ঢাকা ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

টাঙ্গাইলে আবাসিক স্কুলে ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

টাঙ্গাইল শহরের নামকরা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘শহীদ একাডেমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এর হোস্টেল ভবন থেকে মুইদ নামের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে শহরের সাবালিয়া এলাকায় অবস্থিত স্কুলটির আবাসিক ভবনের নিচে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

নিহত মুইদ ভূঞাপুর উপজেলার গোলাবাড়ি গ্রামের সোহেল রানার ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় শহরের সাবালিয়া শহীদ একাডেমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভবনের নিচ থেকে মুইদ নামের এক শিক্ষার্থীকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে প্রতিষ্ঠানের এক আয়া হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুইদকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলেন, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ক্লাস চালু রাখায় এত বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। ইতোপূর্বেও টাঙ্গাইলের একাধিক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হত্যাসহ একাধিক দুর্ঘটনা ঘটলেও তা ধামাচাপা পড়েছে।

পথচারী রাসেল মিয়া বলেন, মুইদের মৃত্যুর দায় প্রতিষ্ঠান এড়াতে পারে না। কারণ একজন অভিভাবক যখন আবাসিকে রেখে যায়, তখন ওই শিক্ষার্থীর দায়ভার ওই প্রতিষ্ঠানের। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি।

মুইদের মা লায়লা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে আমাকে অনেক সময় ফোন করে বলতো, স্কুলের সজিব স্যার ভালো না। সজিব স্যারের কারণেই আমি মারা যাব। সজিব স্যারও আমাকে ফোন করে মুইদের বিষয়ে নানা অভিযোগ দিতেন। আমি দোষী ব্যক্তির বিচার দাবি করছি।’

এ বিষয়ে শহীদ ক্যাডেট স্কুলের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, কীভাবে এটি ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মর্গে গিয়ে মরদেহও দেখেছি। ছেলেটির মুখ থেঁতলে গিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

টাঙ্গাইলে আবাসিক স্কুলে ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু

আপডেট সময় ১১:৩৬:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

টাঙ্গাইল শহরের নামকরা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘শহীদ একাডেমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এর হোস্টেল ভবন থেকে মুইদ নামের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে শহরের সাবালিয়া এলাকায় অবস্থিত স্কুলটির আবাসিক ভবনের নিচে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

নিহত মুইদ ভূঞাপুর উপজেলার গোলাবাড়ি গ্রামের সোহেল রানার ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় শহরের সাবালিয়া শহীদ একাডেমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভবনের নিচ থেকে মুইদ নামের এক শিক্ষার্থীকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে প্রতিষ্ঠানের এক আয়া হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুইদকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলেন, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ক্লাস চালু রাখায় এত বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। ইতোপূর্বেও টাঙ্গাইলের একাধিক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হত্যাসহ একাধিক দুর্ঘটনা ঘটলেও তা ধামাচাপা পড়েছে।

পথচারী রাসেল মিয়া বলেন, মুইদের মৃত্যুর দায় প্রতিষ্ঠান এড়াতে পারে না। কারণ একজন অভিভাবক যখন আবাসিকে রেখে যায়, তখন ওই শিক্ষার্থীর দায়ভার ওই প্রতিষ্ঠানের। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি।

মুইদের মা লায়লা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে আমাকে অনেক সময় ফোন করে বলতো, স্কুলের সজিব স্যার ভালো না। সজিব স্যারের কারণেই আমি মারা যাব। সজিব স্যারও আমাকে ফোন করে মুইদের বিষয়ে নানা অভিযোগ দিতেন। আমি দোষী ব্যক্তির বিচার দাবি করছি।’

এ বিষয়ে শহীদ ক্যাডেট স্কুলের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, কীভাবে এটি ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মর্গে গিয়ে মরদেহও দেখেছি। ছেলেটির মুখ থেঁতলে গিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।