ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিখিয়ে শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে : ববি হাজ্জাজ প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমান টিকিট ও লাউঞ্জসহ বিশেষ সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করা হবে মোদি-শাহ’র পদত্যাগ দাবি রাহুল গান্ধীর শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না: সরোয়ার তুষার বিএনপি সরকার হাওয়ায় ভেসে আসেনি: আযম খান ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ক্রীড়ার বিকল্প নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী পদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রাশেদ যেকোনো দুর্যোগে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে: জুবাইদা রহমান নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রিজভীর ভাইরাল ভিডিওর নারীকে ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ দাবি জামায়াত এমপির

টাঙ্গাইলে আবাসিক স্কুলে ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

টাঙ্গাইল শহরের নামকরা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘শহীদ একাডেমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এর হোস্টেল ভবন থেকে মুইদ নামের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে শহরের সাবালিয়া এলাকায় অবস্থিত স্কুলটির আবাসিক ভবনের নিচে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

নিহত মুইদ ভূঞাপুর উপজেলার গোলাবাড়ি গ্রামের সোহেল রানার ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় শহরের সাবালিয়া শহীদ একাডেমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভবনের নিচ থেকে মুইদ নামের এক শিক্ষার্থীকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে প্রতিষ্ঠানের এক আয়া হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুইদকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলেন, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ক্লাস চালু রাখায় এত বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। ইতোপূর্বেও টাঙ্গাইলের একাধিক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হত্যাসহ একাধিক দুর্ঘটনা ঘটলেও তা ধামাচাপা পড়েছে।

পথচারী রাসেল মিয়া বলেন, মুইদের মৃত্যুর দায় প্রতিষ্ঠান এড়াতে পারে না। কারণ একজন অভিভাবক যখন আবাসিকে রেখে যায়, তখন ওই শিক্ষার্থীর দায়ভার ওই প্রতিষ্ঠানের। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি।

মুইদের মা লায়লা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে আমাকে অনেক সময় ফোন করে বলতো, স্কুলের সজিব স্যার ভালো না। সজিব স্যারের কারণেই আমি মারা যাব। সজিব স্যারও আমাকে ফোন করে মুইদের বিষয়ে নানা অভিযোগ দিতেন। আমি দোষী ব্যক্তির বিচার দাবি করছি।’

এ বিষয়ে শহীদ ক্যাডেট স্কুলের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, কীভাবে এটি ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মর্গে গিয়ে মরদেহও দেখেছি। ছেলেটির মুখ থেঁতলে গিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিখিয়ে শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে : ববি হাজ্জাজ

টাঙ্গাইলে আবাসিক স্কুলে ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু

আপডেট সময় ১১:৩৬:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

টাঙ্গাইল শহরের নামকরা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘শহীদ একাডেমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এর হোস্টেল ভবন থেকে মুইদ নামের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে শহরের সাবালিয়া এলাকায় অবস্থিত স্কুলটির আবাসিক ভবনের নিচে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

নিহত মুইদ ভূঞাপুর উপজেলার গোলাবাড়ি গ্রামের সোহেল রানার ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় শহরের সাবালিয়া শহীদ একাডেমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভবনের নিচ থেকে মুইদ নামের এক শিক্ষার্থীকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে প্রতিষ্ঠানের এক আয়া হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুইদকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলেন, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ক্লাস চালু রাখায় এত বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। ইতোপূর্বেও টাঙ্গাইলের একাধিক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হত্যাসহ একাধিক দুর্ঘটনা ঘটলেও তা ধামাচাপা পড়েছে।

পথচারী রাসেল মিয়া বলেন, মুইদের মৃত্যুর দায় প্রতিষ্ঠান এড়াতে পারে না। কারণ একজন অভিভাবক যখন আবাসিকে রেখে যায়, তখন ওই শিক্ষার্থীর দায়ভার ওই প্রতিষ্ঠানের। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি।

মুইদের মা লায়লা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে আমাকে অনেক সময় ফোন করে বলতো, স্কুলের সজিব স্যার ভালো না। সজিব স্যারের কারণেই আমি মারা যাব। সজিব স্যারও আমাকে ফোন করে মুইদের বিষয়ে নানা অভিযোগ দিতেন। আমি দোষী ব্যক্তির বিচার দাবি করছি।’

এ বিষয়ে শহীদ ক্যাডেট স্কুলের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, কীভাবে এটি ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মর্গে গিয়ে মরদেহও দেখেছি। ছেলেটির মুখ থেঁতলে গিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।