ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ঢামেকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮০ বছর পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১১ জুলাই) সকাল সোয়া ১০টার দিকে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’ এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়া তিনি আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নেবেন। তার এ সফরকে ঘিরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

এদিকে, শনিবার সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকা মুখর হয়ে উঠে। ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল, স্লোগান ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে তাকে অভ্যর্থনা জানান।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা হয়ে ঢামেকের উদ্দেশে রওয়ানা দেয়। শহীদ মিনার এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, তিতুমীর কলেজ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা সড়কের দুপাশে অবস্থান নিয়ে স্লোগানের মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানায়। নেতাকর্মীদের বিপুল উপস্থিতিতে গাড়িবহরের গতি কিছুটা কমে যায়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী গাড়ি থেকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছার জবাব দেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়। হাসপাতাল ও কলেজসংলগ্ন ফুটপাত থেকে ভ্রাম্যমাণ হকার, অস্থায়ী খাবারের দোকান, স্টেশনারি এবং অন্যান্য অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন পর ফুটপাত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে এবং যানজট কমেছে। রোগীর স্বজন, পথচারী ও সাধারণ মানুষ এ উদ্যোগে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। তাদের প্রত্যাশা, এ সফরের মাধ্যমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অবিস্মরণীয়।

তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা মেডিকেলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রিয় ক্যাম্পাসে এসেছেন, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন ও আনন্দের বিষয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ঢামেকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:২৫:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮০ বছর পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১১ জুলাই) সকাল সোয়া ১০টার দিকে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’ এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়া তিনি আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নেবেন। তার এ সফরকে ঘিরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

এদিকে, শনিবার সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকা মুখর হয়ে উঠে। ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল, স্লোগান ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে তাকে অভ্যর্থনা জানান।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা হয়ে ঢামেকের উদ্দেশে রওয়ানা দেয়। শহীদ মিনার এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, তিতুমীর কলেজ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা সড়কের দুপাশে অবস্থান নিয়ে স্লোগানের মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানায়। নেতাকর্মীদের বিপুল উপস্থিতিতে গাড়িবহরের গতি কিছুটা কমে যায়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী গাড়ি থেকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছার জবাব দেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়। হাসপাতাল ও কলেজসংলগ্ন ফুটপাত থেকে ভ্রাম্যমাণ হকার, অস্থায়ী খাবারের দোকান, স্টেশনারি এবং অন্যান্য অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন পর ফুটপাত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে এবং যানজট কমেছে। রোগীর স্বজন, পথচারী ও সাধারণ মানুষ এ উদ্যোগে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। তাদের প্রত্যাশা, এ সফরের মাধ্যমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অবিস্মরণীয়।

তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা মেডিকেলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রিয় ক্যাম্পাসে এসেছেন, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন ও আনন্দের বিষয়।