ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশ পিটিয়ে আসামি ছিনতাই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরের কেশবপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা।

বুধবার (১ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ছিনিয়ে নেওয়া আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে ডুমুরিয়া উপজেলার একটি গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জাহাঙ্গীর হোসেন ওই গ্রামের আলিমুদ্দিনের ছেলে।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- কেশবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত দেড়টার দিকে কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামের দুই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে (৩৫) গ্রেফতার করে পুলিশের একটি টিম। জাহাঙ্গীরের ভাই আলামিন ও লিটন মসজিদে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীকে পুলিশের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এ সময় তিনি প্রচার করেন, পুলিশের টিম তার ভাইকে গ্রেফতার করে হত্যা করেছে। এমন ঘোষণার পর এলাকার ৫০ থেকে ৬০ জন জড়ো হয়ে পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেয়।

আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম বলেন, আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে গ্রেফতারের পর মব সৃষ্টি করে আমাদের পিটিয়ে জখম করেছে। এ সময় তারা আসামি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, জাহাঙ্গীর হোসেন দুটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক ছিলেন। মাদকের মামলায় দুই বছর ও অপরটি পারিবারি মামলায় তিন মাসের সাজা হয়েছে তার। পুলিশ ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামির ভাই মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীকে উত্তেজিত করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। উত্তেজিত গ্রামবাসী পুলিশকে পিটিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরিত্রিয়া সীমান্তে ইথিওপীয় সেনার অগ্রগতি, বাড়ছে নতুন যুদ্ধের শঙ্কা

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশ পিটিয়ে আসামি ছিনতাই

আপডেট সময় ০৩:৩৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরের কেশবপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা।

বুধবার (১ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ছিনিয়ে নেওয়া আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে ডুমুরিয়া উপজেলার একটি গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জাহাঙ্গীর হোসেন ওই গ্রামের আলিমুদ্দিনের ছেলে।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- কেশবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত দেড়টার দিকে কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামের দুই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে (৩৫) গ্রেফতার করে পুলিশের একটি টিম। জাহাঙ্গীরের ভাই আলামিন ও লিটন মসজিদে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীকে পুলিশের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এ সময় তিনি প্রচার করেন, পুলিশের টিম তার ভাইকে গ্রেফতার করে হত্যা করেছে। এমন ঘোষণার পর এলাকার ৫০ থেকে ৬০ জন জড়ো হয়ে পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেয়।

আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম বলেন, আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে গ্রেফতারের পর মব সৃষ্টি করে আমাদের পিটিয়ে জখম করেছে। এ সময় তারা আসামি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, জাহাঙ্গীর হোসেন দুটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক ছিলেন। মাদকের মামলায় দুই বছর ও অপরটি পারিবারি মামলায় তিন মাসের সাজা হয়েছে তার। পুলিশ ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামির ভাই মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীকে উত্তেজিত করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। উত্তেজিত গ্রামবাসী পুলিশকে পিটিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।