ভর্তি’ বলে শিশু অপহরণ, গ্রেপ্তার ৩

আপডেট সময় ০৮:৩০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

‘তোমার বাবা হাসপাতালে ভর্তি। তোমাকে বাবার কাছে নিয়ে যেতে আমাকে পাঠানো হয়েছে’ এমন কথা বলে স্কুল থেকে ওয়াসিফা জান্নাত তাসকিন (৭) নামে এক শিশুকে অপহরণ করে একটি চক্র। তবে অপহরণের দুই দিনের মাথায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির বাবার মামাতো ভাইসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার জেলা পুলিশের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। উদ্ধার হওয়া শিশু ওয়াসিফা জান্নাত তাসকিন পশ্চিম সরফভাটা ইমাম আজম আবু হানিফা (রহ.) স্কুলের নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থী।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. রাকিব (২২), মো. ফয়সাল (৩২) ও মো. জাহাঙ্গীর আলম (৫৫)। ফয়সাল সম্পর্কে শিশুটির বাবার মামাতো ভাই। অপহরণে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ২০ জুলাই স্কুল ছুটির পর ওয়াসিফা বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে এক সহপাঠী জানায়, এক ব্যক্তি নিজেকে সিএনজি চালক পরিচয় দিয়ে শিশুটিকে বলেন, তার বাবা হাসপাতালে ভর্তি এবং তাকে বাবার কাছে নিয়ে যেতে এসেছেন। ওই কথায় বিশ্বাস করে শিশুটি সিএনজিতে ওঠে। এরপর তাকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা দেলোয়ার হোসেন দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, গ্রেপ্তার ফয়সাল পূর্বপরিকল্পিতভাবে শিশুটিকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা করেন। এ কাজে তিনি পরিচিত দুই সিএনজি চালককে যুক্ত করেন এবং মুক্তিপণের টাকা ভাগ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার এবং তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।