ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাভারে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে ফুটপাতে হকার উচ্ছেদ অভিযান পরীমনিকাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার শর্ত না মানলে ইরানের ওপর আবারও নৌ-অবরোধ: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টঙ্গীতে হানি ট্র্যাপে ফেলে দুই যুবককে মারধর-লুট, ৩ জন গ্রেফতার বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান রাষ্ট্রদূতের এমপিরা নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সংসদ সভাপতিকে সম্মান জানাবেন: স্পিকার এই উচ্চাভিলাষী বাজেট বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: সংসদে আইনমন্ত্রী করের হার না বাড়িয়ে রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: তিতুমীর ঢাকার ১২০ মোড়ে বসছে এআই ক্যামেরা

পদ না পেয়ে ফেসবুক লাইভে কাঁদলেন যুবদল নেতা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের নতুন কমিটিতে পদ না পেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে কাঁদলেন সংগঠনটির সাবেক এক নেতা।

বুধবার সন্ধ্যায় (১৭ জুন) এ ঘটনা ঘটেছে। তার এ ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে তিনি পদ না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

সাবেক ওই নেতার নাম সুমন চৌধুরী। তিনি লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের কার্যকরী কমিটির সদস্য ছিলেন।

বুধবার বিকালে জেলা যুবদলের নতুন ১০১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে আবদুল আলিম হুমায়ূনকে সভাপতি, সৈকত রশিদুল হাসানকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়।

কেন্দ্রীয় যুবদলের নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্ব) মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। সুমন চৌধুরী এ কমিটিতে পদপ্রত্যাশী ছিলেন।

তিনি ফেসবুক লাইভে এসে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের সদস্য হতে পারিনি। কোথায় ভুল করেছি? কোথায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম করেছি? লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলকে এর জবাব দিতে হবে। আন্দোলন সংগ্রামে আমি রাজপথে ছিলাম। ১৭ বছর বাড়িতে ঘুমাতে পারিনি।’

জানতে চাইলে মোবাইল ফোনে সুমন চৌধুরী এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। রাজপথে থেকেছি, দলের জন্য সময়-শ্রম দিয়েছি। আমার ত্যাগের কথা নেতারাও জানে। কিন্তু জেলা যুবদলের নতুন কমিটিতে আমাকে কোনো স্থান দেওয়া হয়নি। কমিটিতে এমন ব্যক্তিদের স্থান হয়েছে, যারা গত ১৭ বছর নিষ্ক্রিয় ছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘রায়পুর উপজেলা থেকে ৭ জনকে জেলা কমিটিতে রাখা হয়েছে। রামগঞ্জ উপজেলা থেকে এমন একজনকে কমিটিতে রাখা হয়েছে, যিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন।’

এ সম্পর্কে জেলা যুবদলের সভাপতি আবদুল আলিম হুমায়ূন বলেন, ‘বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। জেলায় এমন অন্তত এক হাজার যোগ্য ও ত্যাগী নেতা রয়েছেন, যারা যুবদলের কমিটিতে স্থান পাওয়ার সক্ষমতা রাখেন। তারা গত ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তবে জেলা যুবদলের কমিটি ১০১ সদস্যবিশিষ্ট হওয়ায় অনেক যোগ্য নেতাকর্মীকেই কমিটির বাইরে রাখতে হয়। সুমন চৌধুরীর বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রেখেছি। কেন্দ্রের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়ে কোনো ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করব।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিপফেক বিতর্কে গুগল-মেটার বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে প্রীতি

পদ না পেয়ে ফেসবুক লাইভে কাঁদলেন যুবদল নেতা

আপডেট সময় ০৫:৫০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের নতুন কমিটিতে পদ না পেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে কাঁদলেন সংগঠনটির সাবেক এক নেতা।

বুধবার সন্ধ্যায় (১৭ জুন) এ ঘটনা ঘটেছে। তার এ ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে তিনি পদ না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

সাবেক ওই নেতার নাম সুমন চৌধুরী। তিনি লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের কার্যকরী কমিটির সদস্য ছিলেন।

বুধবার বিকালে জেলা যুবদলের নতুন ১০১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে আবদুল আলিম হুমায়ূনকে সভাপতি, সৈকত রশিদুল হাসানকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়।

কেন্দ্রীয় যুবদলের নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্ব) মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। সুমন চৌধুরী এ কমিটিতে পদপ্রত্যাশী ছিলেন।

তিনি ফেসবুক লাইভে এসে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের সদস্য হতে পারিনি। কোথায় ভুল করেছি? কোথায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম করেছি? লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলকে এর জবাব দিতে হবে। আন্দোলন সংগ্রামে আমি রাজপথে ছিলাম। ১৭ বছর বাড়িতে ঘুমাতে পারিনি।’

জানতে চাইলে মোবাইল ফোনে সুমন চৌধুরী এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। রাজপথে থেকেছি, দলের জন্য সময়-শ্রম দিয়েছি। আমার ত্যাগের কথা নেতারাও জানে। কিন্তু জেলা যুবদলের নতুন কমিটিতে আমাকে কোনো স্থান দেওয়া হয়নি। কমিটিতে এমন ব্যক্তিদের স্থান হয়েছে, যারা গত ১৭ বছর নিষ্ক্রিয় ছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘রায়পুর উপজেলা থেকে ৭ জনকে জেলা কমিটিতে রাখা হয়েছে। রামগঞ্জ উপজেলা থেকে এমন একজনকে কমিটিতে রাখা হয়েছে, যিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন।’

এ সম্পর্কে জেলা যুবদলের সভাপতি আবদুল আলিম হুমায়ূন বলেন, ‘বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। জেলায় এমন অন্তত এক হাজার যোগ্য ও ত্যাগী নেতা রয়েছেন, যারা যুবদলের কমিটিতে স্থান পাওয়ার সক্ষমতা রাখেন। তারা গত ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তবে জেলা যুবদলের কমিটি ১০১ সদস্যবিশিষ্ট হওয়ায় অনেক যোগ্য নেতাকর্মীকেই কমিটির বাইরে রাখতে হয়। সুমন চৌধুরীর বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রেখেছি। কেন্দ্রের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়ে কোনো ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করব।’