ঢাকা ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় ২৯ অক্টোবর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলার রায় আগামী ২৯ অক্টোবর ঘোষণা করা হবে।

ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জাহিদুল কবির সোমবার মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু। তাকে সহযোগিতা করেন সাইফুল ইসলাম হেলাল, মাহফুজুর রহমান, বিপুল চন্দ্র দেবনাথ প্রমুখ।

পরে আবদুল্লাহ আবু সাংবাদিকদের জানান, ২৮ বছর আগে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বিস্ফোরক আইনে করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য ২৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। এর আগে রোববার পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের অস্থায়ী এজলাসের একই বিচারক একই অভিযোগে দায়ের করা আরেক মামলার রায় ২৯ অক্টোবর ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন।

১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। তিনি তখন ওই বাসাতেই থাকতেন এবং ঘটনার সময় ওই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। এ ঘটনার পর বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা করেন। মামলায় ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিত গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং হামলাকারীরা তখন ‘কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। মামলাটি তদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচারকাজ শুরু হয়। ১২ আসামির মধ্যে কারাগারে থাকা চারজন হলেন- গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ। জামিনে থাকা চারজন হলেন গাজী ইমাম হোসেন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, মিজানুর রহমান, হুমায়ান কবির, শাজাহান বালু এবং পলাতক তিনজন হলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রশীদ, জাফর আহম্মদ ও এইচ কবির।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় ২৯ অক্টোবর

আপডেট সময় ০১:১১:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলার রায় আগামী ২৯ অক্টোবর ঘোষণা করা হবে।

ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জাহিদুল কবির সোমবার মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু। তাকে সহযোগিতা করেন সাইফুল ইসলাম হেলাল, মাহফুজুর রহমান, বিপুল চন্দ্র দেবনাথ প্রমুখ।

পরে আবদুল্লাহ আবু সাংবাদিকদের জানান, ২৮ বছর আগে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বিস্ফোরক আইনে করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য ২৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। এর আগে রোববার পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের অস্থায়ী এজলাসের একই বিচারক একই অভিযোগে দায়ের করা আরেক মামলার রায় ২৯ অক্টোবর ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন।

১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। তিনি তখন ওই বাসাতেই থাকতেন এবং ঘটনার সময় ওই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। এ ঘটনার পর বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা করেন। মামলায় ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিত গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং হামলাকারীরা তখন ‘কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। মামলাটি তদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচারকাজ শুরু হয়। ১২ আসামির মধ্যে কারাগারে থাকা চারজন হলেন- গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ। জামিনে থাকা চারজন হলেন গাজী ইমাম হোসেন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, মিজানুর রহমান, হুমায়ান কবির, শাজাহান বালু এবং পলাতক তিনজন হলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রশীদ, জাফর আহম্মদ ও এইচ কবির।