ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সম্পর্ক ভেঙে গেলে উৎসব করে উদযাপন করা উচিত: জেনিফার লোপেজ

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

প্রেম বা দাম্পত্যের সম্পর্কের ইতি ঘটা মানেই জীবনের বড় কোনো বিপর্যয় বা ব্যর্থতা নয়, বরং একে নতুনভাবে নিজেকে আবিষ্কারের একটি বড় মাধ্যম হিসেবে দেখছেন পপতারকা ও হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার লোপেজ। নিজের জীবনের একাধিক ভাঙা-গড়ার অভিজ্ঞতা থেকে এই তারকা এক চমকপ্রদ মন্তব্য করে বসেছেন। তার মতে, সম্পর্ক ভেঙে গেলে ভেঙে না পড়ে উল্টো পার্টি বা উৎসব করে তা উদযাপন করা উচিত।

সম্প্রতি জনপ্রিয় অনলাইন শো ‘সাবওয়ে টেকস’-এর একটি পর্বে অংশ নিয়ে নিজের এই ব্যতিক্রমী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন ‘হাসলার্স’ খ্যাত এই তারকা। জেনিফার লোপেজ জানান, বিচ্ছেদ আসলে মানুষের জীবনের পরবর্তী সেরা সংস্করণে পৌঁছানোর একটি শক্তিশালী সিঁড়ি বা লঞ্চপ্যাড। কেউ সম্পর্কের ইতি টানলে তাকে সান্ত্বনা না দিয়ে উল্টো অভিনন্দন জানানো উচিত বলে মনে করেন তিনি। তার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া মানে প্রথমত, মানুষটি একটি বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহস দেখিয়েছে; আর দ্বিতীয়ত, এটি সম্ভবত সংশ্লিষ্ট সবার জন্যই সবচেয়ে মঙ্গলজনক একটি পদক্ষেপ।

বেন অ্যাফ্লেক, মার্ক অ্যান্থনি কিংবা অ্যালেক্স রদ্রিগেজের মতো তারকাদের সঙ্গে হাই-প্রোফাইল সম্পর্কে জড়ানো এবং বিচ্ছেদের কারণে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের শিরোনামে এসেছেন ৫৬ বছর বয়সী এই গায়িকা। নিজের জীবনের সেইসব অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানান, মানসিকভাবে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক পরিবর্তন ও পরিপক্বতা সাধারণত মন ভাঙার পরই আসে। তা কেবল প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রেই নয়, কর্মক্ষেত্রের ব্যর্থতা বা যেকোনো ধাক্কার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কারণ ধাক্কা খেলেই মানুষ পেছনের কারণগুলো নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতে শুরু করে, নিজের ভুলগুলো খোঁজে এবং নিজেকে পুরোপুরি বদলে ফেলার অনুপ্রেরণা পায়।

ভবিষ্যৎ সঙ্গীর ক্ষেত্রে বাহ্যিক রূপের চেয়ে ভেতরের মানুষটিকে বেশি প্রাধান্য দেন বলে জানান এই তারকা। তবে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর প্রাক্তনদের সঙ্গে ঠিক কতটুকু দূরত্ব বজায় রাখতে হয়, তা-ও বেশ ভালোভাবেই জানা আছে লোপেজের। বিচ্ছেদের পর নিজেকে সামলে নিয়ে স্বাভাবিকভাবে কাজ করে যাওয়ার এক অনন্য নজির গড়েছেন তিনি, যার প্রমাণ মিলেছে বিচ্ছেদের মাত্র কয়েক মাস পরই সাবেক স্বামী বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে হাসিমুখে রেড কার্পেটে দাঁড়িয়ে সিনেমার প্রচারণা করার মাধ্যমে। অবশ্য সম্পর্কের ইতি টানার ব্যাপারে নিজের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে লোপেজ স্পষ্ট করে বলেছেন, কোনো সম্পর্কের অধ্যায় একবার পুরোপুরি শেষ হয়ে গেলে, সেই মানুষটি তার কাছে চিরতরে মৃত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সম্পর্ক ভেঙে গেলে উৎসব করে উদযাপন করা উচিত: জেনিফার লোপেজ

