ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রাজধানীতে ‘আবাসিক হোটেলে’ ফের অভিযান, নারীসহ আটক ৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজধানীর ডেমরায় প্রিয়তমা আবাসিক হোটেলে ফের অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে নারীসহ ৪ জনকে আটক করেছে ডেমরা থানা পুলিশ।

সোমবার (১১ মে) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মিরপাড়া মোড়ে অবস্থিত ওই আবাসিক হোটেলের ২০২ ও ২০৪ নম্বর কক্ষ থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁও বারদী এলাকার মৃত দাইয়ানের ছেলে মো. রকি (২৭), একই থানার আনন্দবাজার এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. শান্ত (২৬), ঢাকা কদমতলী জুরাইন এলাকার মৃত শরিফের মেয়ে জান্নাত (১৯), ও ঢাকা খিলগাঁও মাদারটেক রেলগেট এলাকার আবুল হাশেমের মেয়ে মীম আক্তার (২৭)।

এ বিষয়ে ডেমরা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃতদের সোমবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ডেমরা থানার ওসি তাইফুর রহমান মির্জা বলেন, প্রিয়তমা আবাসিক হোটেলে গত কয়েক বছর ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ। এর আগেও বেশ কয়েকবার ওই হোটেলে পুলিশের একাধিক অভিযানে কয়েকজনকে গ্ৰেফতার করা হয়েছে। ওই হোটেলের বিরুদ্ধে ডেমরা থানায় মামলাও করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ওই হোটেলের ২টি কক্ষ থেকে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, এই হোটেলে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিল। ডেমরা থানার পাশেই এই হোটেলে অবৈধ কাজ করে আসছিলেন তারা। এখানে মাদক ও জুয়ার আসর বসে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে ডেমরার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, এ আবাসিক হোটেলের কারণে সামাজিক অবক্ষয় ক্রমেই বাড়ছে। নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে মাদকাসক্ত তরুণরাও। এছাড়াও যুবক ও বয়স্ক লোকরাও থেমে নেই। এতে করে ডেমরা থানা এলাকার অনেক পরিবারে কলহ লেগেই থাকে। কিছুদিন পর পর পুলিশের অভিযান চললেও পরে আবার হোটেল কর্তৃপক্ষরা অসামাজিক কাজ শুরু করে। দুঃখের বিষয় হলো স্থায়ীভাবে এই হোটেলটি বন্ধ করছে না প্রশাসন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রাজধানীতে ‘আবাসিক হোটেলে’ ফের অভিযান, নারীসহ আটক ৪

আপডেট সময় ০৬:৪৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজধানীর ডেমরায় প্রিয়তমা আবাসিক হোটেলে ফের অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে নারীসহ ৪ জনকে আটক করেছে ডেমরা থানা পুলিশ।

সোমবার (১১ মে) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মিরপাড়া মোড়ে অবস্থিত ওই আবাসিক হোটেলের ২০২ ও ২০৪ নম্বর কক্ষ থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁও বারদী এলাকার মৃত দাইয়ানের ছেলে মো. রকি (২৭), একই থানার আনন্দবাজার এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. শান্ত (২৬), ঢাকা কদমতলী জুরাইন এলাকার মৃত শরিফের মেয়ে জান্নাত (১৯), ও ঢাকা খিলগাঁও মাদারটেক রেলগেট এলাকার আবুল হাশেমের মেয়ে মীম আক্তার (২৭)।

এ বিষয়ে ডেমরা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃতদের সোমবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ডেমরা থানার ওসি তাইফুর রহমান মির্জা বলেন, প্রিয়তমা আবাসিক হোটেলে গত কয়েক বছর ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ। এর আগেও বেশ কয়েকবার ওই হোটেলে পুলিশের একাধিক অভিযানে কয়েকজনকে গ্ৰেফতার করা হয়েছে। ওই হোটেলের বিরুদ্ধে ডেমরা থানায় মামলাও করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ওই হোটেলের ২টি কক্ষ থেকে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, এই হোটেলে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিল। ডেমরা থানার পাশেই এই হোটেলে অবৈধ কাজ করে আসছিলেন তারা। এখানে মাদক ও জুয়ার আসর বসে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে ডেমরার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, এ আবাসিক হোটেলের কারণে সামাজিক অবক্ষয় ক্রমেই বাড়ছে। নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে মাদকাসক্ত তরুণরাও। এছাড়াও যুবক ও বয়স্ক লোকরাও থেমে নেই। এতে করে ডেমরা থানা এলাকার অনেক পরিবারে কলহ লেগেই থাকে। কিছুদিন পর পর পুলিশের অভিযান চললেও পরে আবার হোটেল কর্তৃপক্ষরা অসামাজিক কাজ শুরু করে। দুঃখের বিষয় হলো স্থায়ীভাবে এই হোটেলটি বন্ধ করছে না প্রশাসন।