ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৮ মাস যে আরামে ছিলেন, সে আরাম এখন হচ্ছে না: বিরোধী দলকে প্রতিমন্ত্রী জামায়াতের এমপিকে মসজিদে হত্যাচেষ্টা, সংসদে চাইলেন নিরাপত্তা গাইবান্ধায় বজ্রপাতে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কার্যক্রম চলছে : সেতুমন্ত্রী সচিবালয়ে ২১ তলা ভবন নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেয়নি একনেক আত্মঘাতী হামলায় মালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিহত এসি রুমে বসে জনগণের সমস্যা বোঝা যায় না: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল করে সংসদে বিল পাস বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, চিরকুটে পাওয়া গেল শিক্ষকের নাম গত ৩ বছরে প্রায় ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে: বিজিএমইএ

ব্যাপক দরপতনে দ্বিতীয় সপ্তাহে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বড় দরপতনে আজ রোববারও লেনদেন শুরু হয়েছে দেশের শেয়ারবাজারে। ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে এ নিয়ে দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়াল দরপতন।

আজ সকাল দশটায় লেনদেন শুরুর এক ঘণ্টা পর বেলা ১১টা পর্যন্ত লেনদেনে সিংহভাগ কোম্পানির শেয়ার দর হারায়। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আড়াই শতাংশ পতন হয়।

এ সময় গত বৃহস্পতিবারের তুলনায় ১৩০ পয়েন্ট হারিয়ে সূচকটিকে ৫১১০ পয়েন্টে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

গত সপ্তাহের দরপতনে সূচকটি ৩৫৯ পয়েন্ট বা ৬ দশমিক ৪২ শতাংশ হারিয়ে ৫২৪০ পয়েন্টে নেমেছিল।

আজ দিনের লেনদেন পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বেলা ১১টায় ২৯ শেয়ারের দর বৃদ্ধির বিপরীতে ৩২৯ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল।

প্রথম ঘণ্টায় কেনাবেচা হয়েছে ১৭৪ কোটি টাকার শেয়ার, যা গত বৃহস্পতিবারের প্রথম ঘণ্টার লেনদেনের তুলনায় ৪৮ কোটি টাকা বেশি।

দরপতন আরও বাড়তে পারে- এমন ভয় থেকে অনেকের শেয়ার বিক্রি করছেন। এ কারণে লেনদেন বেড়েছে।

বেলা সাড়ে ১১টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় পতন আরও গভীর হতে দেখা গেছে। সূচক ১৬৬ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ১৮ শতাংশ হারিয়ে ৫০৭৪ পয়েন্ট পর্যন্ত নেমেছিল।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসনের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বেড়েছে। এ কারণে ব্যবসার খরচ বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কার কারণে উদ্বেগত বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। এরই নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে শেয়ারবাজারে।

এ কারণে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে দরপতন অব্যাহত থাকলেও এশিয়ার বড় বাজারগুলো এরই মধ্যে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে।

সর্বশেষ লেনদেন নিয়ে জাপানের নিক্কি২২৫ সূচক ৩৪২ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৬২ শতাংশ এবং হংকংয়ের শেয়ারবাজারের সূচক হ্যাং স্যাং ৪৩৬ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৭২ শতাংশ বেড়েছিল। ঊর্ধ্বমুখী ছিল চীনের সাংহাই শেয়ারবাজারের সাংহাই কম্পোজিট ইনডেক্সও।

তবে ভারত ও পাকিস্তান ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ডের শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছিল।

বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তা জানান, বিনিয়োগকারীরা কেনো শেয়ার বিক্রি করছেন, তারা জানেন না। শুধু মনে করছেন- আরও দর কমতে পারে। তার আগে শেয়ার বিক্রি করতে পারলে লোকসান কিছুটা কম হবে- এ ভাবনা থেকে শেয়ার বিক্রি করছেন।

