ঢাকা ০১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইরান যুদ্ধের কোনো ‘এক্সিট প্ল্যান’ নেই যুক্তরাষ্ট্রের: ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান সেথ মল্টন

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইরাক যুদ্ধের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মার্কিন ডেমোক্রেটিক কংগ্রেস সদস্য সেথ মল্টন মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামনে এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা ‘এক্সিট প্ল্যান’ নেই।

বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের যে সমর্থন দিচ্ছেন, তার সমালোচনা করে মল্টন একে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থের জন্য আরেকটি ভুল সিদ্ধান্তের পুনরাবৃত্তি হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ইরাক যুদ্ধের মতোই এই যুদ্ধটি একটি ‘স্বেচ্ছায় বেছে নেওয়া যুদ্ধ’ হতে যাচ্ছে, যা দেশটিকে আরও বড় বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

এর আগে, বুধবার এক সংসদীয় শুনানিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি প্রশাসনের নীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা আইনপ্রণেতাদেরই ‘সবচেয়ে বড় শত্রু’ হিসেবে বর্ণনা করেন। হেগসেথের এমন মন্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। মল্টন মনে করেন, যুদ্ধের লক্ষ্য এবং সমাপ্তি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকাটাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট।

সাক্ষাৎকারে মল্টন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যকার সাম্প্রতিক টেলিফোন আলাপ নিয়েও কথা বলেন। ট্রাম্প প্রশাসন ওই কলের কোনো আনুষ্ঠানিক বিবরণ বা ‘রিডআউট’ প্রকাশ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। মল্টন ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পুতিন ট্রাম্পের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু। সে কারণেই হয়তো ট্রাম্প প্রশাসন এই আলোচনার তথ্য গোপন রাখছে, কারণ তা প্রকাশ পেলে যুক্তরাষ্ট্র, তার মিত্র দেশ এবং মার্কিন সেনাদের জন্য তা অত্যন্ত বিব্রতকর হতে পারে।

মূলত ইরান পরিস্থিতি এবং রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক—উভয় ইস্যুতেই বর্তমান প্রশাসনের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেন এই সাবেক সেনাসদস্য।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ইরান যুদ্ধের কোনো ‘এক্সিট প্ল্যান’ নেই যুক্তরাষ্ট্রের: ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান সেথ মল্টন

আপডেট সময় ১১:১১:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইরাক যুদ্ধের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মার্কিন ডেমোক্রেটিক কংগ্রেস সদস্য সেথ মল্টন মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামনে এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা ‘এক্সিট প্ল্যান’ নেই।

বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের যে সমর্থন দিচ্ছেন, তার সমালোচনা করে মল্টন একে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থের জন্য আরেকটি ভুল সিদ্ধান্তের পুনরাবৃত্তি হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ইরাক যুদ্ধের মতোই এই যুদ্ধটি একটি ‘স্বেচ্ছায় বেছে নেওয়া যুদ্ধ’ হতে যাচ্ছে, যা দেশটিকে আরও বড় বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

এর আগে, বুধবার এক সংসদীয় শুনানিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি প্রশাসনের নীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা আইনপ্রণেতাদেরই ‘সবচেয়ে বড় শত্রু’ হিসেবে বর্ণনা করেন। হেগসেথের এমন মন্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। মল্টন মনে করেন, যুদ্ধের লক্ষ্য এবং সমাপ্তি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকাটাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট।

সাক্ষাৎকারে মল্টন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যকার সাম্প্রতিক টেলিফোন আলাপ নিয়েও কথা বলেন। ট্রাম্প প্রশাসন ওই কলের কোনো আনুষ্ঠানিক বিবরণ বা ‘রিডআউট’ প্রকাশ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। মল্টন ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পুতিন ট্রাম্পের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু। সে কারণেই হয়তো ট্রাম্প প্রশাসন এই আলোচনার তথ্য গোপন রাখছে, কারণ তা প্রকাশ পেলে যুক্তরাষ্ট্র, তার মিত্র দেশ এবং মার্কিন সেনাদের জন্য তা অত্যন্ত বিব্রতকর হতে পারে।

মূলত ইরান পরিস্থিতি এবং রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক—উভয় ইস্যুতেই বর্তমান প্রশাসনের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেন এই সাবেক সেনাসদস্য।