ঢাকা ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত পরিকল্পিতভাবে উত্তরাঞ্চলে বড় উন্নয়ন বাজেট কমানো হয়েছে: নাহিদ ইসলাম আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করুন,সরকারকে গোলাম পরওয়ার হাসিনার আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই, আসলেই গ্রেফতার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকার দলীয় এমপিরা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন আদেশ লঙ্ঘন করেছেন: আইনজীবী শিশির জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ বাঁচার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী

‘যার জন্য শিন্নি খাইলা, মোল্লা চিনলা না’:মনিরুল হক চৌধুরী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সংসদে জামায়াত-এনসিপির উদ্দেশে বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেছেন, ‘যার জন্য শিন্নি খাইলা, মোল্লা চিনলা না’।

রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, একটি কথা মনে করবেন স্বাধীনতার পরও একটা মেধাবী শ্রেণি এসেছিল, তারা গঠন করেছিল জাসদ। বাড়াবাড়ি করতে গিয়ে দেশ গেছে, জাতি গেছে, তারাও গেছে। আমাদের যেন আল্লাহ সবকিছু হজম করার তৌফিক দেন।

রাজনীতিতে জামায়াতকে এ পর্যন্ত নিয়ে আসায় বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করার জন্য আহ্বান জানিয়ে বিএনপির এই প্রবীণ নেতা বলেন, একানব্বইয়ের সংসদে আপনাদের সঙ্গে কাজ করেছি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে। আপনারা যখন প্রশ্ন করেন, মনে হয় এই দেশে ১৫ বছর ২০ বছর বিএনপি ছিল না। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতি-দেশ-মানুষের বিরোধী দলের অনেক বিরোধ উপেক্ষা করে জামায়াতের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করেছেন।

প্রয়াত নেতা অধ্যাপক গোলাম সামাদের কথা স্মরণ করে জামায়াত-এনসিপির উদ্দেশে মনিরুল বলেন, ‘যার জন্য শিন্নি খাইলা, মোল্লা চিনলা না’। আপনারা রাজনীতিতে এ পর্যন্ত এসেছেন- তার পেছনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানটুকু একটু স্মরণও করেন না। মনে করেন বিএনপি আপনাদের প্রতিপক্ষ। যেমন জাসদ একসময় মনে করত আওয়ামী লীগ তাদের প্রতিপক্ষ। তাতে ইতিহাসে দেশ কোথায় গিয়েছে এইটা বিবেচনা করার মতো বুদ্ধি-বিদ্যা আপনাদের সবার আছে।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, আমার ভয় হয় কোন ভাষায় কথা বলব- এ সংসদে দাঁড়িয়ে ভয় হয় আগে যাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কথা বলতাম তাদের চিনতাম। আর আজ যারা বিরোধী দল, তাদের এখনো আমি চিনি নাই। আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছিলেন কঠিন নির্বাচন। সেদিন অনেকে বুঝে নাই, আমি বুঝেছিলাম। পরে আমরা নির্বাচন করতে গিয়ে বুঝেছি কী কঠিন নির্বাচনে পাশ করেছি।

তিনি বলেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর যাদের আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত সেটা হলো জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। কিন্তু আজ প্রশ্ন উঠেছে আমাদের সম্পর্কে, আমরা কিছু মুক্তিযোদ্ধা যারা জীবিত আছি তাদের আজ যে প্রশ্ন করতে হয়– মুক্তিযুদ্ধ, চব্বিশের যুদ্ধ কি এক কাতারে হলো। ফ্যাসিস্টদের আমলে বিচারের নামে অন্যায় যদি হয়ে থাকে তাহলে এক কথা। আমি এই প্রশ্নটা মহান সংসদে রেখে এ সম্পর্কে শুধু জামায়াতকে একটি কথা বলব, স্বাধীনতার পরে বা এনসিপির নেতা তাদের বয়স কম হলেও শ্রদ্ধা করি এই কারণে করি তারা সাহসী সন্তান, এ যুগের চাহিদা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত

‘যার জন্য শিন্নি খাইলা, মোল্লা চিনলা না’:মনিরুল হক চৌধুরী

আপডেট সময় ০৭:৫৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সংসদে জামায়াত-এনসিপির উদ্দেশে বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেছেন, ‘যার জন্য শিন্নি খাইলা, মোল্লা চিনলা না’।

রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, একটি কথা মনে করবেন স্বাধীনতার পরও একটা মেধাবী শ্রেণি এসেছিল, তারা গঠন করেছিল জাসদ। বাড়াবাড়ি করতে গিয়ে দেশ গেছে, জাতি গেছে, তারাও গেছে। আমাদের যেন আল্লাহ সবকিছু হজম করার তৌফিক দেন।

রাজনীতিতে জামায়াতকে এ পর্যন্ত নিয়ে আসায় বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করার জন্য আহ্বান জানিয়ে বিএনপির এই প্রবীণ নেতা বলেন, একানব্বইয়ের সংসদে আপনাদের সঙ্গে কাজ করেছি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে। আপনারা যখন প্রশ্ন করেন, মনে হয় এই দেশে ১৫ বছর ২০ বছর বিএনপি ছিল না। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতি-দেশ-মানুষের বিরোধী দলের অনেক বিরোধ উপেক্ষা করে জামায়াতের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করেছেন।

প্রয়াত নেতা অধ্যাপক গোলাম সামাদের কথা স্মরণ করে জামায়াত-এনসিপির উদ্দেশে মনিরুল বলেন, ‘যার জন্য শিন্নি খাইলা, মোল্লা চিনলা না’। আপনারা রাজনীতিতে এ পর্যন্ত এসেছেন- তার পেছনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানটুকু একটু স্মরণও করেন না। মনে করেন বিএনপি আপনাদের প্রতিপক্ষ। যেমন জাসদ একসময় মনে করত আওয়ামী লীগ তাদের প্রতিপক্ষ। তাতে ইতিহাসে দেশ কোথায় গিয়েছে এইটা বিবেচনা করার মতো বুদ্ধি-বিদ্যা আপনাদের সবার আছে।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, আমার ভয় হয় কোন ভাষায় কথা বলব- এ সংসদে দাঁড়িয়ে ভয় হয় আগে যাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কথা বলতাম তাদের চিনতাম। আর আজ যারা বিরোধী দল, তাদের এখনো আমি চিনি নাই। আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছিলেন কঠিন নির্বাচন। সেদিন অনেকে বুঝে নাই, আমি বুঝেছিলাম। পরে আমরা নির্বাচন করতে গিয়ে বুঝেছি কী কঠিন নির্বাচনে পাশ করেছি।

তিনি বলেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর যাদের আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত সেটা হলো জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। কিন্তু আজ প্রশ্ন উঠেছে আমাদের সম্পর্কে, আমরা কিছু মুক্তিযোদ্ধা যারা জীবিত আছি তাদের আজ যে প্রশ্ন করতে হয়– মুক্তিযুদ্ধ, চব্বিশের যুদ্ধ কি এক কাতারে হলো। ফ্যাসিস্টদের আমলে বিচারের নামে অন্যায় যদি হয়ে থাকে তাহলে এক কথা। আমি এই প্রশ্নটা মহান সংসদে রেখে এ সম্পর্কে শুধু জামায়াতকে একটি কথা বলব, স্বাধীনতার পরে বা এনসিপির নেতা তাদের বয়স কম হলেও শ্রদ্ধা করি এই কারণে করি তারা সাহসী সন্তান, এ যুগের চাহিদা।