ঢাকা ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

শসা নাকি গোলাপ জল-রোদে পোড়া ত্বকে কোনটা বেশি উপকারী?

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

তীব্র রোদে ত্বক পুড়ে কালচে হয়ে যায়। এ সময় অনেকেই ত্বকের যত্নে ফেস মিস্ট, টোনার, সানস্ক্রিনের মতো পণ্য ব্যবহার করেন। কেউ কেউ ঘরোয়া উপাদান হিসেবে গোলাপ জল আর শসা ব্যবহার করেন। দুটি উপাদানই ত্বকের জন্য উপকারী। তবে রোদে পোড়া দাগ দূর করতে কোনটি বেশি কার্যকর তা নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে ‘এই সময়ে’র এক প্রতিবেদনে।

গোলাপ জলের ব্যবহার:
ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে গোলাপ জলের তুলনা নেই। এটি প্রাকৃতিক টোনার হিসেবেও কাজ করে। নিয়মিত গোলাপ জল মাখলে ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য বজায় থাকে। এর ফলে ত্বক তৈলাক্ত বা শুষ্ক হয়ে ওঠে না, টানটানও থাকে। ত্বকের প্রদাহ কমাতেও সাহায্য করে গোলাপ জল।

শসার রসের ব্যবহার:
গরমের দিনে ত্বকে স্বস্তি দেয় শসার রস। এতে থাকা কুলিং এজেন্ট মুহূর্তের মধ্যে ত্বককে সতেজ করে তোলে। ত্বকের জ্বালা ভাব কমিয়ে শীতলতা এনে দেয়। এর পাশাপাশি ত্বকের আর্দ্রতাও বজায় রাখে শসা। এ ছাড়া শসায় থাকা অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান ত্বকের প্রদাহ কমায়। এই প্রাকৃতিক উপাদানটি সংবেদনশীল কিংবা শুষ্ক, যে কোনও ত্বকে ব্যবহার করা যায়।

শসা নাকি গোলাপ জল?
শসা এবং গোলাপ জল দুটোই ত্বকের জন্যে উপকারী। তবে সঠিকভাবে ব্যবহারের নিয়ম জানাটা জরুরি। রোদ ত্বক পুড়ে গেলে বাড়ি ফিরেই শসার রস লাগাতে পারেন। এতে ত্বকের জ্বালা-পোড়া বা চুলকানি কমবে। ত্বকে আরাম লাগবে।

তবে দৈনিক রূপচর্চায় গোলাপ জল রাখতে পারেন। টোনার হিসেবে এটি ব্যবহার করতে পারেন। নিয়মিত গোলাপ জল ব্যবহারে ত্বক পরিষ্কার এবং সুস্থ থাকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

শসা নাকি গোলাপ জল-রোদে পোড়া ত্বকে কোনটা বেশি উপকারী?

আপডেট সময় ১১:১০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

তীব্র রোদে ত্বক পুড়ে কালচে হয়ে যায়। এ সময় অনেকেই ত্বকের যত্নে ফেস মিস্ট, টোনার, সানস্ক্রিনের মতো পণ্য ব্যবহার করেন। কেউ কেউ ঘরোয়া উপাদান হিসেবে গোলাপ জল আর শসা ব্যবহার করেন। দুটি উপাদানই ত্বকের জন্য উপকারী। তবে রোদে পোড়া দাগ দূর করতে কোনটি বেশি কার্যকর তা নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে ‘এই সময়ে’র এক প্রতিবেদনে।

গোলাপ জলের ব্যবহার:
ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে গোলাপ জলের তুলনা নেই। এটি প্রাকৃতিক টোনার হিসেবেও কাজ করে। নিয়মিত গোলাপ জল মাখলে ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য বজায় থাকে। এর ফলে ত্বক তৈলাক্ত বা শুষ্ক হয়ে ওঠে না, টানটানও থাকে। ত্বকের প্রদাহ কমাতেও সাহায্য করে গোলাপ জল।

শসার রসের ব্যবহার:
গরমের দিনে ত্বকে স্বস্তি দেয় শসার রস। এতে থাকা কুলিং এজেন্ট মুহূর্তের মধ্যে ত্বককে সতেজ করে তোলে। ত্বকের জ্বালা ভাব কমিয়ে শীতলতা এনে দেয়। এর পাশাপাশি ত্বকের আর্দ্রতাও বজায় রাখে শসা। এ ছাড়া শসায় থাকা অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান ত্বকের প্রদাহ কমায়। এই প্রাকৃতিক উপাদানটি সংবেদনশীল কিংবা শুষ্ক, যে কোনও ত্বকে ব্যবহার করা যায়।

শসা নাকি গোলাপ জল?
শসা এবং গোলাপ জল দুটোই ত্বকের জন্যে উপকারী। তবে সঠিকভাবে ব্যবহারের নিয়ম জানাটা জরুরি। রোদ ত্বক পুড়ে গেলে বাড়ি ফিরেই শসার রস লাগাতে পারেন। এতে ত্বকের জ্বালা-পোড়া বা চুলকানি কমবে। ত্বকে আরাম লাগবে।

তবে দৈনিক রূপচর্চায় গোলাপ জল রাখতে পারেন। টোনার হিসেবে এটি ব্যবহার করতে পারেন। নিয়মিত গোলাপ জল ব্যবহারে ত্বক পরিষ্কার এবং সুস্থ থাকে।