ঢাকা ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে

সে মারা গেছে, আমি খুশি হয়েছি: ট্রাম্প

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাবেক এফবিআই পরিচালক রবার্ট মুলারের মৃত্যুতে তার দেওয়া প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

গতকাল শনিবার রাতে মুলারের পরিবার এক বিবৃতিতে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। ৮১ বছর বয়সে তিনি মারা যান। তবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

এই খবর প্রকাশের কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‌‘রবার্ট মুলার এইমাত্র মারা গেছেন। ভালো, আমি খুশি হয়েছি, সে মারা গেছে। সে আর নিরীহ মানুষদের ক্ষতি করতে পারবে না!’

একজন সাবেক উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার মৃত্যু নিয়ে এমন মন্তব্যে সঙ্গে সঙ্গেই সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিশেষ করে রাজনৈতিক শালীনতা ও মানবিকতার প্রশ্নে ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে অনেকেই ‘অভূতপূর্ব’ ও ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছেন।

ডেমোক্র্যাট দলের কংগ্রেসম্যান ড্যান গোল্ডম্যান এই মন্তব্যকে ‘ঘৃণ্য’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি মুলারের দীর্ঘদিনের রাষ্ট্রীয় সেবাকে অসম্মান করা হয়েছে। অন্যদিকে, কংগ্রেসম্যান সেথ মোল্টন ট্রাম্পকে ‘ভয়ানক মানুষ’ বলে মন্তব্য করেন। মুলারের সাবেক সহকর্মীরাও এই প্রতিক্রিয়াকে ‘বিধ্বংসী’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রবার্ট মুলার নয়-এগারোর হামলার পর এফবিআই পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তী সময়ে ২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ট্রাম্পের ২০১৬ সালের নির্বাচনি প্রচারণায় রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ তদন্তে বিশেষ কাউন্সেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই প্রতিক্রিয়া মূলত মুলারের নেতৃত্বে পরিচালিত রাশিয়া তদন্ত ঘিরে দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। যদিও ওই তদন্তে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অপরাধ প্রমাণিত হয়নি। তবুও এটি তার ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়

সে মারা গেছে, আমি খুশি হয়েছি: ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৪:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাবেক এফবিআই পরিচালক রবার্ট মুলারের মৃত্যুতে তার দেওয়া প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

গতকাল শনিবার রাতে মুলারের পরিবার এক বিবৃতিতে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। ৮১ বছর বয়সে তিনি মারা যান। তবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

এই খবর প্রকাশের কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‌‘রবার্ট মুলার এইমাত্র মারা গেছেন। ভালো, আমি খুশি হয়েছি, সে মারা গেছে। সে আর নিরীহ মানুষদের ক্ষতি করতে পারবে না!’

একজন সাবেক উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার মৃত্যু নিয়ে এমন মন্তব্যে সঙ্গে সঙ্গেই সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিশেষ করে রাজনৈতিক শালীনতা ও মানবিকতার প্রশ্নে ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে অনেকেই ‘অভূতপূর্ব’ ও ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছেন।

ডেমোক্র্যাট দলের কংগ্রেসম্যান ড্যান গোল্ডম্যান এই মন্তব্যকে ‘ঘৃণ্য’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি মুলারের দীর্ঘদিনের রাষ্ট্রীয় সেবাকে অসম্মান করা হয়েছে। অন্যদিকে, কংগ্রেসম্যান সেথ মোল্টন ট্রাম্পকে ‘ভয়ানক মানুষ’ বলে মন্তব্য করেন। মুলারের সাবেক সহকর্মীরাও এই প্রতিক্রিয়াকে ‘বিধ্বংসী’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রবার্ট মুলার নয়-এগারোর হামলার পর এফবিআই পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তী সময়ে ২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ট্রাম্পের ২০১৬ সালের নির্বাচনি প্রচারণায় রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ তদন্তে বিশেষ কাউন্সেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই প্রতিক্রিয়া মূলত মুলারের নেতৃত্বে পরিচালিত রাশিয়া তদন্ত ঘিরে দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। যদিও ওই তদন্তে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অপরাধ প্রমাণিত হয়নি। তবুও এটি তার ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছিল।