ঢাকা ০৪:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘চিরকালই হরমুজ প্রণালির রক্ষক থাকবে ইরান’

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিপরীতে ফি আদায়ের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ইরান সব সময়ই হরমুজ প্রণালির মূল ‘প্রহরী’ ছিল এবং ভবিষ্যতেও চিরকাল তা-ই থাকবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক করিডোর দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ যাতায়াত ইরান দীর্ঘদিন ধরেই নিশ্চিত করে আসছে। ফলে এই সুরক্ষার জন্য কোনো ক্ষতিপূরণ বা মাশুল আদায় করতে হলে তা ন্যায্য হওয়া উচিত।

ট্রাম্পের মন্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে খোঁচা দিয়ে আরাগচি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট একেবারেই ঠিক কথা বলেছেন যে যারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ পথ নিশ্চিত করবে, তাদের এই সেবার জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত। আর ইরান চিরকালই এই প্রণালির রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। তবে ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২০ শতাংশ ফি-কে অতিরিক্ত আখ্যা দিয়ে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তেহরান এই মাশুল নির্ধারণের ক্ষেত্রে ন্যায্য আচরণ করবে।

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্যটি মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে এলো। সম্প্রতি ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ঘোষণা করেন যে ওয়াশিংটন ইরানের ওপর আবারও নৌ-অবরোধ আরোপ করতে যাচ্ছে।

একই সাথে তিনি দাবি করেন, কৌশলগত এই জলপথে নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যয়ভার মেটাতে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী সমস্ত কার্গো জাহাজ থেকে ২০ শতাংশ ফি আদায় করবে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের সহযোগিতা থাকুক বা না থাকুক, এই প্রণালি উন্মুক্তই থাকবে এবং এই প্রস্তাবিত ফি মূলত বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার খরচ হিসেবে নেওয়া হবে। ট্রাম্পের এই দাবির জবাবেই ইরান পাল্টা সুর চড়িয়ে প্রণালীটির ওপর নিজেদের চিরন্তন কর্তৃত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

‘চিরকালই হরমুজ প্রণালির রক্ষক থাকবে ইরান’

আপডেট সময় ০৩:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিপরীতে ফি আদায়ের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ইরান সব সময়ই হরমুজ প্রণালির মূল ‘প্রহরী’ ছিল এবং ভবিষ্যতেও চিরকাল তা-ই থাকবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক করিডোর দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ যাতায়াত ইরান দীর্ঘদিন ধরেই নিশ্চিত করে আসছে। ফলে এই সুরক্ষার জন্য কোনো ক্ষতিপূরণ বা মাশুল আদায় করতে হলে তা ন্যায্য হওয়া উচিত।

ট্রাম্পের মন্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে খোঁচা দিয়ে আরাগচি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট একেবারেই ঠিক কথা বলেছেন যে যারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ পথ নিশ্চিত করবে, তাদের এই সেবার জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত। আর ইরান চিরকালই এই প্রণালির রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। তবে ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২০ শতাংশ ফি-কে অতিরিক্ত আখ্যা দিয়ে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তেহরান এই মাশুল নির্ধারণের ক্ষেত্রে ন্যায্য আচরণ করবে।

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্যটি মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে এলো। সম্প্রতি ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ঘোষণা করেন যে ওয়াশিংটন ইরানের ওপর আবারও নৌ-অবরোধ আরোপ করতে যাচ্ছে।

একই সাথে তিনি দাবি করেন, কৌশলগত এই জলপথে নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যয়ভার মেটাতে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী সমস্ত কার্গো জাহাজ থেকে ২০ শতাংশ ফি আদায় করবে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের সহযোগিতা থাকুক বা না থাকুক, এই প্রণালি উন্মুক্তই থাকবে এবং এই প্রস্তাবিত ফি মূলত বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার খরচ হিসেবে নেওয়া হবে। ট্রাম্পের এই দাবির জবাবেই ইরান পাল্টা সুর চড়িয়ে প্রণালীটির ওপর নিজেদের চিরন্তন কর্তৃত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করল।