আকাশ নিউজ ডেস্ক:
আজকাল অধিকাংম মানুষই অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপে সময় কাটান। কেউ কেউ আবার অতিরিক্ত স্ক্রিন দেখতে দেখতে অনেক দেরীতে ঘুমান। এসব অভ্যাসের কারণে চোখের ক্লান্তি ও চোখের নীচে কালো দাগের (ডার্ক সার্কেল) মতো সমস্যাগুলি বেশ সাধারণ হয়ে উঠেছে । এ ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কেউ কেউ ঘরোয়া উপকরণের সাহায্য নেন। এর মধ্যে আলু এবং শসা বেশি পরিচতি। অনেকের প্রশ্ন, চোখের ক্লান্তি বা কালো দাগ দূর করতে কোনটি বেশি উপকারী? এ ব্যাপারে বেশ কিছু তথ্য জানানো হয়েছে ‘ইটিভিভারত’এর এক প্রতিবেদনে।
চোখ প্রশান্ত করতে শসা অত্যন্ত কার্যকর: শসায় পানির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি থাকায় চোখের ওপর রাখলে তাৎক্ষণিকভাবে এক ধরণের শীতল অনুভূতি পাওয়া যায় । দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা কিংবা পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে চোখে এক ধরনের ভারীভাব ও ক্লান্তি অনুভূত হয়। শসা ব্যবহারে এ সমস্যা কমে যায়। শসায় থাকা শীতল প্রভাব চোখের জন্য স্বস্তি বয়ে আনে । সেই সঙ্গেচোখের ফোলাভাব কমাতেও সাহায্য করতে পারে ।
চোখের নীচের কালো দাগ দূর করতে আলুর প্রভাব: আলুতে এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান থাকে যা ত্বকের বর্ণ বা উজ্জ্বলতা উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে । একারণেই চোখের নিচের কালো দাগ দূর করার ক্ষেত্রে আলু বেশি কার্যকর হিসাবে ধরা হয় । নিয়মিত আলু ব্যবহারের ফলে চোখের নীচের ত্বক কিছুটা ফর্সা বা উজ্জ্বল দেখায় ।
ফোলাভাব কমাতে উপকারী শসা-আলু: যদি আপনার চোখের নিচে সামান্য ফোলাভাব বা স্ফীতি থাকে, তবে আলু এবং শসা দুটিই আপনাকে স্বস্তি দিতে পারে । এই দুটির মধ্যেই এমন কিছু প্রাকৃতিক গুণাগুণ রয়েছে যা ত্বককে প্রশমিত করতে সহায়তা করে । তবে, চোখের জন্য তাৎক্ষণিক শীতলতা এবং সতেজতার অনুভূতি আনতে শসাই বেশি জনপ্রিয়।
কোনটি বেছে নেবেন ?
যদি চোখের ক্লান্তি, জ্বালাপোড়া কিংবা ফোলাভাব আপনার প্রধান সমস্যা হয়- তাহলে শসা হতে পারে ভালো বিকল্প । অার কেউ যদি চোখের নীচের কালো দাগ বা ‘ডার্ক সার্কেল’ দূর করতে চান তাহলে আলু ব্যবহার করাই ভালো ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুটি উপাদান ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ব্যবহার করা যেতে পারে । শসা চোখকে প্রশমিত ও শিথিল করতে সাহায্য করে, অন্যদিকে আলু বিশেষভাবে চোখের নীচের কালো দাগ দূর করার কাজে সহায়তা করে । এ কারণে চাইলে কেউ প্রয়োজন অনুযায়ী এই দুটি উপাদানকেই দৈনন্দিন পরিচর্যা রুটিনে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। তবে, শুধুমাত্র ঘরোয়া প্রতিকারের উপর নির্ভর না করে, পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা এবং স্ক্রিন ব্যবহারের সময় নিয়ন্ত্রণ করাও অত্যন্ত জরুরি ।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























