ঢাকা ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশ পিটিয়ে আসামি ছিনতাই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরের কেশবপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা।

বুধবার (১ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ছিনিয়ে নেওয়া আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে ডুমুরিয়া উপজেলার একটি গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জাহাঙ্গীর হোসেন ওই গ্রামের আলিমুদ্দিনের ছেলে।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- কেশবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত দেড়টার দিকে কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামের দুই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে (৩৫) গ্রেফতার করে পুলিশের একটি টিম। জাহাঙ্গীরের ভাই আলামিন ও লিটন মসজিদে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীকে পুলিশের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এ সময় তিনি প্রচার করেন, পুলিশের টিম তার ভাইকে গ্রেফতার করে হত্যা করেছে। এমন ঘোষণার পর এলাকার ৫০ থেকে ৬০ জন জড়ো হয়ে পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেয়।

আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম বলেন, আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে গ্রেফতারের পর মব সৃষ্টি করে আমাদের পিটিয়ে জখম করেছে। এ সময় তারা আসামি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, জাহাঙ্গীর হোসেন দুটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক ছিলেন। মাদকের মামলায় দুই বছর ও অপরটি পারিবারি মামলায় তিন মাসের সাজা হয়েছে তার। পুলিশ ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামির ভাই মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীকে উত্তেজিত করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। উত্তেজিত গ্রামবাসী পুলিশকে পিটিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশ পিটিয়ে আসামি ছিনতাই

আপডেট সময় ০৩:৩৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরের কেশবপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা।

বুধবার (১ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ছিনিয়ে নেওয়া আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে ডুমুরিয়া উপজেলার একটি গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জাহাঙ্গীর হোসেন ওই গ্রামের আলিমুদ্দিনের ছেলে।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- কেশবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত দেড়টার দিকে কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামের দুই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে (৩৫) গ্রেফতার করে পুলিশের একটি টিম। জাহাঙ্গীরের ভাই আলামিন ও লিটন মসজিদে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীকে পুলিশের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এ সময় তিনি প্রচার করেন, পুলিশের টিম তার ভাইকে গ্রেফতার করে হত্যা করেছে। এমন ঘোষণার পর এলাকার ৫০ থেকে ৬০ জন জড়ো হয়ে পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেয়।

আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম বলেন, আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে গ্রেফতারের পর মব সৃষ্টি করে আমাদের পিটিয়ে জখম করেছে। এ সময় তারা আসামি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, জাহাঙ্গীর হোসেন দুটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক ছিলেন। মাদকের মামলায় দুই বছর ও অপরটি পারিবারি মামলায় তিন মাসের সাজা হয়েছে তার। পুলিশ ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামির ভাই মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীকে উত্তেজিত করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। উত্তেজিত গ্রামবাসী পুলিশকে পিটিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।