ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা মঙ্গলবার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নতুন অর্থবছরের (২০২৬-২৭) প্রথমার্ধের জন্য মঙ্গলবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এদিন বিকাল ৩টায় গভর্নর মোস্তাকুর রহমান মুদ্রানীতি ঘোষণা করবেন বলে আজ সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সরকারের আর্থিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে বাজারে কী পরিমাণ অর্থের সরবরাহ থাকবে, সেটির সম্ভাব্য পরিকল্পনা থাকে মুদ্রানীতিতে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি গতিশীল রাখার মতো বিষয়ও মাথায় রাখা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক ছয় মাস অন্তর মুদ্রানীতি ঘোষণা করে। মঙ্গলবারের মুদ্রানীতি হবে চলতি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ের জন্য।

বিদায়ী অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয় গেল ৯ ফেব্রুয়ারি। সেদিন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে নীতিসুদ হার আগের মতই ১০ শতাংশে রাখার ঘোষণা দেন তৎকালীন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ২০২২ সালের শেষ দিক থেকে নীতিসুদ হার বাড়াতে শুরু করে। তারপরও পর টানা দুই অঙ্কের ঘরে থাকা মূল্যস্ফীতি সর্বোচ্চ ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশ হয় ২০২৪ সালের জুলাই মাসে।

ওই মাস থেকে শুরু হওয়া শিক্ষার্ধীদের আন্দোলন পরের মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পরিণত হলে ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।

অন্তবর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পুরোমাত্রায় সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ২০২৪ সালের অগাস্টে মূল্যস্ফীতি কমে আসতে শুরু করে।

গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠন করার পর বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। সবশেষ প্রস্তাবিত বাজেটেও সেই পরিকল্পনার আলোকে বন্ধ কারখানার চালু করতে বিশেষ ঋণ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয় ৬০ হাজার কোটি টাকার।

এই বাস্তবতায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বেসরকারি ঋণ প্রবাহ বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ সামনে নিয়ে আসছে নতুন মুদ্রানীতি।

মুদ্রানীতি সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ কমিটি পরামর্শ দিয়েছে, উচ্চ হারে খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোর আমানত ও ঋণের মধ্যে ৪ শতাংশ ‘স্প্রেড’ ঠিক করে দেওয়ার। এর মানে হচ্ছে আমানত ও ঋণ সুদের ব্যবধান হবে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা মঙ্গলবার

আপডেট সময় ০৬:২০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নতুন অর্থবছরের (২০২৬-২৭) প্রথমার্ধের জন্য মঙ্গলবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এদিন বিকাল ৩টায় গভর্নর মোস্তাকুর রহমান মুদ্রানীতি ঘোষণা করবেন বলে আজ সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সরকারের আর্থিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে বাজারে কী পরিমাণ অর্থের সরবরাহ থাকবে, সেটির সম্ভাব্য পরিকল্পনা থাকে মুদ্রানীতিতে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি গতিশীল রাখার মতো বিষয়ও মাথায় রাখা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক ছয় মাস অন্তর মুদ্রানীতি ঘোষণা করে। মঙ্গলবারের মুদ্রানীতি হবে চলতি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ের জন্য।

বিদায়ী অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয় গেল ৯ ফেব্রুয়ারি। সেদিন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে নীতিসুদ হার আগের মতই ১০ শতাংশে রাখার ঘোষণা দেন তৎকালীন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ২০২২ সালের শেষ দিক থেকে নীতিসুদ হার বাড়াতে শুরু করে। তারপরও পর টানা দুই অঙ্কের ঘরে থাকা মূল্যস্ফীতি সর্বোচ্চ ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশ হয় ২০২৪ সালের জুলাই মাসে।

ওই মাস থেকে শুরু হওয়া শিক্ষার্ধীদের আন্দোলন পরের মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পরিণত হলে ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।

অন্তবর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পুরোমাত্রায় সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ২০২৪ সালের অগাস্টে মূল্যস্ফীতি কমে আসতে শুরু করে।

গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠন করার পর বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। সবশেষ প্রস্তাবিত বাজেটেও সেই পরিকল্পনার আলোকে বন্ধ কারখানার চালু করতে বিশেষ ঋণ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয় ৬০ হাজার কোটি টাকার।

এই বাস্তবতায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বেসরকারি ঋণ প্রবাহ বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ সামনে নিয়ে আসছে নতুন মুদ্রানীতি।

মুদ্রানীতি সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ কমিটি পরামর্শ দিয়েছে, উচ্চ হারে খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোর আমানত ও ঋণের মধ্যে ৪ শতাংশ ‘স্প্রেড’ ঠিক করে দেওয়ার। এর মানে হচ্ছে আমানত ও ঋণ সুদের ব্যবধান হবে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ।