ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাবিকে ফোকাস কোচিং সেন্টার বানানোর অপচেষ্টা করছে শিবির: রাশেদ ৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যুবকের মৃত্যু বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে আগের সরকারের চুরি ও পাচারের বোঝা বহন করতে হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি উল্টো ফল দেবে: পুতিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ইরানের কাছে এখনো ২২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র আছে: ট্রাম্প বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩ ডেঙ্গুর প্রভাব বাড়ার আগেই প্রতিহত করতে চাই: ডিএসসিসি প্রশাসক

যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

হেনরি নওয়াক হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।

তিনি বলেছেন, হেনরি নওয়াক হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের কিছু মন্তব্য যুক্তরাজ্যের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের শামিল।

যদিও ডাউনিং স্ট্রিট কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেনি, তবে বিষয়টি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া কূটনৈতিক উত্তেজনার সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

জেডি ভ্যান্সের মন্তব্যে বিতর্কের সূত্রপাত:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জেডি ভ্যান্স দাবি করেন, ইউরোপের রাজনৈতিক অভিজাতদের ‘স্ব-বিদ্বেষের রাজনীতি’ এবং ‘বিপুল অভিবাসন নীতি’ গ্রহণ না করলে হেনরি নওয়াক আজ বেঁচে থাকতে পারতেন। তিনি আরও বলেন, অনেক অভিবাসী পশ্চিমা সমাজ ও পশ্চিমাপন্থী নাগরিকদের প্রতি ‘বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব’ পোষণ করে।

এই মন্তব্যের পর ডাউনিং স্ট্রিটের একজন মুখপাত্র বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেখেছি কিছু ব্যক্তি আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছেন এবং আমাদের রাস্তায় বিভাজন উসকে দিচ্ছেন।”

তিনি আরও বলেন, “নওয়াক পরিবার তাদের সন্তানকে হারিয়ে গভীর শোকের মধ্যে রয়েছে। তারা স্পষ্টভাবে বলেছেন, এই মৃত্যুকে ঘিরে যেন কোনও ধরনের বিভাজন, ঘৃণা বা উত্তেজনা তৈরি না করা হয়। আমাদের উচিত তাদের সেই ইচ্ছাকে সম্মান করা।”

হত্যাকাণ্ড ও বিচার প্রক্রিয়া:
হেনরি নওয়াককে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ তাকে হাতকড়া পরাচ্ছে যখন তিনি মারাত্মকভাবে আহত অবস্থায় মাটিতে পড়ে ছিলেন। হামলাকারী ভিকরাম ডিগওয়া শুরুতে নওয়াকের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ তোলেন, তবে পরবর্তীতে আদালতে তিনি হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন এবং তাকে ন্যূনতম ২১ বছরের কারাদণ্ডসহ যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়।

ঘটনাটি যুক্তরাজ্যে ব্যাপক জনমত তৈরি করেছে এবং পুলিশের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি এখন স্বাধীন পুলিশ আচরণ পর্যবেক্ষণ সংস্থা তদন্ত করছে।

আন্তর্জাতিক মন্তব্যে উত্তেজনা:
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরও এক বিবৃতিতে ঘটনাটিকে ‘পশ্চিমা সভ্যতার অবক্ষয়ের’ উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে। তারা দাবি করে, ‘আদর্শিক শর্তায়ন’ এবং ‘দুই-স্তরের পুলিশিং’ পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য উদ্বেগজনক লক্ষণ।

স্টারমার পরে এলবিসি রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “পুলিশকে অবশ্যই পক্ষপাতহীনভাবে কাজ করতে হবে- কে কী বলছে বা কোন দেশ থেকে বলছে, তা বিবেচ্য নয়।” তিনি একই সঙ্গে বলেন, পুলিশের কার্যক্রম নিয়ে কঠিন প্রশ্ন তোলাও জরুরি।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও চাপ:
লিবারেল ডেমোক্র্যাট পার্টি মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তলব করার আহ্বান জানিয়েছে। দলের নেতা এড ডেভি বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে ব্রিটিশ গণতন্ত্রে আক্রমণ চালাচ্ছে এবং বিভাজন উসকে দিচ্ছে।”

ডাউনিং স্ট্রিট অবশ্য জানিয়েছে, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ রয়েছে। তবে পুলিশিং ইস্যু নিয়ে মতবিরোধ থাকলেও কূটনৈতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে তিরস্কার করা হবে কি না, সে বিষয়ে তারা কোনও মন্তব্য করেনি।

দুই-স্তরের পুলিশিং বিতর্ক:
নওয়াক হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে কিছু ডানপন্থী রাজনৈতিক নেতা ও ভাষ্যকার অভিযোগ তুলেছেন যে যুক্তরাজ্যে ‘দুই-স্তরের পুলিশিং’ বিদ্যমান- অর্থাৎ পরিচয় বা আদর্শের ভিত্তিতে পুলিশের আচরণ ভিন্ন হয়।

এই বিতর্কে এক্সের মালিক ইলন মাস্ক এবং রিফর্ম ইউকে নেতা নাইজেল ফারাজও মন্তব্য করেন। তারা ঘটনাটিকে শ্বেতাঙ্গ নাগরিকদের প্রতি বৈষম্যের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করেন। তবে সমালোচকেরা এসব মন্তব্যকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছেন।

যুক্তরাজ্যের উপপ্রধানমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি স্কাই নিউজকে বলেন, তিনি নওয়াক পরিবারের প্রতি মার্কিন সরকারের সমবেদনা স্বাগত জানান, তবে ‘যুক্তরাজ্যে দুই-স্তরের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থা আছে’-এমন ধারণা তিনি স্বীকার করেন না।

স্টারমারের অবস্থান ও তদন্ত:
প্রধানমন্ত্রী স্টারমার ইতোমধ্যে হেনরি নওয়াকের পরিবারের সঙ্গে ডাউনিং স্ট্রিটে বৈঠক করেছেন। তিনি জানান, হ্যাম্পশায়ার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে এবং ‘ভুল সংশোধনে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে’।

এছাড়া পুলিশ আচরণবিষয়ক স্বাধীন সংস্থা ঘটনাটির তদন্ত করছে, বিশেষ করে আহতাবস্থায় নওয়াককে হাতকড়া পরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে।

ঘটনাটি এখন শুধু একটি ফৌজদারি মামলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সম্পর্ক, অভিবাসন নীতি এবং পুলিশিং সংক্রান্ত রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাবিকে ফোকাস কোচিং সেন্টার বানানোর অপচেষ্টা করছে শিবির: রাশেদ

যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:০৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

হেনরি নওয়াক হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।

তিনি বলেছেন, হেনরি নওয়াক হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের কিছু মন্তব্য যুক্তরাজ্যের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের শামিল।

যদিও ডাউনিং স্ট্রিট কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেনি, তবে বিষয়টি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া কূটনৈতিক উত্তেজনার সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

জেডি ভ্যান্সের মন্তব্যে বিতর্কের সূত্রপাত:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জেডি ভ্যান্স দাবি করেন, ইউরোপের রাজনৈতিক অভিজাতদের ‘স্ব-বিদ্বেষের রাজনীতি’ এবং ‘বিপুল অভিবাসন নীতি’ গ্রহণ না করলে হেনরি নওয়াক আজ বেঁচে থাকতে পারতেন। তিনি আরও বলেন, অনেক অভিবাসী পশ্চিমা সমাজ ও পশ্চিমাপন্থী নাগরিকদের প্রতি ‘বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব’ পোষণ করে।

এই মন্তব্যের পর ডাউনিং স্ট্রিটের একজন মুখপাত্র বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেখেছি কিছু ব্যক্তি আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছেন এবং আমাদের রাস্তায় বিভাজন উসকে দিচ্ছেন।”

তিনি আরও বলেন, “নওয়াক পরিবার তাদের সন্তানকে হারিয়ে গভীর শোকের মধ্যে রয়েছে। তারা স্পষ্টভাবে বলেছেন, এই মৃত্যুকে ঘিরে যেন কোনও ধরনের বিভাজন, ঘৃণা বা উত্তেজনা তৈরি না করা হয়। আমাদের উচিত তাদের সেই ইচ্ছাকে সম্মান করা।”

হত্যাকাণ্ড ও বিচার প্রক্রিয়া:
হেনরি নওয়াককে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ তাকে হাতকড়া পরাচ্ছে যখন তিনি মারাত্মকভাবে আহত অবস্থায় মাটিতে পড়ে ছিলেন। হামলাকারী ভিকরাম ডিগওয়া শুরুতে নওয়াকের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ তোলেন, তবে পরবর্তীতে আদালতে তিনি হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন এবং তাকে ন্যূনতম ২১ বছরের কারাদণ্ডসহ যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়।

ঘটনাটি যুক্তরাজ্যে ব্যাপক জনমত তৈরি করেছে এবং পুলিশের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি এখন স্বাধীন পুলিশ আচরণ পর্যবেক্ষণ সংস্থা তদন্ত করছে।

আন্তর্জাতিক মন্তব্যে উত্তেজনা:
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরও এক বিবৃতিতে ঘটনাটিকে ‘পশ্চিমা সভ্যতার অবক্ষয়ের’ উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে। তারা দাবি করে, ‘আদর্শিক শর্তায়ন’ এবং ‘দুই-স্তরের পুলিশিং’ পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য উদ্বেগজনক লক্ষণ।

স্টারমার পরে এলবিসি রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “পুলিশকে অবশ্যই পক্ষপাতহীনভাবে কাজ করতে হবে- কে কী বলছে বা কোন দেশ থেকে বলছে, তা বিবেচ্য নয়।” তিনি একই সঙ্গে বলেন, পুলিশের কার্যক্রম নিয়ে কঠিন প্রশ্ন তোলাও জরুরি।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও চাপ:
লিবারেল ডেমোক্র্যাট পার্টি মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তলব করার আহ্বান জানিয়েছে। দলের নেতা এড ডেভি বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে ব্রিটিশ গণতন্ত্রে আক্রমণ চালাচ্ছে এবং বিভাজন উসকে দিচ্ছে।”

ডাউনিং স্ট্রিট অবশ্য জানিয়েছে, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ রয়েছে। তবে পুলিশিং ইস্যু নিয়ে মতবিরোধ থাকলেও কূটনৈতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে তিরস্কার করা হবে কি না, সে বিষয়ে তারা কোনও মন্তব্য করেনি।

দুই-স্তরের পুলিশিং বিতর্ক:
নওয়াক হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে কিছু ডানপন্থী রাজনৈতিক নেতা ও ভাষ্যকার অভিযোগ তুলেছেন যে যুক্তরাজ্যে ‘দুই-স্তরের পুলিশিং’ বিদ্যমান- অর্থাৎ পরিচয় বা আদর্শের ভিত্তিতে পুলিশের আচরণ ভিন্ন হয়।

এই বিতর্কে এক্সের মালিক ইলন মাস্ক এবং রিফর্ম ইউকে নেতা নাইজেল ফারাজও মন্তব্য করেন। তারা ঘটনাটিকে শ্বেতাঙ্গ নাগরিকদের প্রতি বৈষম্যের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করেন। তবে সমালোচকেরা এসব মন্তব্যকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছেন।

যুক্তরাজ্যের উপপ্রধানমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি স্কাই নিউজকে বলেন, তিনি নওয়াক পরিবারের প্রতি মার্কিন সরকারের সমবেদনা স্বাগত জানান, তবে ‘যুক্তরাজ্যে দুই-স্তরের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থা আছে’-এমন ধারণা তিনি স্বীকার করেন না।

স্টারমারের অবস্থান ও তদন্ত:
প্রধানমন্ত্রী স্টারমার ইতোমধ্যে হেনরি নওয়াকের পরিবারের সঙ্গে ডাউনিং স্ট্রিটে বৈঠক করেছেন। তিনি জানান, হ্যাম্পশায়ার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে এবং ‘ভুল সংশোধনে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে’।

এছাড়া পুলিশ আচরণবিষয়ক স্বাধীন সংস্থা ঘটনাটির তদন্ত করছে, বিশেষ করে আহতাবস্থায় নওয়াককে হাতকড়া পরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে।

ঘটনাটি এখন শুধু একটি ফৌজদারি মামলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সম্পর্ক, অভিবাসন নীতি এবং পুলিশিং সংক্রান্ত রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।