ঢাকা ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নির্মাতার কাণ্ডে মৌসুমীর ক্ষোভ, ওমর সানী শোনালেন কল রেকর্ড

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

দুই বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে নির্মাতা-অভিনেতা হাসান জাহাঙ্গীরের সঙ্গে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নামে একটি প্রজেক্টে কাজ করেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী। শুরুতে এটি নাটক হিসেবে নির্মাণের কথা থাকলেও পরে টেলিফিল্ম হিসেবে নির্মাণ হয়। এখন শোনা যাচ্ছে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমা হিসেবে দর্শকের সামনে আসছে।

দুদিন আগে নির্মাতা ঘোষণা দেন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড অনুমতিক্রমে আগামী ১৫ মে দেশজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’। এতেই চটেছেন মৌসুমীর স্বামী ওমর সানী। আজ সামাজিক মাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ওমর সানী। সেই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মৌসুমীও।

ভিডিও বার্তায় ওমর সানী বলেন, ‘আপনারা জানেন, মৌসুমী বেশ কয়েক বছর হল যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। সেখানে থাকা অবস্থায় মৌসুমীকে নিয়ে একটি নাটকের শুটিং করেন হাসান জাহাঙ্গীর। পরে তার টেলিফিল্ম হিসেবে চালিয়ে দেন। এখন শুনছি সেটি নাকি সিনেমা হিসেবে আসছে। এটা কীভাবে সম্ভব! আমি এটার তীব্র প্রতিবাদ করছি।’

মৌসুমীর সঙ্গে চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে ওমর সানী বলেন, ‘হাসান জাহাঙ্গীর কি মৌসুমীর সঙ্গে সিনেমার চুক্তি দেখাতে পারবেন? অবশ্যই না। এখানে চলচ্চিত্রের কোনো ফর্মুলা ব্যবহার করা হয়নি। এটি কোনোভাবেই একটি চলচ্চিত্র হতে পারে না। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো মৌসুমীকে দর্শক এভাবে দেখতে অভ্যস্ত না।’

এরপরই নিজের ফোনে মৌসুমীর কল রেকর্ড শোনান ওমর সানী। সেখানে মৌসুমীও জানান, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ এক ঘণ্টার একটা নাটক ছিল। সিনেমার বিষয়ে তার সঙ্গে কোনো কথা বা চুক্তি হয়নি।

মৌসুমীকে বলতে শোনা যায়, “যুক্তরাষ্ট্রে এসে একটি মেয়ের স্ট্রাগল টাইমের ছোট গল্প নিয়ে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নির্মাণের কথা ছিল। হাসান জাহাঙ্গীর আমাকে অনেক অনুরোধ করার পর আমি রাজি হয়েছি। শুরুতে এটা ঘণ্টার একটি নাটক ছিল। দুই দিনে শুটিং শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তিন দিন লেগে যায়। কিছুদিন পর হাসান এসে বলে, এটার শুটিং তো বেশি হয়েছে আমারা এটা টেলিফিল্মে রূপ চাই। তাতেও আমি রাজি হয়ে কাজটি শেষ করেছি।”

সম্প্রতি ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমা হিসেবে মুক্তির কথা শুনে অবাক হয়েছেন মৌসুমী। সেই সঙ্গে এমন একটি কনটেন্ট সেন্সর সার্টিফিকেশন বোর্ডে পাশ হওয়ায় কিছুটা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নব্বই দশকের এই জনপ্রিয় নায়িকা।

মৌসুমী বলেন, “ইদানিং খবরে দেখছি ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নাকি সিনেমা হিসেবে আসছে। বিষয়টি শুনে অবাক হয়েছি। বোর্ডে এটাকে কীভাবে সেন্সর সার্টিফিকেশন দিল। তার চেয়ে বড় কথা হলো, আমি যেখানে সিনেমাই করি না, সেখানে এরকম একটা গল্প দিয়ে আমাকে হুট পর্দায় নিয়ে আসা যুক্তিসংগত বলে মনে কারি না। আমি তো জানিই না ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’- এর আগে-পিয়ে কী আছে। নির্মাতা ও প্রযোজকের কাছে এটা আমি মোটেই আশা করিনি।”

মৌসুমী বলেন, ‘এমন অবস্থায় সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়া উচিত কিনা তা দূর দেশ থেকে বুঝতে পারছি না। আমার মতে এটি সিনেমা হিসেবে মুক্তি না পাক। তার পরও বাংলাশের চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি, পরিচালক সমিতি ও প্রযোজক সমিতিসহ যারা আছেন তারা যেন বিষয়টি বিবেচনা করেন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

