ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

৪১৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

মিরপুর টেস্টে শক্ত ভিত গড়েও দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটা নিজেদের মতো করে শেষ করতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে শেষদিকে তাসকিন আহমেদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকরা।

শনিবার সকালে ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ। আগের দিনের দাপুটে ব্যাটিংয়ের ধার ধরে রাখার আশা থাকলেও পাকিস্তানি পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে টাইগাররা। দ্বিতীয় দিনের দেড় সেশনে মাত্র ১১২ রান যোগ করতেই শেষ ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ অবদান আসে অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে। নিজের ৩৯তম জন্মদিনে তিনি খেলেন ১৭৯ বলে ৭১ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস। আটটি চারে সাজানো এই ইনিংসটি ছিল তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৯তম হাফসেঞ্চুরি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪২টি পঞ্চাশোর্ধ টেস্ট ইনিংসের নতুন রেকর্ডও গড়েন তিনি।

সকালে মুশফিককে ভালো সঙ্গ দেন লিটন দাস। শাহিন শাহ আফ্রিদির এক ওভারে টানা তিনটি চার মেরে দারুণ ছন্দে ছিলেন তিনি। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি। মুহাম্মদ আব্বাসের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ৬৭ বলে ৩৩ রানে বিদায় নেন লিটন।

এরপর দ্রুত ফিরে যান মেহেদি হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। মিরাজ ১০ এবং তাইজুল ১৭ রান করেন। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পরপরই শাহিন আফ্রিদির ভেতরে ঢোকা দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হন মুশফিক। এরপর শূন্য রানে আউট হন এবাদত হোসেন।

বাংলাদেশের ইনিংসকে চারশর গণ্ডি পার করান মূলত তাসকিন আহমেদ। নিচের সারিতে নেমে ১৯ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। তিনটি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে পাকিস্তানের সেরা বোলার আব্বাসকে ছক্কা হাঁকিয়ে দলীয় স্কোর চারশ পার করেন তাসকিন।

পাকিস্তানের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন মুহাম্মদ আব্বাস। ডানহাতি এই পেসার ৩৪ ওভারে ৯২ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার ষষ্ঠ ফাইফার। আর শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৩ উইকেট।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

৪১৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০২:১৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

মিরপুর টেস্টে শক্ত ভিত গড়েও দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটা নিজেদের মতো করে শেষ করতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে শেষদিকে তাসকিন আহমেদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকরা।

শনিবার সকালে ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ। আগের দিনের দাপুটে ব্যাটিংয়ের ধার ধরে রাখার আশা থাকলেও পাকিস্তানি পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে টাইগাররা। দ্বিতীয় দিনের দেড় সেশনে মাত্র ১১২ রান যোগ করতেই শেষ ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ অবদান আসে অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে। নিজের ৩৯তম জন্মদিনে তিনি খেলেন ১৭৯ বলে ৭১ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস। আটটি চারে সাজানো এই ইনিংসটি ছিল তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৯তম হাফসেঞ্চুরি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪২টি পঞ্চাশোর্ধ টেস্ট ইনিংসের নতুন রেকর্ডও গড়েন তিনি।

সকালে মুশফিককে ভালো সঙ্গ দেন লিটন দাস। শাহিন শাহ আফ্রিদির এক ওভারে টানা তিনটি চার মেরে দারুণ ছন্দে ছিলেন তিনি। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি। মুহাম্মদ আব্বাসের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ৬৭ বলে ৩৩ রানে বিদায় নেন লিটন।

এরপর দ্রুত ফিরে যান মেহেদি হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। মিরাজ ১০ এবং তাইজুল ১৭ রান করেন। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পরপরই শাহিন আফ্রিদির ভেতরে ঢোকা দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হন মুশফিক। এরপর শূন্য রানে আউট হন এবাদত হোসেন।

বাংলাদেশের ইনিংসকে চারশর গণ্ডি পার করান মূলত তাসকিন আহমেদ। নিচের সারিতে নেমে ১৯ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। তিনটি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে পাকিস্তানের সেরা বোলার আব্বাসকে ছক্কা হাঁকিয়ে দলীয় স্কোর চারশ পার করেন তাসকিন।

পাকিস্তানের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন মুহাম্মদ আব্বাস। ডানহাতি এই পেসার ৩৪ ওভারে ৯২ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার ষষ্ঠ ফাইফার। আর শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৩ উইকেট।