আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
ব্রিটিশ রাজপরিবারে এসেছে নতুন আনন্দের উপলক্ষ। রাজা তৃতীয় চার্লসের ভাগনে এবং প্রিন্সেস অ্যানের পুত্র পিটার ফিলিপস বিয়ে করেছেন হ্যারিয়েট স্পার্লিংকে। যিনি পেশায় একজন এনএইচএস নার্স। গ্লুচেস্টারশায়ারের কেম্বল গ্রামের অল সেইন্টস চার্চে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে এই রাজকীয় বিয়ে।
যে গ্রামে প্রথম পরিচয়, সেই কেম্বলকেই বিয়ের স্থান হিসেবে বেছে নেন পিটার ও হ্যারিয়েট।
বৃষ্টিস্নাত দিনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজা চার্লস, রানী ক্যামিলা। চার্চে পৌঁছানোর সময় উপস্থিত মানুষ করতালি ও উচ্ছ্বাসে তাদের স্বাগত জানান।
বিয়েতে প্রিন্স অব ওয়েলস উইলিয়াম, প্রিন্সেস ক্যাথরিন, জারা টিন্ডাল, মাইক টিন্ডাল, ডিউক ও ডাচেস অব এডিনবরা, প্রিন্সেস ইউজেনি, প্রিন্সেস বিট্রিসসহ রাজপরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কনে হ্যারিয়েট গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মধ্যেই চার্চে পৌঁছান। তখন চারপাশে হিপ হিপ হুররে ধ্বনি শোনা যায়। ব্রাইডসমেড হিসেবে ছিলেন পিটারের দুই কন্যা সাভানা, ইসলা এবং হ্যারিয়েটের কন্যা জর্জিনা। বৃষ্টির কারণে অনেককেই ছাতা নিয়ে চার্চে প্রবেশ করতে দেখা যায়।
পিটার ফিলিপস এবং হ্যারিয়েট স্পার্লিং ২০২৪ সালে সম্পর্কে জড়ান। এর আগে ২০২০ সালে পিটারের প্রথম স্ত্রী অটাম কেলির সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। ২০২৫ সালের আগস্টে তারা বাগদানের ঘোষণা দেন।
বিয়ের দিনটি ছিল এপসম ডার্বি ঘোড়দৌড়ের দিনও। ফলে অনুষ্ঠান শেষে রাজা চার্লস ও রানী ক্যামিলা রেসকোর্সে যোগ দেন এবং বিজয়ীর হাতে ট্রফি তুলে দেন।
এই বিয়েকে কেন্দ্র করে কেম্বল গ্রামের মানুষের মধ্যে ছিল বাড়তি উচ্ছ্বাস। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক মাস ধরেই প্রস্তুতি চলছিল। চারপাশ পরিষ্কার করা থেকে শুরু করে চার্চের ঘণ্টা বাজানোর অনুশীলনও করা হয়েছে।
বর্তমানে ৪৮ বছর বয়সী পিটার ফিলিপস ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকারের তালিকায় ১৯তম স্থানে রয়েছেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 


















