ঢাকা ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, হটলাইন চালু করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র কারচুপির অভিযোগ,ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির আরও ৪ প্রার্থী বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত মার্কিন এফ-১৫ ফাইটার জেট, দাবি ইরানের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনায় যাবে না ইরান : লারিজানি

তালেবানও এখন ক্রিকেট খেলে, কারণ আফগানিস্তান

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শরণার্থীশিবিরের দিনগুলো বহু আগেই পেরিয়ে এসেছেন মোহাম্মদ নবী কিংবা আসগর স্টানিকজাইরা। পাকিস্তানের পেশোয়ারে ধুঁকে ধুঁকে পার করা সেই সময় পেরিয়ে এখন আভিজাত্যের দেখা পেয়েছেন আফগান ক্রিকেটাররা। একের পর এক বাধা ডিঙিয়ে টেস্ট মর্যাদা এনে দিয়েছেন দেশকে। তাঁদের এই ক্রিকেট বিপ্লব শুধু সাধারণ মানুষ নয়, মুগ্ধ করেছে উগ্র সংগঠক তালেবানকেও!

কদিন আগেই শঙ্কা জাগানো এক খবর প্রকাশিত হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়াতে তালেবানের প্রভাব নাকি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। ১৬ বছর আগে আফগানিস্তানে এই উগ্র সংগঠনকে ক্ষমতা ছাড়া করা হয়েছিল। এরপর মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে আইএসের মতো আরেকটি ভয়ংকর সংগঠন। আর সবার দৃষ্টি যখন আইএসের দিকে, তখন তালেবানও ধীরে ধীরে শীতনিদ্রা কাটিয়ে ফণা তুলতে শুরু করেছে। আফগানিস্তানের জন্য এ খবরটি ছিল ভয়ংকর।

দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ ও তালেবান শাসনের দাগ মুছে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে আফগানিস্তান। হাঁটতে শুরু করেছে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে। খেলার মাধ্যমে নিজেদের হারিয়ে ফেলা গৌরব ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে তারা। ফুটবলে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব পেয়েছে। খেলছে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়ার জন্য। ক্রিকেটের সাফল্য আরও বড়। অভিজাত শ্রেণিতে ঢুকে পড়েছে কদিন আগে।। এমন সুসময়ে তালেবান-উত্থান ভয় জাগানোর জন্য যথেষ্টই। কারণ, তালেবানের চোখে খেলাধুলা যে ধর্ম থেকে নজর অন্যদিকে নিয়ে যায়!

ক্রিকেট কিংবা ফুটবলের মতো খেলাকে তাই তারা দেখে ‘শয়তানের প্ররোচনা’ হিসেবেই। আইএস তো কিছুদিন আগে ইরাকের মসুল শহরে ফুটবল খেলাই নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। অথচ, এই ইরাক এশীয় ফুটবলের অন্যতম বড় শক্তি। ১৯৮৬ সালে এশিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বকাপের মূল পর্বেও খেলেছে তারা।
তবে ক্রিকেট নিয়ে তালেবান মনোভাব বেশ উদার। খুব সম্ভবত আফগানিস্তানের ক্রিকেট-সাফল্যই তাদের মনোভাবে পরিবর্তন এনেছে। তারা খেলাটিকে রীতিমতো ভালোবাসতে শুরু করেছে। অনেক তালেবান যোদ্ধাই নাকি সময় পেলেই ব্যাট-বল নিয়ে নেমে পড়ছে মাঠে।

কদিন আগেই বার্তা সংস্থা এএফপিকে এক তালেবান কমান্ডার জানিয়েছেন, ‘ইদানীং অনেক তালেবান রেডিওতে শুধু ক্রিকেট শোনেই না, যখনই সময় পায় নিজেরাও খেলে!’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

তালেবানও এখন ক্রিকেট খেলে, কারণ আফগানিস্তান

আপডেট সময় ০৪:১৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুলাই ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শরণার্থীশিবিরের দিনগুলো বহু আগেই পেরিয়ে এসেছেন মোহাম্মদ নবী কিংবা আসগর স্টানিকজাইরা। পাকিস্তানের পেশোয়ারে ধুঁকে ধুঁকে পার করা সেই সময় পেরিয়ে এখন আভিজাত্যের দেখা পেয়েছেন আফগান ক্রিকেটাররা। একের পর এক বাধা ডিঙিয়ে টেস্ট মর্যাদা এনে দিয়েছেন দেশকে। তাঁদের এই ক্রিকেট বিপ্লব শুধু সাধারণ মানুষ নয়, মুগ্ধ করেছে উগ্র সংগঠক তালেবানকেও!

কদিন আগেই শঙ্কা জাগানো এক খবর প্রকাশিত হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়াতে তালেবানের প্রভাব নাকি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। ১৬ বছর আগে আফগানিস্তানে এই উগ্র সংগঠনকে ক্ষমতা ছাড়া করা হয়েছিল। এরপর মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে আইএসের মতো আরেকটি ভয়ংকর সংগঠন। আর সবার দৃষ্টি যখন আইএসের দিকে, তখন তালেবানও ধীরে ধীরে শীতনিদ্রা কাটিয়ে ফণা তুলতে শুরু করেছে। আফগানিস্তানের জন্য এ খবরটি ছিল ভয়ংকর।

দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ ও তালেবান শাসনের দাগ মুছে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে আফগানিস্তান। হাঁটতে শুরু করেছে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে। খেলার মাধ্যমে নিজেদের হারিয়ে ফেলা গৌরব ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে তারা। ফুটবলে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব পেয়েছে। খেলছে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়ার জন্য। ক্রিকেটের সাফল্য আরও বড়। অভিজাত শ্রেণিতে ঢুকে পড়েছে কদিন আগে।। এমন সুসময়ে তালেবান-উত্থান ভয় জাগানোর জন্য যথেষ্টই। কারণ, তালেবানের চোখে খেলাধুলা যে ধর্ম থেকে নজর অন্যদিকে নিয়ে যায়!

ক্রিকেট কিংবা ফুটবলের মতো খেলাকে তাই তারা দেখে ‘শয়তানের প্ররোচনা’ হিসেবেই। আইএস তো কিছুদিন আগে ইরাকের মসুল শহরে ফুটবল খেলাই নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। অথচ, এই ইরাক এশীয় ফুটবলের অন্যতম বড় শক্তি। ১৯৮৬ সালে এশিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বকাপের মূল পর্বেও খেলেছে তারা।
তবে ক্রিকেট নিয়ে তালেবান মনোভাব বেশ উদার। খুব সম্ভবত আফগানিস্তানের ক্রিকেট-সাফল্যই তাদের মনোভাবে পরিবর্তন এনেছে। তারা খেলাটিকে রীতিমতো ভালোবাসতে শুরু করেছে। অনেক তালেবান যোদ্ধাই নাকি সময় পেলেই ব্যাট-বল নিয়ে নেমে পড়ছে মাঠে।

কদিন আগেই বার্তা সংস্থা এএফপিকে এক তালেবান কমান্ডার জানিয়েছেন, ‘ইদানীং অনেক তালেবান রেডিওতে শুধু ক্রিকেট শোনেই না, যখনই সময় পায় নিজেরাও খেলে!’