ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজা পুনর্গঠনে ১০০ কোটি ডলারের সহায়তা উদ্যোগ ঘোষণা ইউরোপীয় ইউনিয়নের মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি অত্যন্ত গর্হিত ও ন্যক্কারজনক কাজ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাতারবাড়ী সমুদ্র বন্দর চালু হলে কমবে পণ্য পরিবহন ব্যয়: নৌমন্ত্রী জয়পুরহাটে মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশ হবে ‘ডিস্যাবিলিটি ইনক্লুসিভ সোসাইটি’র রোল মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ছাত্রশিবিরকে বিদায় জানালেন সাদিক কায়েম ৭ জেলায় বন্যা : ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ, মৃত্যু বেড়ে ৫৪ আইএমএফ প্রতিনিধিদের সঙ্গে পে স্কেলের বিষয়ে আলোচনা হয়নি: অর্থমন্ত্রী হবিগঞ্জে ড্রোন দিয়ে সহায়তা নিয়ে দুর্গতের পাশে বিজিবি বন্যায় প্রাণহানির জন্য ফ্যাসিস্ট সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়ন দায়ী: রিজভী

শেখ হাসিনা যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক তাকে আগে জেলে যেতে হবে:পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গণঅভ্যুত্থানের মুখে ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক তাকে আগে কারাগারে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওয়ায়েদ।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটা জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা ভারত বা বাংলাদেশে যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক, তাকে আগে জেলে যেতে হবে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির বক্তব্য সরকারের আমলে নেওয়ার কিছু নেই। বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইনি প্রক্রিয়া কী হবে- জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী আত্মসমর্পণ করতে হবে। ওনাকে জেলে যেতে হবে।

সেক্ষেত্রে আইন আইনের গতিতে চলবে। আসামি যদি আত্মসমর্পণ না করে রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়, তাহলে আমি মনে করি, এসব উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে তার দলের পালিয়ে থাকা নেতাকর্মীদের জাগ্রত করার চেষ্টা করছে। এ ছাড়া তো আমি আর কোনো কারণ দেখি না।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যে কোনো দেশের সঙ্গে আমাদের যে প্রক্রিয়া আছে কূটনীতিতে সেটা চলছে এবং যে কোনো আসামি যদি আত্মসমর্পণ করে বাংলাদেশের বিদ্যমান আইনের আওতায় যা প্রয়োজন সেটাই হবে।

শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, উনি কী ভারতের নাগরিক? তাহলে ওখানে থানায় কী করবে না করবে এটা ওনার ব্যাপার, সেটাতো আমার ব্যাপার না। একটা আসামি কোথায় আত্মসমর্পণ করবেন এটা একেবারে ওনার ব্যাপার এবং এখানে সরকারের কোনো বিষয় না। উনি বিদেশে বাংলাদেশের মিশনে আত্মসমর্পণ করুক বা বাংলাদেশে এসে আত্মসমর্পণ করুক, প্রক্রিয়া একই ওনাকে জেলে যেতে হবে, ওনার যে সাজা তার মুখোমুখি হতে হবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একজন আসামি কী বক্তব্য দেয়, সেটা বাংলাদেশ সরকারের আমলে নেওয়ার কথা না এবং নেবে না। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী একজনের সাজা হয়েছে, ইতোমধ্যে তিনি সাজাপ্রাপ্ত। আমাদের যে প্রক্রিয়া সেটা আগে থেকে চলমান আছে। এটা নতুন করে আর নতুন প্রক্রিয়ায় চলার কোনো অবস্থা নেই।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শেখ হাসিনার ভারতে বসে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানানো হতো। বর্তমান সরকার এ বিষয়ে ভারতকে বলবে কিনা- এমন প্রশ্নে শামা ওবায়েদ বলেন, সবকিছু বিবৃতি দিয়ে আপনাদের বলার কিছু নেই। ভারতের সঙ্গে আমাদের যে চলমান কথাবার্তা হয়, আলাপ হয়, বিনিময় হয়, তখন এ বিষয় আলোচনায় থাকে। একজন আসামি যদি দেশের বাইরে থাকে সে আত্মসমর্পণ করুক বা না করুক তার জন্য বিচার একই হবে। আমাদের যে প্রক্রিয়া সরকার থেকে চলছে সেটা চলমান আছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পুনর্গঠনে ১০০ কোটি ডলারের সহায়তা উদ্যোগ ঘোষণা ইউরোপীয় ইউনিয়নের

শেখ হাসিনা যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক তাকে আগে জেলে যেতে হবে:পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:০৫:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গণঅভ্যুত্থানের মুখে ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক তাকে আগে কারাগারে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওয়ায়েদ।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটা জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা ভারত বা বাংলাদেশে যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক, তাকে আগে জেলে যেতে হবে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির বক্তব্য সরকারের আমলে নেওয়ার কিছু নেই। বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইনি প্রক্রিয়া কী হবে- জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী আত্মসমর্পণ করতে হবে। ওনাকে জেলে যেতে হবে।

সেক্ষেত্রে আইন আইনের গতিতে চলবে। আসামি যদি আত্মসমর্পণ না করে রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়, তাহলে আমি মনে করি, এসব উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে তার দলের পালিয়ে থাকা নেতাকর্মীদের জাগ্রত করার চেষ্টা করছে। এ ছাড়া তো আমি আর কোনো কারণ দেখি না।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যে কোনো দেশের সঙ্গে আমাদের যে প্রক্রিয়া আছে কূটনীতিতে সেটা চলছে এবং যে কোনো আসামি যদি আত্মসমর্পণ করে বাংলাদেশের বিদ্যমান আইনের আওতায় যা প্রয়োজন সেটাই হবে।

শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, উনি কী ভারতের নাগরিক? তাহলে ওখানে থানায় কী করবে না করবে এটা ওনার ব্যাপার, সেটাতো আমার ব্যাপার না। একটা আসামি কোথায় আত্মসমর্পণ করবেন এটা একেবারে ওনার ব্যাপার এবং এখানে সরকারের কোনো বিষয় না। উনি বিদেশে বাংলাদেশের মিশনে আত্মসমর্পণ করুক বা বাংলাদেশে এসে আত্মসমর্পণ করুক, প্রক্রিয়া একই ওনাকে জেলে যেতে হবে, ওনার যে সাজা তার মুখোমুখি হতে হবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একজন আসামি কী বক্তব্য দেয়, সেটা বাংলাদেশ সরকারের আমলে নেওয়ার কথা না এবং নেবে না। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী একজনের সাজা হয়েছে, ইতোমধ্যে তিনি সাজাপ্রাপ্ত। আমাদের যে প্রক্রিয়া সেটা আগে থেকে চলমান আছে। এটা নতুন করে আর নতুন প্রক্রিয়ায় চলার কোনো অবস্থা নেই।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শেখ হাসিনার ভারতে বসে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানানো হতো। বর্তমান সরকার এ বিষয়ে ভারতকে বলবে কিনা- এমন প্রশ্নে শামা ওবায়েদ বলেন, সবকিছু বিবৃতি দিয়ে আপনাদের বলার কিছু নেই। ভারতের সঙ্গে আমাদের যে চলমান কথাবার্তা হয়, আলাপ হয়, বিনিময় হয়, তখন এ বিষয় আলোচনায় থাকে। একজন আসামি যদি দেশের বাইরে থাকে সে আত্মসমর্পণ করুক বা না করুক তার জন্য বিচার একই হবে। আমাদের যে প্রক্রিয়া সরকার থেকে চলছে সেটা চলমান আছে।