ঢাকা ০২:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দেশবাসীকে শরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতের আমির ৪১৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বৈঠক ভবিষ্যতে বিশ্বে শোষণ নীতির জায়গা হবে না: ইরানের প্রেসিডেন্ট জুলাই সনদ নিয়ে ছলচাতুরী করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন রিফাতের তৈরি গাড়িতে ঘুরলেন প্রধানমন্ত্রী রাজনীতির নামে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ধর্মীয় ভণ্ডামি কখনোই নতুন রাজনীতি হতে পারেনা: রাশেদ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী হাসিনা দিয়েছিল যাবজ্জীবন সাজা, আর আল্লাহ বানালেন মন্ত্রী: ধর্মমন্ত্রী তিন সন্তানকে বাঁচিয়ে আগুনে পুড়ে মারা গেলেন স্বামী-স্ত্রী

৪১৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

মিরপুর টেস্টে শক্ত ভিত গড়েও দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটা নিজেদের মতো করে শেষ করতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে শেষদিকে তাসকিন আহমেদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকরা।

শনিবার সকালে ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ। আগের দিনের দাপুটে ব্যাটিংয়ের ধার ধরে রাখার আশা থাকলেও পাকিস্তানি পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে টাইগাররা। দ্বিতীয় দিনের দেড় সেশনে মাত্র ১১২ রান যোগ করতেই শেষ ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ অবদান আসে অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে। নিজের ৩৯তম জন্মদিনে তিনি খেলেন ১৭৯ বলে ৭১ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস। আটটি চারে সাজানো এই ইনিংসটি ছিল তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৯তম হাফসেঞ্চুরি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪২টি পঞ্চাশোর্ধ টেস্ট ইনিংসের নতুন রেকর্ডও গড়েন তিনি।

সকালে মুশফিককে ভালো সঙ্গ দেন লিটন দাস। শাহিন শাহ আফ্রিদির এক ওভারে টানা তিনটি চার মেরে দারুণ ছন্দে ছিলেন তিনি। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি। মুহাম্মদ আব্বাসের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ৬৭ বলে ৩৩ রানে বিদায় নেন লিটন।

এরপর দ্রুত ফিরে যান মেহেদি হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। মিরাজ ১০ এবং তাইজুল ১৭ রান করেন। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পরপরই শাহিন আফ্রিদির ভেতরে ঢোকা দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হন মুশফিক। এরপর শূন্য রানে আউট হন এবাদত হোসেন।

বাংলাদেশের ইনিংসকে চারশর গণ্ডি পার করান মূলত তাসকিন আহমেদ। নিচের সারিতে নেমে ১৯ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। তিনটি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে পাকিস্তানের সেরা বোলার আব্বাসকে ছক্কা হাঁকিয়ে দলীয় স্কোর চারশ পার করেন তাসকিন।

পাকিস্তানের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন মুহাম্মদ আব্বাস। ডানহাতি এই পেসার ৩৪ ওভারে ৯২ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার ষষ্ঠ ফাইফার। আর শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৩ উইকেট।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হজযাত্রীদের ২৪ ঘণ্টা ১১ ভাষায় সেবা দেবে সৌদি আরব

৪১৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০২:১৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

মিরপুর টেস্টে শক্ত ভিত গড়েও দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটা নিজেদের মতো করে শেষ করতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে শেষদিকে তাসকিন আহমেদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকরা।

শনিবার সকালে ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ। আগের দিনের দাপুটে ব্যাটিংয়ের ধার ধরে রাখার আশা থাকলেও পাকিস্তানি পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে টাইগাররা। দ্বিতীয় দিনের দেড় সেশনে মাত্র ১১২ রান যোগ করতেই শেষ ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ অবদান আসে অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে। নিজের ৩৯তম জন্মদিনে তিনি খেলেন ১৭৯ বলে ৭১ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস। আটটি চারে সাজানো এই ইনিংসটি ছিল তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৯তম হাফসেঞ্চুরি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪২টি পঞ্চাশোর্ধ টেস্ট ইনিংসের নতুন রেকর্ডও গড়েন তিনি।

সকালে মুশফিককে ভালো সঙ্গ দেন লিটন দাস। শাহিন শাহ আফ্রিদির এক ওভারে টানা তিনটি চার মেরে দারুণ ছন্দে ছিলেন তিনি। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি। মুহাম্মদ আব্বাসের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ৬৭ বলে ৩৩ রানে বিদায় নেন লিটন।

এরপর দ্রুত ফিরে যান মেহেদি হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। মিরাজ ১০ এবং তাইজুল ১৭ রান করেন। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পরপরই শাহিন আফ্রিদির ভেতরে ঢোকা দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হন মুশফিক। এরপর শূন্য রানে আউট হন এবাদত হোসেন।

বাংলাদেশের ইনিংসকে চারশর গণ্ডি পার করান মূলত তাসকিন আহমেদ। নিচের সারিতে নেমে ১৯ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। তিনটি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে পাকিস্তানের সেরা বোলার আব্বাসকে ছক্কা হাঁকিয়ে দলীয় স্কোর চারশ পার করেন তাসকিন।

পাকিস্তানের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন মুহাম্মদ আব্বাস। ডানহাতি এই পেসার ৩৪ ওভারে ৯২ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার ষষ্ঠ ফাইফার। আর শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৩ উইকেট।