জাপান বা চীন বা হংকংয়ের শেয়ারবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও মিউচুয়াল ফান্ড সক্রিয় থাকায় বিক্রির চাপ সামলে নিচ্ছে সেসব দেশের শেয়ারবাজার। বাংলাদেশে এমন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী নেই, আবার বিনিয়োগকারীদের ইতিবাচক বার্তা দেওয়ারও কেউ নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ব্যাপক দরপতনে দ্বিতীয় সপ্তাহে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু

আপডেট সময় ১২:১৬:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বড় দরপতনে আজ রোববারও লেনদেন শুরু হয়েছে দেশের শেয়ারবাজারে। ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে এ নিয়ে দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়াল দরপতন।

আজ সকাল দশটায় লেনদেন শুরুর এক ঘণ্টা পর বেলা ১১টা পর্যন্ত লেনদেনে সিংহভাগ কোম্পানির শেয়ার দর হারায়। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আড়াই শতাংশ পতন হয়।

এ সময় গত বৃহস্পতিবারের তুলনায় ১৩০ পয়েন্ট হারিয়ে সূচকটিকে ৫১১০ পয়েন্টে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

গত সপ্তাহের দরপতনে সূচকটি ৩৫৯ পয়েন্ট বা ৬ দশমিক ৪২ শতাংশ হারিয়ে ৫২৪০ পয়েন্টে নেমেছিল।

আজ দিনের লেনদেন পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বেলা ১১টায় ২৯ শেয়ারের দর বৃদ্ধির বিপরীতে ৩২৯ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল।

প্রথম ঘণ্টায় কেনাবেচা হয়েছে ১৭৪ কোটি টাকার শেয়ার, যা গত বৃহস্পতিবারের প্রথম ঘণ্টার লেনদেনের তুলনায় ৪৮ কোটি টাকা বেশি।

দরপতন আরও বাড়তে পারে- এমন ভয় থেকে অনেকের শেয়ার বিক্রি করছেন। এ কারণে লেনদেন বেড়েছে।

বেলা সাড়ে ১১টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় পতন আরও গভীর হতে দেখা গেছে। সূচক ১৬৬ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ১৮ শতাংশ হারিয়ে ৫০৭৪ পয়েন্ট পর্যন্ত নেমেছিল।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসনের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বেড়েছে। এ কারণে ব্যবসার খরচ বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কার কারণে উদ্বেগত বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। এরই নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে শেয়ারবাজারে।

এ কারণে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে দরপতন অব্যাহত থাকলেও এশিয়ার বড় বাজারগুলো এরই মধ্যে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে।

সর্বশেষ লেনদেন নিয়ে জাপানের নিক্কি২২৫ সূচক ৩৪২ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৬২ শতাংশ এবং হংকংয়ের শেয়ারবাজারের সূচক হ্যাং স্যাং ৪৩৬ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৭২ শতাংশ বেড়েছিল। ঊর্ধ্বমুখী ছিল চীনের সাংহাই শেয়ারবাজারের সাংহাই কম্পোজিট ইনডেক্সও।

তবে ভারত ও পাকিস্তান ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ডের শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছিল।

বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তা জানান, বিনিয়োগকারীরা কেনো শেয়ার বিক্রি করছেন, তারা জানেন না। শুধু মনে করছেন- আরও দর কমতে পারে। তার আগে শেয়ার বিক্রি করতে পারলে লোকসান কিছুটা কম হবে- এ ভাবনা থেকে শেয়ার বিক্রি করছেন।

জাপান বা চীন বা হংকংয়ের শেয়ারবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও মিউচুয়াল ফান্ড সক্রিয় থাকায় বিক্রির চাপ সামলে নিচ্ছে সেসব দেশের শেয়ারবাজার। বাংলাদেশে এমন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী নেই, আবার বিনিয়োগকারীদের ইতিবাচক বার্তা দেওয়ারও কেউ নেই।