ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল জামায়াত যেদিন লোগো থেকে আকিমুদ দ্বীন উঠিয়েছে সেদিনই তারা পরাজিত: চরমোনাই পীর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নাগরিক সেবার মান বাড়াতে কাজ করছে সরকার: ডিএসসিসি প্রশাসক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: এমপি ফয়সল জেনার সাথে জড়িত প্রমাণ হলে এমপির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক: হারুনুর রশিদ বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার: জ্বালানিমন্ত্রী বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ দেশের সব মানুষের অভিন্ন পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জ্বালানি তেল নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে: জ্বালানি বিভাগ নৈতিক স্খলন প্রমাণিত, জামায়াতের এমপি নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার টাঙ্গাইলে পৃথক হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড

টঙ্গীতে হোটেলে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গাজীপুরের টঙ্গীতে জাবান হোটেল অ্যান্ড বারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় হোটেলের দুই কর্মচারী ও এক এলাকাবাসী এবং তিন কিশোর গ্যাং সদস্য আহত হয়েছেন।

আহতরা হলেন- জাবান হোটেলের নিরাপত্তাকর্মী দারুল (২৮), কর্মচারী রাসেল (২৬) ও এলাকাবাসী শ্যামল (৪০)।

অপরদিকে এলাকাবাসী ও হোটেল কর্মচারীদের পিটুনিতে টঙ্গীর কিশোর গ্যাং লিডার ভাদাইম্মা সবুজ (৩০), জাকির ও সানি আহত হন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোরে টঙ্গীর আমতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পোঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

হোটেল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোররাতে হোটেল বন্ধের প্রাক্কালে জোরপূর্বক হোটেলে প্রবেশের চেষ্টা করেন সোহেল, রুম্মান ও সানি নামের তিন ব্যক্তি। এ সময় নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বাধা দিলে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তাদের ফোনে টঙ্গী পূর্ব আরিচপুর এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং লিডার সবুজ ওরফে ভাদাইম্মা সবুজের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী হোটেলের সামনে উপস্থিত হয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেলসদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। এতে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরে প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের প্রতিরোধ করতে গেলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে গুরুতর আহত হন টঙ্গী পূর্ব আরিচপুর বৌবাজার এলাকার ভাদাইম্মা সবুজ, তার সহযোগী জাকির ও ঢাকার উত্তরার কিশোর গ্যাং লিডার সানি। এ সময় কিশোরগ্যাং সদস্যদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হোটেল কর্মচারী রাসেল, ককটেলের আঘাতে এলাকাবাসী শ্যামল ও মারধরে হোটেলের সিকিউরিটি গার্ড দারুল আহত হন।

পরে তাদের উদ্ধার করে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ভাদাইম্মা সবুজ ও জাকিরকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠায়।

এ বিষয়ে জাবান হোটেলের মালিক সায়মন খান বলেন, উত্তরার কিশোর গ্যাং লিডার সানি এবং টঙ্গীর কিশোর গ্যাং লিডার ভাদাইম্মা সবুজের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন ভোররাতে হোটেলে হামলা চালায়। এ সময় তারা আমার সিকিউরিটি গার্ড ও কর্মচারীদের মারধর করে ককটেল বিস্ফারণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রেরণ করা হয়েছিল। বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলেও কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল

টঙ্গীতে হোটেলে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৬

আপডেট সময় ০৬:৪৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গাজীপুরের টঙ্গীতে জাবান হোটেল অ্যান্ড বারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় হোটেলের দুই কর্মচারী ও এক এলাকাবাসী এবং তিন কিশোর গ্যাং সদস্য আহত হয়েছেন।

আহতরা হলেন- জাবান হোটেলের নিরাপত্তাকর্মী দারুল (২৮), কর্মচারী রাসেল (২৬) ও এলাকাবাসী শ্যামল (৪০)।

অপরদিকে এলাকাবাসী ও হোটেল কর্মচারীদের পিটুনিতে টঙ্গীর কিশোর গ্যাং লিডার ভাদাইম্মা সবুজ (৩০), জাকির ও সানি আহত হন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোরে টঙ্গীর আমতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পোঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

হোটেল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোররাতে হোটেল বন্ধের প্রাক্কালে জোরপূর্বক হোটেলে প্রবেশের চেষ্টা করেন সোহেল, রুম্মান ও সানি নামের তিন ব্যক্তি। এ সময় নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বাধা দিলে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তাদের ফোনে টঙ্গী পূর্ব আরিচপুর এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং লিডার সবুজ ওরফে ভাদাইম্মা সবুজের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী হোটেলের সামনে উপস্থিত হয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেলসদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। এতে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরে প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের প্রতিরোধ করতে গেলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে গুরুতর আহত হন টঙ্গী পূর্ব আরিচপুর বৌবাজার এলাকার ভাদাইম্মা সবুজ, তার সহযোগী জাকির ও ঢাকার উত্তরার কিশোর গ্যাং লিডার সানি। এ সময় কিশোরগ্যাং সদস্যদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হোটেল কর্মচারী রাসেল, ককটেলের আঘাতে এলাকাবাসী শ্যামল ও মারধরে হোটেলের সিকিউরিটি গার্ড দারুল আহত হন।

পরে তাদের উদ্ধার করে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ভাদাইম্মা সবুজ ও জাকিরকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠায়।

এ বিষয়ে জাবান হোটেলের মালিক সায়মন খান বলেন, উত্তরার কিশোর গ্যাং লিডার সানি এবং টঙ্গীর কিশোর গ্যাং লিডার ভাদাইম্মা সবুজের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন ভোররাতে হোটেলে হামলা চালায়। এ সময় তারা আমার সিকিউরিটি গার্ড ও কর্মচারীদের মারধর করে ককটেল বিস্ফারণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রেরণ করা হয়েছিল। বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলেও কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে।