ঢাকা ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী ‘যুগপৎ আন্দোলনের সময় ঘোষিত ৩১ দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে’:মির্জা ফখরুল পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যেই গড়ে উঠবে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ: আমিনুল হক বাধ্যতামূলক অবসরে অতিরিক্ত ডিআইজি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাশেদ খাঁনের শ্রদ্ধা নিবেদন মার্কিন সেনা হত্যার জন্য ইরানকে বহুগুণ বেশি মূল্য চোকাতে হবে: ট্রাম্প প্রতিটি কর্মঘণ্টা ও করের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে:জনপ্রশাসন উপদেষ্টা জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন ‘জেন্টলম্যান ফর এক্সেলেন্স’: প্রধান বিচারপতি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিমসটেকের সক্রিয় ভূমিকা চায় ঢাকা কাপ্তাই হৃদে নিখোঁজ বিএনপি নেতার লাশ উদ্ধার

শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন: ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর, প্রত্যাখ্যান বিএনপির

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্থগিতকৃত শেরপুর-৩ আসনের ভোটগ্রহণ চলাকালে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান ভোটগ্রহণে সূক্ষ্ম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বেলা ১১টায় শ্রীবরদী উপজেলার তাঁতিহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এ অভিযোগ করেন।

জামায়াত প্রার্থী বলেন, সকাল থেকেই শ্রীবরদী উপজেলার রুপার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে আমার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। এছাড়াও বিভিন্ন কেন্দ্রে আমার ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, শ্রীবরদী উপজেলাতে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৫০ হাজার এবং ঝিনাইগাতী উপজেলায় ভোটার সংখ্যা এক লাখ ৬০ হাজার। দুই উপজেলায় ভোটার ব্যবধান অনেক থাকলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ম্যাজিস্ট্রেট টিম সমানভাবে দেওয়া হয়েছে। এটাই প্রমাণিত হয়, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নিয়মমাফিক ম্যাজিস্ট্রেট দেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, তাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। সকাল থেকেই সব ভোটকেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ হচ্ছে।

তিনি বলেন, জামায়াতের প্রার্থী শুরু থেকেই উগ্র, উচ্ছৃঙ্খল এবং মৌলবাদী বক্তব্য দিয়ে আসছেন। আমি তাদের অনুরোধ করবো শেষ পর্যন্ত তারা মাঠে থাকুক। জনগণ যাদের পছন্দ করবে তাদেরই বিজয় হবে। এখন পর্যন্ত যেহেতু কোনো অনিয়ম চোখে পড়েনি শেষ পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ শেষ হবে।

জামায়াতের প্রার্থীর অভিযোগের বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, তাদের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। এটা একটা রাজনৈতিক ভাষা। আমি এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে মৌখিকভাবে কিছু অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে দেখেছি সেগুলোর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী

শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন: ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর, প্রত্যাখ্যান বিএনপির

আপডেট সময় ০২:৪৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্থগিতকৃত শেরপুর-৩ আসনের ভোটগ্রহণ চলাকালে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান ভোটগ্রহণে সূক্ষ্ম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বেলা ১১টায় শ্রীবরদী উপজেলার তাঁতিহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এ অভিযোগ করেন।

জামায়াত প্রার্থী বলেন, সকাল থেকেই শ্রীবরদী উপজেলার রুপার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে আমার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। এছাড়াও বিভিন্ন কেন্দ্রে আমার ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, শ্রীবরদী উপজেলাতে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৫০ হাজার এবং ঝিনাইগাতী উপজেলায় ভোটার সংখ্যা এক লাখ ৬০ হাজার। দুই উপজেলায় ভোটার ব্যবধান অনেক থাকলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ম্যাজিস্ট্রেট টিম সমানভাবে দেওয়া হয়েছে। এটাই প্রমাণিত হয়, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নিয়মমাফিক ম্যাজিস্ট্রেট দেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, তাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। সকাল থেকেই সব ভোটকেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ হচ্ছে।

তিনি বলেন, জামায়াতের প্রার্থী শুরু থেকেই উগ্র, উচ্ছৃঙ্খল এবং মৌলবাদী বক্তব্য দিয়ে আসছেন। আমি তাদের অনুরোধ করবো শেষ পর্যন্ত তারা মাঠে থাকুক। জনগণ যাদের পছন্দ করবে তাদেরই বিজয় হবে। এখন পর্যন্ত যেহেতু কোনো অনিয়ম চোখে পড়েনি শেষ পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ শেষ হবে।

জামায়াতের প্রার্থীর অভিযোগের বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, তাদের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। এটা একটা রাজনৈতিক ভাষা। আমি এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে মৌখিকভাবে কিছু অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে দেখেছি সেগুলোর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।