আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আজ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি আর্জেন্টিনা। ৬০ বছর পর ফাইনালে খেলার হাতছানি আছে ইংলিশদের সামনে। ওদিকে আর্জেন্টিনার সামনে আছে টানা দ্বিতীয় ফাইনাল নিশ্চিত করার সম্ভাবনা।
৯ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। ১২ মিনিট পেরিয়ে গেলেও তা শেষ হচ্ছিল না। অবশেষে যখন রেফারি বাঁশি বাজালেন, তখনই নিশ্চিত হয়ে গেল, আর্জেন্টিনা আরও একবার চলে গেছে বিশ্বকাপের ফাইনালে। ২০২২ বিশ্বকাপে জেতা শিরোপাটা ধরে রাখার আরও এক সুযোগ আর্জেন্টিনা পাচ্ছে আগামী রোববার।
যোগ করা সময়ে আর্জেন্টিনাকে এগিয়েই দিলেন লাউতারো!
যোগ করা সময়ে আর্জেন্টিনা অবশেষে লিড পেল। ডান পাশ থেকে মেসির দারুণ এক ক্রসে লাফিয়ে ওঠেন লাউতারো। তার আশেপাশেও ইংলিশ কোনো ডিফেন্ডার ছিলেন না, ফাঁকায় দাঁড়িয়ে তার করা হেডার গিয়ে জড়াল ইংল্যান্ডের জালে।
শর্ট কর্নার থেকে বল নিয়ে বক্সের কাছে আসছিলেন মেসি। বক্সের বাইরে থাকা এনজো ফার্নান্দেজকে বলটা বাড়ান তিনি। পুরো ইংলিশ রক্ষণ মনে করেছিল মেসিই ফিরতি বলটা পাবেন, কিন্তু তা হলো না। এনজো ফার্নান্দেজ ঠাণ্ডা মাথায় বলটা জড়ালেন ইংলিশদের জালে। ম্যাচের ৮৬ মিনিটে ১-১ গোলে সমতা ফেরাল আর্জেন্টিনা।
এনজো এই চেষ্টাটা বহু আগে থেকে করে আসছিলেন। অন্তত ৩টি শট নিয়েছিলেন। শুরুর দুটো লক্ষ্যের বাইরে দিয়ে গেছে, তৃতীয়টা দারুণভাবে সেভ করেছিলেন পিকফোর্ড, চতুর্থবারের চেষ্টায় ভাগ্যের সহায়তা পেলেন তিনি। আর্জেন্টিনার আশা জিইয়ে উঠল আবারও।
আর্জেন্টিনার দুই হেডার ঠেকিয়ে দিলেন পিকফোর্ড:
১ মিনিটের ব্যবধানে দুটো দারুণ হেড করেছিলেন আর্জেন্টিনার দুজন। দুবারই ডান পাশ থেকে ক্রস এসেছে, দুবারই একই ফলাফল, পিকফোর্ড দেয়াল তুলে দাঁড়িয়েছেন। সময় ফুরিয়ে আসছে, আর্জেন্টিনার গোল চাই, কিন্তু তা আসছে না!!
মেসির দারুণ ক্রসে নিকোর হেড, ঠেকালেন পিকফোর্ড:
ডান পাশ থেকে নিখুঁত এক ক্রস করেছিলেন মেসি। সেটাতে দারুণভাবে মাথা ছুঁইয়ে দিয়েছিলেন নিকো গনজালেস। তবে সেটা ঠেকিয়ে দিলেন জর্ডান পিকফোর্ড। দ্বিতীয় হাইড্রেশন ব্রেকের আগে সমতার গোলটা পেল না আর্জেন্টিনা। সঙ্গে সঙ্গেই বিরতির বাঁশি বাজিয়েছেন রেফারি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















