ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

২০০ কোটি ডলার ঋণ নাকি অনুদান, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন ‘এখানে খোঁচাখুঁচির কিছু নাই’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ও স্থিতিস্থাপকতা নিশ্চিতে ২০০ কোটি ডলার চেয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার জাপানের উদ্যোগে এশীয় দেশগুলোর এক সম্মেলনে অংশ নিয়ে এ অর্থ সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিষয়টি জানিয়েছেন তার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। এদিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ অর্থ ঋণ নাকি অনুদান হিসেবে চাওয়া হয়েছে জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, এই যে খোঁচাখুঁচির চেষ্টা, এখানে খোঁচাখুঁচির কিছু নাই।

বুধবার দুপুরে এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেক) প্লাস অনলাইন সম্মেলনে যোগ দিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় সংসদ ভবনের নিজ কার্যালয় থেকে ভার্চুয়ালি এই সম্মেলনে অংশ নেন তিনি।

অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে ছিল ভারত, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, তিমুর-লেস্তে, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনেই, কম্বোডিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া। এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।

সম্মেলন প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এ সম্মেলনে বাংলাদেশ তার প্রয়োজনের কথা জানিয়েছে। দেশগুলো ভবিষ্যতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করবে। জাপান মনে করেছে যে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এশিয়াভিত্তিক একটা ব্যবস্থা থাকা দরকার।

২০০ কোটি ডলার নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনে জানিয়েছেন সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের ২০০ কোটি ডলার দরকার আন্তর্জাতিক অংশীদারদের থেকে।

এ ২০০ কোটি ডলার কি ঋণ নাকি অনুদান হিসেবে চাওয়া হয়েছে– উত্তরে হুমায়ুন কবির বলেন, এই যে খোঁচাখুঁচির চেষ্টা, এখানে খোঁচাখুঁচির কিছু নাই। বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখেন।

কেউ অর্থ দিতে চেয়েছে কি না– উত্তরে তিনি বলেন, খালি টাকার কথা শুনলেই মাথা নষ্ট হয়ে যায়। এরকম বিষয়গুলো থেকে বের হতে হবে। বাংলাদেশ আর ভিক্ষুক দেশ নয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

২০০ কোটি ডলার ঋণ নাকি অনুদান, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন ‘এখানে খোঁচাখুঁচির কিছু নাই’

আপডেট সময় ১১:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ও স্থিতিস্থাপকতা নিশ্চিতে ২০০ কোটি ডলার চেয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার জাপানের উদ্যোগে এশীয় দেশগুলোর এক সম্মেলনে অংশ নিয়ে এ অর্থ সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিষয়টি জানিয়েছেন তার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। এদিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ অর্থ ঋণ নাকি অনুদান হিসেবে চাওয়া হয়েছে জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, এই যে খোঁচাখুঁচির চেষ্টা, এখানে খোঁচাখুঁচির কিছু নাই।

বুধবার দুপুরে এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেক) প্লাস অনলাইন সম্মেলনে যোগ দিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় সংসদ ভবনের নিজ কার্যালয় থেকে ভার্চুয়ালি এই সম্মেলনে অংশ নেন তিনি।

অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে ছিল ভারত, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, তিমুর-লেস্তে, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনেই, কম্বোডিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া। এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।

সম্মেলন প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এ সম্মেলনে বাংলাদেশ তার প্রয়োজনের কথা জানিয়েছে। দেশগুলো ভবিষ্যতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করবে। জাপান মনে করেছে যে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এশিয়াভিত্তিক একটা ব্যবস্থা থাকা দরকার।

২০০ কোটি ডলার নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনে জানিয়েছেন সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের ২০০ কোটি ডলার দরকার আন্তর্জাতিক অংশীদারদের থেকে।

এ ২০০ কোটি ডলার কি ঋণ নাকি অনুদান হিসেবে চাওয়া হয়েছে– উত্তরে হুমায়ুন কবির বলেন, এই যে খোঁচাখুঁচির চেষ্টা, এখানে খোঁচাখুঁচির কিছু নাই। বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখেন।

কেউ অর্থ দিতে চেয়েছে কি না– উত্তরে তিনি বলেন, খালি টাকার কথা শুনলেই মাথা নষ্ট হয়ে যায়। এরকম বিষয়গুলো থেকে বের হতে হবে। বাংলাদেশ আর ভিক্ষুক দেশ নয়।