নির্মাতার কাণ্ডে মৌসুমীর ক্ষোভ, ওমর সানী শোনালেন কল রেকর্ড

আপডেট সময় ০৭:১০:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

দুই বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে নির্মাতা-অভিনেতা হাসান জাহাঙ্গীরের সঙ্গে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নামে একটি প্রজেক্টে কাজ করেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী। শুরুতে এটি নাটক হিসেবে নির্মাণের কথা থাকলেও পরে টেলিফিল্ম হিসেবে নির্মাণ হয়। এখন শোনা যাচ্ছে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমা হিসেবে দর্শকের সামনে আসছে।

দুদিন আগে নির্মাতা ঘোষণা দেন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড অনুমতিক্রমে আগামী ১৫ মে দেশজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’। এতেই চটেছেন মৌসুমীর স্বামী ওমর সানী। আজ সামাজিক মাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ওমর সানী। সেই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মৌসুমীও।

ভিডিও বার্তায় ওমর সানী বলেন, ‘আপনারা জানেন, মৌসুমী বেশ কয়েক বছর হল যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। সেখানে থাকা অবস্থায় মৌসুমীকে নিয়ে একটি নাটকের শুটিং করেন হাসান জাহাঙ্গীর। পরে তার টেলিফিল্ম হিসেবে চালিয়ে দেন। এখন শুনছি সেটি নাকি সিনেমা হিসেবে আসছে। এটা কীভাবে সম্ভব! আমি এটার তীব্র প্রতিবাদ করছি।’

মৌসুমীর সঙ্গে চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে ওমর সানী বলেন, ‘হাসান জাহাঙ্গীর কি মৌসুমীর সঙ্গে সিনেমার চুক্তি দেখাতে পারবেন? অবশ্যই না। এখানে চলচ্চিত্রের কোনো ফর্মুলা ব্যবহার করা হয়নি। এটি কোনোভাবেই একটি চলচ্চিত্র হতে পারে না। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো মৌসুমীকে দর্শক এভাবে দেখতে অভ্যস্ত না।’

এরপরই নিজের ফোনে মৌসুমীর কল রেকর্ড শোনান ওমর সানী। সেখানে মৌসুমীও জানান, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ এক ঘণ্টার একটা নাটক ছিল। সিনেমার বিষয়ে তার সঙ্গে কোনো কথা বা চুক্তি হয়নি।

মৌসুমীকে বলতে শোনা যায়, “যুক্তরাষ্ট্রে এসে একটি মেয়ের স্ট্রাগল টাইমের ছোট গল্প নিয়ে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নির্মাণের কথা ছিল। হাসান জাহাঙ্গীর আমাকে অনেক অনুরোধ করার পর আমি রাজি হয়েছি। শুরুতে এটা ঘণ্টার একটি নাটক ছিল। দুই দিনে শুটিং শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তিন দিন লেগে যায়। কিছুদিন পর হাসান এসে বলে, এটার শুটিং তো বেশি হয়েছে আমারা এটা টেলিফিল্মে রূপ চাই। তাতেও আমি রাজি হয়ে কাজটি শেষ করেছি।”

সম্প্রতি ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমা হিসেবে মুক্তির কথা শুনে অবাক হয়েছেন মৌসুমী। সেই সঙ্গে এমন একটি কনটেন্ট সেন্সর সার্টিফিকেশন বোর্ডে পাশ হওয়ায় কিছুটা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নব্বই দশকের এই জনপ্রিয় নায়িকা।

মৌসুমী বলেন, “ইদানিং খবরে দেখছি ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নাকি সিনেমা হিসেবে আসছে। বিষয়টি শুনে অবাক হয়েছি। বোর্ডে এটাকে কীভাবে সেন্সর সার্টিফিকেশন দিল। তার চেয়ে বড় কথা হলো, আমি যেখানে সিনেমাই করি না, সেখানে এরকম একটা গল্প দিয়ে আমাকে হুট পর্দায় নিয়ে আসা যুক্তিসংগত বলে মনে কারি না। আমি তো জানিই না ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’- এর আগে-পিয়ে কী আছে। নির্মাতা ও প্রযোজকের কাছে এটা আমি মোটেই আশা করিনি।”

মৌসুমী বলেন, ‘এমন অবস্থায় সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়া উচিত কিনা তা দূর দেশ থেকে বুঝতে পারছি না। আমার মতে এটি সিনেমা হিসেবে মুক্তি না পাক। তার পরও বাংলাশের চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি, পরিচালক সমিতি ও প্রযোজক সমিতিসহ যারা আছেন তারা যেন বিষয়টি বিবেচনা করেন।’