ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সৎ সাহস থাকলে শেখ হাসিনার দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হওয়া উচিত: রিজভী হাসিনা সরকার বিদ্যুৎ খাতে ৫৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রেখে গেছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী গুম ও শহীদ পরিবারের প্রতি আমাদের নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী রাজধানীতে রাস্তায় জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ১০ শিশুর, মোট মৃত্যু ৫৫৫ মোটরসাইকেলে বাসের ধাক্কা, প্রাণ গেল বাবা-মা-মেয়ের ফ্যাসিস্ট সরকার কুইক রেন্টালের নামে বিদেশে টাকা পাচার করেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের বিচারবিভাগ সবচেয়ে স্বাধীন : আইনমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার জন্য কোনো নিরাপদ আশ্রয় থাকবে না, খামেনির হুঁশিয়ারি সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশ পিটিয়ে আসামি ছিনতাই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরের কেশবপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা।

বুধবার (১ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ছিনিয়ে নেওয়া আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে ডুমুরিয়া উপজেলার একটি গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জাহাঙ্গীর হোসেন ওই গ্রামের আলিমুদ্দিনের ছেলে।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- কেশবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত দেড়টার দিকে কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামের দুই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে (৩৫) গ্রেফতার করে পুলিশের একটি টিম। জাহাঙ্গীরের ভাই আলামিন ও লিটন মসজিদে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীকে পুলিশের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এ সময় তিনি প্রচার করেন, পুলিশের টিম তার ভাইকে গ্রেফতার করে হত্যা করেছে। এমন ঘোষণার পর এলাকার ৫০ থেকে ৬০ জন জড়ো হয়ে পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেয়।

আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম বলেন, আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে গ্রেফতারের পর মব সৃষ্টি করে আমাদের পিটিয়ে জখম করেছে। এ সময় তারা আসামি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, জাহাঙ্গীর হোসেন দুটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক ছিলেন। মাদকের মামলায় দুই বছর ও অপরটি পারিবারি মামলায় তিন মাসের সাজা হয়েছে তার। পুলিশ ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামির ভাই মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীকে উত্তেজিত করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। উত্তেজিত গ্রামবাসী পুলিশকে পিটিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাজার কোটির পথে হাঁটছে ‘মাইকেল’

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশ পিটিয়ে আসামি ছিনতাই

আপডেট সময় ০৩:৩৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরের কেশবপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা।

বুধবার (১ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ছিনিয়ে নেওয়া আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে ডুমুরিয়া উপজেলার একটি গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জাহাঙ্গীর হোসেন ওই গ্রামের আলিমুদ্দিনের ছেলে।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- কেশবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত দেড়টার দিকে কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামের দুই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে (৩৫) গ্রেফতার করে পুলিশের একটি টিম। জাহাঙ্গীরের ভাই আলামিন ও লিটন মসজিদে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীকে পুলিশের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এ সময় তিনি প্রচার করেন, পুলিশের টিম তার ভাইকে গ্রেফতার করে হত্যা করেছে। এমন ঘোষণার পর এলাকার ৫০ থেকে ৬০ জন জড়ো হয়ে পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেয়।

আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম বলেন, আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে গ্রেফতারের পর মব সৃষ্টি করে আমাদের পিটিয়ে জখম করেছে। এ সময় তারা আসামি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, জাহাঙ্গীর হোসেন দুটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক ছিলেন। মাদকের মামলায় দুই বছর ও অপরটি পারিবারি মামলায় তিন মাসের সাজা হয়েছে তার। পুলিশ ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামির ভাই মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীকে উত্তেজিত করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। উত্তেজিত গ্রামবাসী পুলিশকে পিটিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।