ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

‘কঠিন সময়ে মনোবল শক্ত রাখার মন্ত্র সাকিব ভাইয়ের কাছ থেকেই শেখা’:তাইজুল ইসলাম

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

পাকিস্তানের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন তাইজুল ইসলাম। সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে একাই ৬ উইকেট নিয়ে সফরকারীদের ধসিয়ে দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি টেস্ট ক্রিকেট ও নিজের ক্যারিয়ারের বিভিন্ন দিক নিয়ে মুখোমুখি হয়েছিলেন ‘সমকাল’-এর। বিশেষ এই সাক্ষাৎকারে তাইজুল খোলামেলা কথা বলেছেন সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান প্রসঙ্গে।

মাঠের ভেতরে সাকিবের সঙ্গে তার বোঝাপড়া কেমন ছিল, তা নিয়ে তাইজুল বলেন, ‘সাকিব ভাইয়ের যেটা আছে, আমার সেটা নেই। যার যেটা ভালো, সেটা শেয়ার হতো। এটাই নিয়ম। আমি যেটা ভালো পারি, সেটা অন্যে নাও পারতে পারে। আমি তাঁর কাছে জানতে চেয়েছি এই জিনিসগুলো কীভাবে করলে ভালো। একইভাবে সাকিব ভাইও কখনও কখনও আমার কাছে কিছু বিষয় জানতে চাইতেন।’

এরকম আলোচনাকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে তাইজুল আরও বলেন, ‘এই আলোচনাগুলো ইতিবাচক, অনেক কিছু জানা যায় এবং শেখা যায়। ক্যারিয়ার বড় করার জন্য প্রক্রিয়াগুলো শেয়ার করলে ভালো। আমি মনে করি প্রত্যেক খেলোয়াড়ের উচিত নিজেদের ভালো দিকগুলো আদান-প্রদান করা। তাহলে ভালো করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।’

সাকিব আল হাসান কীভাবে সতীর্থদের সহযোগিতা করতেন, সেই স্মৃতিও রোমন্থন করেন তাইজুল। তিনি জানান, সাকিবকে মুখে বলে কাউকে উজ্জীবিত করতে হতো না, তার শারীরিক ভাষাই দলের জন্য যথেষ্ট ছিল।

তাইজুলের ভাষ্য, ‘সাকিব ভাইয়ের মানসিক দৃঢ়তা সবাইকে উজ্জীবিত করত। তাঁকে কিছু বলতে হতো না, তাকে দেখেই শেখা যেত। এটি দলকে কীভাবে চাঙা করা যায়, সেগুলো তিনি ভালো পারতেন। তার কাছ থেকে আমরা শিখেছি কঠিন সময়ে কীভাবে মনোবল শক্ত রাখতে হয়।’

বাংলাদেশ জাতীয় দলে গত কয়েক বছরে ড্যানিয়েল ভেট্টরি, রঙ্গনা হেরাথ বা মুশতাক আহমেদের মতো কিংবদন্তি স্পিনাররা স্পিন কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাদের কাছ থেকে কতটুকু উপকার পেয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তাইজুল জানান, সবার অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি যত কোচের সঙ্গে কাজ করেছি, সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল। সবার কাছ থেকে ভালোটা নেওয়ার চেষ্টা করেছি। সুনীল জোশি থেকে শুরু করে ভেট্টরি, রঙ্গনা হেরাথ, মুস্তাক ভাই যারাই ছিলেন, সবার মধ্যে বিশেষত্ব ছিল। তারা অনেক পথ পাড়ি দিয়ে এসেছেন। তাদের সেই অভিজ্ঞতাগুলো নেওয়ার চেষ্টা করেছি। যেটা আমাকে সাহসী করেছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

‘কঠিন সময়ে মনোবল শক্ত রাখার মন্ত্র সাকিব ভাইয়ের কাছ থেকেই শেখা’:তাইজুল ইসলাম

আপডেট সময় ০৫:৪৫:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

পাকিস্তানের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন তাইজুল ইসলাম। সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে একাই ৬ উইকেট নিয়ে সফরকারীদের ধসিয়ে দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি টেস্ট ক্রিকেট ও নিজের ক্যারিয়ারের বিভিন্ন দিক নিয়ে মুখোমুখি হয়েছিলেন ‘সমকাল’-এর। বিশেষ এই সাক্ষাৎকারে তাইজুল খোলামেলা কথা বলেছেন সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান প্রসঙ্গে।

মাঠের ভেতরে সাকিবের সঙ্গে তার বোঝাপড়া কেমন ছিল, তা নিয়ে তাইজুল বলেন, ‘সাকিব ভাইয়ের যেটা আছে, আমার সেটা নেই। যার যেটা ভালো, সেটা শেয়ার হতো। এটাই নিয়ম। আমি যেটা ভালো পারি, সেটা অন্যে নাও পারতে পারে। আমি তাঁর কাছে জানতে চেয়েছি এই জিনিসগুলো কীভাবে করলে ভালো। একইভাবে সাকিব ভাইও কখনও কখনও আমার কাছে কিছু বিষয় জানতে চাইতেন।’

এরকম আলোচনাকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে তাইজুল আরও বলেন, ‘এই আলোচনাগুলো ইতিবাচক, অনেক কিছু জানা যায় এবং শেখা যায়। ক্যারিয়ার বড় করার জন্য প্রক্রিয়াগুলো শেয়ার করলে ভালো। আমি মনে করি প্রত্যেক খেলোয়াড়ের উচিত নিজেদের ভালো দিকগুলো আদান-প্রদান করা। তাহলে ভালো করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।’

সাকিব আল হাসান কীভাবে সতীর্থদের সহযোগিতা করতেন, সেই স্মৃতিও রোমন্থন করেন তাইজুল। তিনি জানান, সাকিবকে মুখে বলে কাউকে উজ্জীবিত করতে হতো না, তার শারীরিক ভাষাই দলের জন্য যথেষ্ট ছিল।

তাইজুলের ভাষ্য, ‘সাকিব ভাইয়ের মানসিক দৃঢ়তা সবাইকে উজ্জীবিত করত। তাঁকে কিছু বলতে হতো না, তাকে দেখেই শেখা যেত। এটি দলকে কীভাবে চাঙা করা যায়, সেগুলো তিনি ভালো পারতেন। তার কাছ থেকে আমরা শিখেছি কঠিন সময়ে কীভাবে মনোবল শক্ত রাখতে হয়।’

বাংলাদেশ জাতীয় দলে গত কয়েক বছরে ড্যানিয়েল ভেট্টরি, রঙ্গনা হেরাথ বা মুশতাক আহমেদের মতো কিংবদন্তি স্পিনাররা স্পিন কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাদের কাছ থেকে কতটুকু উপকার পেয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তাইজুল জানান, সবার অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি যত কোচের সঙ্গে কাজ করেছি, সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল। সবার কাছ থেকে ভালোটা নেওয়ার চেষ্টা করেছি। সুনীল জোশি থেকে শুরু করে ভেট্টরি, রঙ্গনা হেরাথ, মুস্তাক ভাই যারাই ছিলেন, সবার মধ্যে বিশেষত্ব ছিল। তারা অনেক পথ পাড়ি দিয়ে এসেছেন। তাদের সেই অভিজ্ঞতাগুলো নেওয়ার চেষ্টা করেছি। যেটা আমাকে সাহসী করেছে।’