আপডেট সময় ০২:২০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

প্রেম বা দাম্পত্যের সম্পর্কের ইতি ঘটা মানেই জীবনের বড় কোনো বিপর্যয় বা ব্যর্থতা নয়, বরং একে নতুনভাবে নিজেকে আবিষ্কারের একটি বড় মাধ্যম হিসেবে দেখছেন পপতারকা ও হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার লোপেজ। নিজের জীবনের একাধিক ভাঙা-গড়ার অভিজ্ঞতা থেকে এই তারকা এক চমকপ্রদ মন্তব্য করে বসেছেন। তার মতে, সম্পর্ক ভেঙে গেলে ভেঙে না পড়ে উল্টো পার্টি বা উৎসব করে তা উদযাপন করা উচিত।

সম্প্রতি জনপ্রিয় অনলাইন শো ‘সাবওয়ে টেকস’-এর একটি পর্বে অংশ নিয়ে নিজের এই ব্যতিক্রমী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন ‘হাসলার্স’ খ্যাত এই তারকা। জেনিফার লোপেজ জানান, বিচ্ছেদ আসলে মানুষের জীবনের পরবর্তী সেরা সংস্করণে পৌঁছানোর একটি শক্তিশালী সিঁড়ি বা লঞ্চপ্যাড। কেউ সম্পর্কের ইতি টানলে তাকে সান্ত্বনা না দিয়ে উল্টো অভিনন্দন জানানো উচিত বলে মনে করেন তিনি। তার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া মানে প্রথমত, মানুষটি একটি বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহস দেখিয়েছে; আর দ্বিতীয়ত, এটি সম্ভবত সংশ্লিষ্ট সবার জন্যই সবচেয়ে মঙ্গলজনক একটি পদক্ষেপ।

বেন অ্যাফ্লেক, মার্ক অ্যান্থনি কিংবা অ্যালেক্স রদ্রিগেজের মতো তারকাদের সঙ্গে হাই-প্রোফাইল সম্পর্কে জড়ানো এবং বিচ্ছেদের কারণে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের শিরোনামে এসেছেন ৫৬ বছর বয়সী এই গায়িকা। নিজের জীবনের সেইসব অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানান, মানসিকভাবে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক পরিবর্তন ও পরিপক্বতা সাধারণত মন ভাঙার পরই আসে। তা কেবল প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রেই নয়, কর্মক্ষেত্রের ব্যর্থতা বা যেকোনো ধাক্কার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কারণ ধাক্কা খেলেই মানুষ পেছনের কারণগুলো নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতে শুরু করে, নিজের ভুলগুলো খোঁজে এবং নিজেকে পুরোপুরি বদলে ফেলার অনুপ্রেরণা পায়।

ভবিষ্যৎ সঙ্গীর ক্ষেত্রে বাহ্যিক রূপের চেয়ে ভেতরের মানুষটিকে বেশি প্রাধান্য দেন বলে জানান এই তারকা। তবে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর প্রাক্তনদের সঙ্গে ঠিক কতটুকু দূরত্ব বজায় রাখতে হয়, তা-ও বেশ ভালোভাবেই জানা আছে লোপেজের। বিচ্ছেদের পর নিজেকে সামলে নিয়ে স্বাভাবিকভাবে কাজ করে যাওয়ার এক অনন্য নজির গড়েছেন তিনি, যার প্রমাণ মিলেছে বিচ্ছেদের মাত্র কয়েক মাস পরই সাবেক স্বামী বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে হাসিমুখে রেড কার্পেটে দাঁড়িয়ে সিনেমার প্রচারণা করার মাধ্যমে। অবশ্য সম্পর্কের ইতি টানার ব্যাপারে নিজের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে লোপেজ স্পষ্ট করে বলেছেন, কোনো সম্পর্কের অধ্যায় একবার পুরোপুরি শেষ হয়ে গেলে, সেই মানুষটি তার কাছে চিরতরে মৃত।