ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী ‘যুগপৎ আন্দোলনের সময় ঘোষিত ৩১ দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে’:মির্জা ফখরুল পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যেই গড়ে উঠবে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ: আমিনুল হক বাধ্যতামূলক অবসরে অতিরিক্ত ডিআইজি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাশেদ খাঁনের শ্রদ্ধা নিবেদন মার্কিন সেনা হত্যার জন্য ইরানকে বহুগুণ বেশি মূল্য চোকাতে হবে: ট্রাম্প প্রতিটি কর্মঘণ্টা ও করের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে:জনপ্রশাসন উপদেষ্টা জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন ‘জেন্টলম্যান ফর এক্সেলেন্স’: প্রধান বিচারপতি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিমসটেকের সক্রিয় ভূমিকা চায় ঢাকা কাপ্তাই হৃদে নিখোঁজ বিএনপি নেতার লাশ উদ্ধার

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সুনামগঞ্জের ছাতকে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী আল আমিন ও নজমুল হক নসিবের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের কাইল্যাচর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, চরমহল্লা ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী জামায়াতে ইসলামী নেতা আল আমিন এবং ফুলতলী সংগঠন আল ইসলাহ নেতা নজমুল হক নসিবের মধ্যে পূর্ব থেকেই রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল। সম্প্রতি ভিজিএফের চালের কার্ড নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনার জের ধরে গত শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উভয়পক্ষের সমর্থকরা কটূক্তিমূলক মন্তব্য ও পোস্ট দিতে শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাতে দুপক্ষের সমর্থকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একে অপরকে মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

একপর্যায়ে নুরুল আমিন ও আব্দুস শহিদ পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে লাহিন মিয়া (২০), নুরুল আমিন (৩৫), আব্দুস সোবহান (৫৫), সুফিয়ান (২০), নাছির উদ্দিন (৩৮), সালা উদ্দিন (৩৫), আকছার আলী (২২), এমাদ উদ্দিন (২৫), জয়ন উদ্দিন, আব্দুল আজিজসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গুরুতর আহত ৯ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকিদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ সময় কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, ভিজিএফের চালের কার্ড নিয়েই মূলত বিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল। পরে তা ফেসবুকে পালটাপালটি পোস্ট ও গালাগালের মাধ্যমে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং তা পরবর্তীতে সংঘর্ষ শুরু হয়।

এ বিষয়ে নজমুল হক নসিব বলেন, ভিজিএফের কার্ডের সুবিধাভোগী হওয়াকে কেন্দ্র করে আল আমিন সমর্থকরা আমাকে বিদ্রুপ করে ও ফেসবুকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

অন্যদিকে আল আমিনের দাবি, ভিজিএফের চাল নিয়ে অভিযোগ সঠিক নয় বরং আমাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষায় গালাগাল ও হুমকি দেওয়া হয় এবং আমার সমর্থকদের বাড়িতে হামলা করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমান তালুকদার বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ২০

আপডেট সময় ১১:১০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সুনামগঞ্জের ছাতকে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী আল আমিন ও নজমুল হক নসিবের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের কাইল্যাচর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, চরমহল্লা ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী জামায়াতে ইসলামী নেতা আল আমিন এবং ফুলতলী সংগঠন আল ইসলাহ নেতা নজমুল হক নসিবের মধ্যে পূর্ব থেকেই রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল। সম্প্রতি ভিজিএফের চালের কার্ড নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনার জের ধরে গত শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উভয়পক্ষের সমর্থকরা কটূক্তিমূলক মন্তব্য ও পোস্ট দিতে শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাতে দুপক্ষের সমর্থকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একে অপরকে মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

একপর্যায়ে নুরুল আমিন ও আব্দুস শহিদ পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে লাহিন মিয়া (২০), নুরুল আমিন (৩৫), আব্দুস সোবহান (৫৫), সুফিয়ান (২০), নাছির উদ্দিন (৩৮), সালা উদ্দিন (৩৫), আকছার আলী (২২), এমাদ উদ্দিন (২৫), জয়ন উদ্দিন, আব্দুল আজিজসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গুরুতর আহত ৯ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকিদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ সময় কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, ভিজিএফের চালের কার্ড নিয়েই মূলত বিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল। পরে তা ফেসবুকে পালটাপালটি পোস্ট ও গালাগালের মাধ্যমে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং তা পরবর্তীতে সংঘর্ষ শুরু হয়।

এ বিষয়ে নজমুল হক নসিব বলেন, ভিজিএফের কার্ডের সুবিধাভোগী হওয়াকে কেন্দ্র করে আল আমিন সমর্থকরা আমাকে বিদ্রুপ করে ও ফেসবুকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

অন্যদিকে আল আমিনের দাবি, ভিজিএফের চাল নিয়ে অভিযোগ সঠিক নয় বরং আমাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষায় গালাগাল ও হুমকি দেওয়া হয় এবং আমার সমর্থকদের বাড়িতে হামলা করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমান তালুকদার বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।