আকাশ নিউজ ডেস্ক:
সৌন্দর্য চর্চায় অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী পরিচিত নাম। প্রাকৃতিক উপাদানটি ঘরোয়া রূপচর্চায় ব্যবহার হয়। অনেকের হয়তো জানা নেই, এক সপ্তাহ বা টানা কয়েকদিন যদি কেউ নিয়ম করে ত্বকে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করেন, তাহলে ত্বকে বেশকিছু দৃশ্যমান ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসে। এমনটাই জানানো হয়েছে ‘টিভিনাইনে’র এক প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যালোভেরা জেলে প্রায় ৯৯ শতাংশ জলীয় উপাদান থাকে, যা ত্বকের গভীরে গিয়ে আর্দ্রতা জোগায়। এ কারণে দুই-তিন দিন ব্যবহারের পরই শুষ্ক ও নিস্তেজ ত্বক অনেক বেশি নরম এবং সতেজ দেখায়। এটি ত্বকের প্রাকৃতিক তেলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও বেশ কিছু উপকারিতা পাওয়া যায়। যেমন-
রোদে পোড়া ত্বকের স্বস্তি:
গ্রীষ্মের প্রখর রোদে অনেকেরই ত্বকে জ্বালাপোড়া ও লালচে ভাব দেখা দেয়। এমন সময় অ্যালোভেরার শীতল জেল ত্বকে আরাম এনে দেয়। বাইরে থেকে ফিরে মুখ ও হাতে অ্যালোভেরা ব্যবহার করলে ত্বকের ক্লান্তি দূর করেন।
ব্রণ প্রতিরোধে:
আজকাল শুধু কিশোর-কিশোরীদের নয়, অনেক প্রাপ্তবয়স্কদেরও ব্রণের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অ্যালোভেরাতে থাকা প্রদাহনাশক উপাদান ত্বকের লালচে ভাব ও অস্বস্তি কমাতে সহায়তা করতে পারে। টানা কয়েকদিন অ্যালোভেরা জেল ব্যবহারে ত্বকে বড়সড় পরিবর্তন দেখা যাবে। অ্যালোভেরায় থাকা ‘স্যালিসিলিক অ্যাসিড’ এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান নতুন করে ব্রণ হওয়া রোধ করে। সেই সঙ্গে ব্রণের ফোলা ভাব এবং লালচে ভাব কমাতে সাহায্য করে।
ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে:
সারাদিনের ধুলাবালি ও দূষণের কারণে ত্বক অনেক সময় মলিন দেখায়। টানা কয়েকদিন অ্যালোভেরা ব্যবহারে ত্বক আরও সতেজ ও প্রাণবন্ত দেখাতে পারে। এটি ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
ব্যবহারে সতর্কতা:
যদিও অ্যালোভেরা সাধারণত নিরাপদ, তবে সংবেদনশীল ত্বকে কখনও কখনও অ্যালার্জি হতে পারে। তাই প্রথমবার ব্যবহারের আগে অবশ্যই হাতে বা কানের লতির পেছনে ‘প্যাচ টেস্ট’ করে নেয়া ভালো।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























